চাইলে আরও একটা বছর দায়িত্বটা চালিয়ে যেতে পারতেন। অন্তত জার্মানির সঙ্গে সে পর্যন্তই তাঁর চুক্তি। তবে বিচক্ষণেরা বিলক্ষণ বুঝতে পারেন কখন তাঁকে চলতে হবে,  থামতে হবে কোথায়! শেষের বার্তাটা জোয়াকিম লো পেয়েছিলেন উয়েফা ন্যাশন্স লিগে স্পেনের কাছে ৬-০ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার পরই। বুঝতে পারছিলেন ফুরিয়ে আসছে সময়। তাই আরও একবার প্রিয় শিষ্যদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগির পথ খোলা রেখে জার্মানিকে বিশ্বকাপ জেতানো কোচ টানলেন তাঁর সমাপ্তি।প্রায় ১৭ বছর ধরে জার্মানির সঙ্গে আছেন লো। দুই বছর ছিলেন ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যানের সহকারী, পরের ১৫ বছর প্রধান কোচ হিসেবে। তার হাত ধরেই ২০১৪ সালে জার্মানরা জিতেছে নিজেদের চতুর্থ বিশ্বকাপ শিরোপা। একজন বিশ্বজয়ী কোচ হিসেবে নিজের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ থাকতে থাকতেই ৬১ বছর বয়সী কোচ জানিয়ে দিলেন, ২০২১ সালের ইউরো শেষে আর ‘ডাই মেনশাফট’দের ডাগআউটে থাকছেন না তিনি। ‘আমি ভেবেচিন্তে গর্ব আর সংখ্য ভালোবাসা নিয়েই সিদ্ধান্তটা নিয়েছি। কিন্তু একইসময়ে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের বিষয়টি মাথায় রেখে ভীষণ অনুপ্রেরণাও পাচ্ছি’, নিজের আবেগঘণ বিদায়ী বার্তায় বলেছেন লো।২০০৪ সালে ক্লিসম্যানের সহকারী হয়ে দুই বছর কাটানোর পর ২০০৬ সালে পদোন্নতি নিয়ে হয়ে যান জার্মানদের প্রধান কোচ। ২০০৮ সালে ইউরোকে ফাইনালে তুললেও স্পেনের কাছে হেরে যায় তাঁর দল। ছয় বছর পর ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে ২০১৪ বিশ্বকাপ জিতে সেই আক্ষেপ ভালোভাবেই ঘোঁচান লোয়ের দল।তবে গত তিন বছর বোঝা যাচ্ছিল, ধার হারিয়ে ফেলছে লোয়ের জার্মানি। ২০১৮ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে বাদ পড়া, এরপর প্রীতি ম্যাচ কিংবা নেশনস লিগেও স্বরূপে ফিরতে পারেননি তিনি, প্রশ্নবিদ্ধ তাঁর কৌশল। কোচিং ক্যারিয়ারে ১৮৯ ম্যাচের ১২০টিতেই জার্মানিকে জেতানো এই কোচ সিদ্ধান্তে এলেন, থামতে হবে এখনই। এতে করে অন্তত ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে দল নিয়ে কাজ করার লম্বা সময় পাবেন তাঁর উত্তরসূরী।
100
ইউরোতেই শেষ বিশ্বকাপজয়ী লো
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২১, ১৭:২৮
category: খেলা
keywords: 
meta: 



কিশোরগঞ্জে পেঁয়াজ চাষ করে সফলতার স্বপ্ন দেখছে চাষিরা। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, কৃষকেরা এবার লাভের মুখ দেখবে এবং রমজান মাসে সাধারণ মানুষও কম দামেই পেঁয়াজ পাবে। দেশীয় পেঁয়াজের আবাদ বাড়লে আমদানি নির্ভরতা কমবে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।কিশোরগঞ্জ জেলার পেঁয়াজ চাষিরা বারবার ক্ষতিগ্রস্থ হলেও এবার তারা লাভের আশা করছেন। তাদের হাস্যোজ্জ্বল মুখ দেখলেই বুঝা যায় তাদের মধ্যে আনন্দের হাওয়া বইছে। জেলার কৃষকদের প্রতিনিয়তই পরামর্শ প্রদান করছে কৃষি কর্মকর্তারা। কৃষকরা যেন অল্প টাকায় মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছে পেঁয়াজ বিক্রি করতে বাধ্য না হন সেক্ষেত্রেও সরকারি তদারকি অব্যাহত আছে।কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, এ বছর জেলায় পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৫৫ হেক্টর। ইতোমধ্যে ৭৩৬ হেক্টর আবাদ সম্পন্ন হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন। কমবেশি প্রায় সব কৃষকেরই রয়েছে পেঁয়াজের আবাদ।পাকুন্দিয়া উপজেলার আঙ্গিয়াদী ব্লকের দাওরাইট গ্রামের কৃষক মোঃ জামাল হোসেন বলেন, এ বছর ৩৩ শতাংশ জমিতে বারি- ১ জাতের পেঁয়াজ চাষ করেছি। ভালো ফলনের আশা করছি। খরচ উঠিয়ে লাভের মুখ দেখতে পারব। অনেক সময় পেঁয়াজের সঠিক মূল্য আমরা পাই না। মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে বঞ্চিত হই। এমন যেন না হয়। কৃষিকাজই আমাদের সম্বল। এ কাজ করেই আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে থাকি।জেলার কৃষকরা জানান, সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংরক্ষণের কোন ব্যবস্থা নেই। যে কারণে পেঁয়াজ সংরক্ষণ করতে পারি না। অনেক সময় সঠিক মূল্য থেকে বঞ্চিত হই। ফসল তোলা শেষ হলে বাড়ির মধ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখতে হয়। ঘর বারান্দার কোথাও খালি জায়গা থাকে না। এমনকি শোবার ঘরের খাটের নিচেও পেঁয়াজ রাখতে হয়। সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংরক্ষণ করা হলে আমরা সঠিক মূল্য পাব।পাকুন্দিয়া উপজেলার আঙ্গিয়াদী ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হামিমুল হক সোহাগ বলেন, মশলা জাতীয় ফসল পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয় এবং ঐ সমস্ত পেঁয়াজ যেন যথাযথভাবে কৃষকের বাড়িতে সংরক্ষণ করতে পারে সে বিষয়ে কৃষকদেরকে পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষে কৃষকদেরকে উদ্বুদ্ধ করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ ছাইফুল আলম জানান, এ বছর পেঁয়াজের ফলন ভালো হবার আশা করছি। এতে পেঁয়াজ চাষিরা মুনাফা করবে বলেও জানান।
101
পেঁয়াজ চাষ করে কিশোরগঞ্জের চাষিদের মুখে হাসি
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২১, ১৭:৩০
category: অর্থনীতি
keywords: 
meta: 



দেশের ফুটবলের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন তিনি, উপমহাদেশের অন্যতম সেরা ফুটবলারও। বাঁকা হয়ে থাকা বাংলাদেশ দলের মাঝমাঠে মেরুদণ্ড হয়ে থাকা সেই জামাল ভূঁইয়াকে যখন না পাওয়ার অনিশ্চয়তা তৈরি হয়, হইচই তো হবেই। নেপালে ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টের আগে এখন সেটাই হচ্ছে। বাংলাদেশ অধিনায়ককে নিয়ে বাফুফে বনাম কলকাতা মোহামেডানের ‘অদৃশ্য’ লড়াইয়ে হস্তক্ষেপ করতে হচ্ছে স্বয়ং ফুটবল ফেডারেশন সভাপতি কাজী সালাউদ্দীনকেও।নেপালে ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টে লাল-সবুজ অধিনায়ক খেলবেন কি খেলবেন না; এমন প্রশ্নের জবাবে সালাউদ্দীন জানিয়েছেন, অধিনায়ককে তিনি দলে চান। তবে জামালকে জাতীয় দলে ফেরার জন্য কোনো চাপও দিতে চান না ফেডারেশন সভাপতি। এই সিদ্ধান্তটা অধিনায়কের ওপরই ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। যেমনটা কদিন আগে সাকিব আল হাসানের ক্ষেত্রেও দেখা গেছে। শ্রীলঙ্কায় টেস্ট সিরিজ বাদ দিয়ে আইপিএলকে বেঁছে নেওয়া সাকিবের সিদ্ধান্তে ক্ষুদ্ধ হলেও তা মেনেই নিয়েছে বিসিবি।তাঁকে পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও ২১ মার্চ শুরু নেপাল, কিরগিজস্তান অনূর্ধ্ব-২৩ দলের বিপক্ষে টুর্নামেন্টের জন্য জামালকে দলে রেখেই মঙ্গলবার ২৪ সদস্যের দল ঘোষণা করেছেন বাংলাদেশ কোচ জেমি ডে। বাকি ২৩ জন নিশ্চিত থাকলেও সভাপতি-কোচ সবার ভাবনা-দুশ্চিন্তা আসলে অধিনায়ককে ঘিরেই।ভারতের ইন্ডিয়ান লিগে (আই লিগে) কলকাতা মোহামেডানের হয়ে জামালের শেষ ম্যাচ ২৭ মার্চ। ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ২১ মার্চ। যদিও জামাল বাংলাদেশের হয়ে খেলতে চান বলেই শোনা যাচ্ছে। কিন্তু কোন ম্যাচ থেকে তিনি থাকতে পারবেন  সেটা নিয়েই তৈরি হয়েছে ‘স্বার্থের দ্বন্দ্ব’।সাধারণত ফিফা উইন্ডোতে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের আটকে রাখতে পারে না ক্লাবগুলো। ২২ মার্চ থেকে শুরু এবারের ফিফা উইন্ডো শেষ হচ্ছে ২৯ মার্চ। ২৯ মার্চই নেপালে ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টের ফাইনাল। তার আগে ২১ মার্চ এফসি গোকুলমের বিপক্ষে ম্যাচ আছে মোহামেডানের। সেই ম্যাচটায় জামাল খেলতে নামলে নেপালের বিপক্ষে তাঁকে পাবেন না জেমি ডে।তবে অধিনায়ককে আরও আগে পাওয়ার জন্য বাফুফে থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে বুধবার নিশ্চিত করেছেন কাজী সালাউদ্দীন নিজেই, ‘নিয়ম আছে ফিফা উইন্ডোতে জাতীয় দল ডাকলে ক্লাবগুলো খেলোয়াড় ছাড়তে বাধ্য। সে নিয়ম মেনেই আমরা আমাদের খেলোয়াড়কে চেয়ে কলকাতা মোহামেডানকে চিঠি দিয়েছি। দেখি তারা কী বলে! জামাল নিজে খেলতে না চাইলে সেটা আবার ভিন্ন বিষয়।’পাঠানো চিঠির উত্তরে কলকাতা মোহামেডান কী জানালো সেটা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। ফেডারেশনের এক সূত্র থেকে জানা গেছে কলকাতার ক্লাবটি এখন পর্যন্ত নিরুত্তর।ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ দলগোলরক্ষক : আশরাফুল ইসলাম রানা, শহিদুল আলম সোহেল ও আনিসুর রহমান জিকো।রক্ষণভাগ: বিশ্বনাথ ঘোষ, রিমন হোসাইন, টুটুল হোসেন বাদশা, রহমত মিয়া, ইয়াসিন আরাফাত, ইমন, মেহেদী হাসান, সোহাগ।মাঝমাঠ: মানিক মোল্লা, জামাল ভূঁইয়া, মাসুক মিয়া জনি, রাকিব হোসেন, বিপলু আহমেদ, সাদ উদ্দিন, মাসুক মিয়া জনি ও সোহেল রানা।আক্রমণ: মতিন মিয়া, সুমন রেজা, মেহেদী হাসান ও মাহবুবুর রহমান সুফিল।
102
জামালকে নিয়ে সাকিবের পথে হাঁটছে বাফুফে
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২১, ১৭:৪৫
category: খেলা
keywords: 
meta: 



শেরপুরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ব্রহ্মপুত্র সেতুর ইজারাদার  নূর হোসেনের (৬০) চোখে মরিচের  গুঁড়া ছিটিয়ে ৩৫ লাখ টাকা ছিনতাই করেছে একদল দুর্বৃত্ত। রবিবার (২১ মার্চ)  দুপুর পৌনে ১২টার দিকে শহরের মধ্যশেরী এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে।নূর হোসেন সদর উপজেলার চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের সাতপাকিয়া গ্রামের মৃত আব্দুস ছামাদের ছেলে। এদিকে এই ঘটনার পরপরই ব্যবসায়ী নূর হোসেনকে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ হান্নান মিয়া, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ ডিবি পুলিশের কর্মকর্তারা।জানা যায়, ইজারার কিস্তির ৩৫ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়ার উদ্দেশে ব্রহ্মপুত্র সেতুর টোল ঘর থেকে মোটরসাইকেলযোগে শেরপুর শহরের দিকে যাচ্ছিলেন নূর হোসেন । পথিমধ্যে শহরের মধ্যশেরী এলাকায় ৫ সদস্যের একটি ছিনতাইকারী দল তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে ডিবি পুলিশের পরিচয় দেয়। ওইসময় ছিনতাইকারীরা মোটরসাইকেল চালককে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে ফেলে এবং নূর হোসেনের চোখে মরিচের  গুঁড়া ছিটিয়ে ৩৫ লাখ টাকার ব্যাগ ছিনতাই পালিয়ে যায়।এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ছিনতাইয়ের সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য মাঠে কাজ করেছে পুলিশ। ওই ঘটনায় সদর থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
103
শেরপুর চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে ৩৫ লাখ টাকা ছিনতাই
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২১, ১৭:৫৮
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: 



চাইলে পারতেন আরও কিছুদিন ভারতে খেলে আসতে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন অন্তত সেই লাইসেন্স তাঁকে দিয়েছিলেন। কিন্তু দেশকে উপেক্ষা করে ক্লাবকে খুশি করার কোনো ইচ্ছেই নেই জামাল ভূঁইয়ার। বাংলাদেশ অধিনায়ক বিশ্বাস করেন, জাতীয় দলের জার্সিই তাঁর কাছে সবার আগে।কলকাতা মোহামেডানের হয়ে সোমবার চার্চিল ব্রাদার্সের বিপক্ষে ম্যাচটি আই লিগে জামালের চলতি মৌসুমের শেষ হতে চলেছে। এরপর তিনি যোগ দেবেন নেপালে ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ দলের ক্যাম্পে। ম্যাচটার আগে ভারতে তাঁর অভিজ্ঞতা আর বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন লাল-সবুজ অধিনায়ক।কলকাতা মোহামেডানের হয়ে শুরুটা সহজ ছিল না জামালের। নতুন সতীর্থদের সঙ্গে বোঝাপড়া তৈরির আগেই করোনা ভাইরাস থেকে দূরে থাকতে তাঁকে কাতারে হোটেলবন্দী থাকতে হয় । মাঠে প্রতিপক্ষের কড়া ট্যাকল যেভাবে এড়িয়ে যান, করোনাকেও একইভাবে সামলাতে হয়েছে বাংলাদেশ দলের নিউক্লিয়াসকে। প্রমাণ করেছেন নিজের সক্ষমতা। জামাল তাই বলছেন, ‘এখানের সব অভিজ্ঞতা দারুণ। শুরুটা আমার জন্য সহজ ছিল না। আমার করোনা হয়েছিল। দলটাও ছিলো নতুন। খুব বেশি অনুশীলনের সুযোগ পাইনি। কিছু দিন পরেই আমরা একটা দল হয়ে উঠেছি। এখানে খেলতে পেরে আমি গর্বিত।’ভবিষ্যতে ভালো সুযোগ ও প্রস্তাব পেলে আবারও কলকাতা কিংবা ভারতের যেকোনো ক্লাবে খেলার সম্ভাবনা থাকবে বলে জানান জামাল। তাঁর মতে, শুধু তিনিই নন, ভালো খেলা যেকোনো বাংলাদেশি ফুটবলারের ভারতের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ  লিগে খেলতে পারেন।অল্প সময়ে কলকাতায় কোচ-সতীর্থদের মন জয় করেছেন জামাল। হয়ে উঠেছেন দলটির অবিচ্ছেদ্য অংশ। লিগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে যখন তাঁকে মোহামেডানের দরকার, তখনই জাতীয় দলে ফিরছেন তিনি। অথচ চাইলে ক্লাবটির হয়ে লিগ চালিয়েও যেতে পারতেন তিনি!জামালের পরিষ্কার জবাব, ‘ একজন খেলোয়াড় হিসেবে  সবসময়ই নিজের সেরাটা জাতীয় দলকে দিতে চাই। কোচও এক মত হবেন (কলকাতা কোচ শঙ্করলাল চক্রবর্তী)। তিনি নিজেও জাতীয় দলে খেলেছেন একসময়। একজন জাতীয় দলের ফুটবলার সবসময় গর্ব অনুভব করেন। সময়টাকে উপভোগ করতে হয়। অবসরের পর এই মুহূর্তগুলো একটা আনন্দময় অভিজ্ঞতা হয়ে উঠে।’
104
ক্লাব নয়, জামালের কাছে দেশই আগে
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২১, ১৮:০২
category: খেলা
keywords: 
meta: বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন অন্তত সেই লাইসেন্স তাঁকে দিয়েছিলেন। কিন্তু দেশকে উপেক্ষা করে ক্লাবকে খুশি করার কোনো ইচ্ছেই নেই জামাল ভূঁইয়ার।



দুজনকে নিয়ে চলছিল এন্তার সমালোচনা। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শেষ ষোলোতেই তাঁদের দল থেমে যাওয়ায় সমালোচনাটা আরও তীব্র হয়ে ওঠে। নিন্দুকদের জবাব দিতে দুজন বেশি সময় নেননি।সিরি ‘আ’তে কালিয়ারির বিপক্ষে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর হ্যাটট্রিক করার পরের দিনই লা লিগায় জ্বলে উঠলেন লিওনেল মেসি। হ্যাট্রিক না করলেও ন্যু ক্যাম্পে ন্যুতে উয়েস্কার বিপক্ষে ৪-১ গোলে জয়ের ম্যাচে দুটো গোল করেছেন, একটি গোলে ছিল তাঁর সহায়তা। কাতালানরা গোল করতে পারত প্রথম ১০ মিনিটের মধ্যেই। সের্হিনিও দেস্ত ম্যাচের ১০ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে দ্রুত ঢুকে বাঁ পায়ে জোরালো শট নিলেও দেস্তের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেন উয়েস্কার গোলরক্ষক  আলভারো ফার্নান্দেস ।  দেস্তের শট আটকাতে পারলেও  মেসির শট আটকনোর সামর্থ্য ছিল না ফের্নান্দেসের। ১২ মিনিটের মাথায় উয়েস্কার অধিনায়ক হোর্হে পুলিদোকে বোকা বানিয়ে বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের জোরাল শটে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন মেসি।১৬ মিনিটে ডান পায়ে একটি শট নিয়েছিলেন ঠিকই কিন্তু গোলবারের ওপর দিয়ে চলে যায়। ২৬ মিনিটের মাথায়  উয়েস্কার পাবলো মাফেও সমতা আনতে গিয়েও বার্সা গোলরক্ষক টের স্টেগেন দুর্দান্তভাবে সেটি ঠেকিয়ে দেন। ৩৫ মিনিটে  গ্রিজমানের গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বার্সা যে গোলটা অনেকটা মেসির প্রথম গোলের মতোই; বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের জোরালো শটে গোল। বার্সার আক্রমণে রীতিমত দিশেহারা হয়ে পড়েছিলো উয়েস্কা।প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে পেনাল্টি গোলে ব্যবধান কমান উয়েস্কার স্ট্রাইকার রাফা মির। দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম দিকে ৫৩ মিনিটে মেসির সহায়তায় বার্সা ডিফেন্ডার অস্কার মিঙ্গুয়েজা গোল করে ব্যবধানটা আরও বাড়িয়ে নেন।  ৯০ মিনিটে আবারও বাঁ পায়ের ঝলকে ৪-১ ব্যবধানে দলকে জেতাতে ভূমিকা রাখেন লিওনেল মেসি। গোল যদি নাও করতেন, একটি দিক থেকে ঠিকই রেকর্ড করে ফেলেছিলেন মেসি। পরশুর ম্যাচ খেলে তিনি ছুঁয়ে ফেলেছিলেন তাঁরই ক্লাবের জাবি হার্নান্দেজকে। দুজনই বার্সার  হয়ে খেলেছেন ৭৬৭টি ম্যাচ। এই ম্যাচের দুটি গোল করে টানা ১৩ মৌসুমে ২০ গোল করার রেকর্ড করলেন মেসি এবংমৌসুমে এখন পর্যন্ত করেছেন ২১টি গোল যার ১৪টি করেছেন শেষ ১০ ম্যাচে।২১ গোল করে লা লিগার এবারের মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে ভালোভাবেই এগিয়ে মেসি।  দুইয়ে আছেন তাঁরই সাবেক সতীর্থ লুইস সুয়ারেজ।টানা ১৭ ম্যাচ জিতে রিয়াল মাদ্রিদকে টপকে এখন ২য় অবস্থানে বার্সা। ২৭ ম্যাচ খেলে কাতালানদের পয়েন্ট এখন ৫৯। সমান ম্যাচ খেলে শীর্ষে থাকা অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ মেসিদের চেয়ে মাত্র ৪ পয়েন্ট বেশি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শেষ ষোলো থেকে বিদায়ের দুঃখটা যদি বার্সা লিগ শিরোপাটা জেতে ঘোঁচায়।
105
মেসিও ফিরলেন রোনালদোর মতোই
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২১, ১৮:১৩
category: খেলা
keywords: 
meta: 



জামাল ভূঁইয়াকে নিয়ে বাংলাদেশের হইচই পৌঁছে গেছে ওপার বাংলাতেও। অধিনায়ককে ফেরত চেয়ে কলকাতা মোহামেডানকে চিঠিও পাঠায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। একটি জাতীয় দলের অধিনায়ককে জোর করে ধরে রাখতে চাইছে না পশ্চিম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি। তাদের সিদ্ধান্ত, লাল-সবুজ অধিনায়ককে দেশের হয়েই খেলার সুযোগ করে দেবে তারা।নেপালে ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টে ২১ মার্চ বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ স্বাগতিকদের বিপক্ষে। সেই ম্যাচে জামালকে বাংলাদেশ পাচ্ছে বলে একটি সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন মোহামেডানের সাধারণ সম্পাদক দানিশ ইকবাল, ‘১৫ মার্চের ম্যাচের পরেই আমরা জামাল ভূঁইয়াকে জাতীয় দলের জন্য ছেড়ে দিচ্ছি। জাতীয় দলের হয়ে দায়িত্ব পালন করা একজন ফুটবলারের সবচেয়ে বড় বিষয়। আমাদের ক্লাব কলকাতা মোহামেডান এই ব্যাপারে খুবই আন্তরিক ও শ্রদ্ধাশীল। আমাদের একজন ফুটবলার দেশকে প্রতিনিধিত্ব করবে এটা অবশ্যই গর্বের।’শোনা যাচ্ছিল, ২১ মার্চ এফসি গোকুলমের বিপক্ষে ম্যাচ খেলেই নেপালের বিমান ধরবেন জামাল। সেক্ষেত্রে দেশের প্রথম ম্যাচটা খেলা হতো না তাঁর। তবে দানিশ ইকবাল মানছেন, একজন অধিনায়কের জন্য ক্লাবের চেয়ে জাতীয় দায়িত্ব আগে। জামালকে তাই জোর করে ধরে রাখতে রাজিও নন তাঁরা, ‘ও আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকরী ফুটবলার। তাকে অবশ্যই মিস করব। কিন্তু তাঁকে তো দেশের হয়েই খেলতে হবে। আমরা ইতিমধ্যে কোচ শঙ্করলালের সঙ্গে কথা বলছি জামালের পজিশনে শেষ দুই ম্যাচে বিকল্প নিয়ে ভেবে রাখতে।’প্রথমবারের মত আই লিগে খেলতে নেমে কলকাতা মোহামেডান কর্মকর্তাদের মন জয় করেছেন জামাল। ক্লাবটির হয়ে একটি বাদে ১২ ম্যাচের সবগুলোতেই মাঠে ছিলেন এই হোল্ডিং মিডফিল্ডার। ভারতের এই লিগে মোহামেডান নিজেও খেলছে প্রথমবারের মতো। পয়েন্ট টেবিলের পাঁচে থাকা দলটার যখন জরুরী দরকার জামালকে, ঠিক সেই মুহূর্তেই তাদের নিতে হচ্ছে জামালকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত। তবে সম্ভব হলে আগামী মৌসুমেও জামালকে দলে চাইবেন বলে আশা দানিশের, ‘সে খেলোয়াড় হিসেবে যেমন দারুণ, মানুষ হিসেবেও তেমনি। আমরা অবশ্যই জামালকে চাই। জামাল যদি আমাদের এখানে খেলতে চায় তাহলে আমরা তাকে সাদরে গ্রহণ করব।
106
বাংলাদেশকে সুসংবাদ দিল মোহামেডান
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২১, ১৮:৩৫
category: খেলা
keywords: 
meta: 



মহামারির প্রাদুর্ভাবে প্রায় ১০ মাসের বিরতির পর ফেব্রুয়ারিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছে বাংলাদেশ। তবে ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট এখনও শুরু করতে পারেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে খুব শিগগির এই বিরতির শেষ হতে যাচ্ছে বলেই জানিয়েছেন মিনহাজুল আবেদীন। বিসিবির প্রধান নির্বাচক বলেছেন, ২২ মার্চ থেকে শুরুজাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল)। আর এনসিএল দিয়েই শ্রীলঙ্কা সফরে প্রস্তুতি সারবেন বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়েরা।ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বড় দৈর্ঘ্যরে ক্রিকেটের কোনো প্রস্তুতি ম্যাচ ছাড়াই খেলতে নেমেছিল বাংলাদেশ। ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ভালো ফল না হওয়ার কারণ হিসেবে এটি সামনে এনেছেন অনেকেই। প্রধান নির্বাচকেরও আফসোস ছিল, কোনো রকমের প্রস্তুতি ম্যাচ না খেলে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে টেস্ট খেলা নিয়ে। সামনে শ্রীলঙ্কা সফরের আগে এনসিএল দিয়ে মৌসুম শুরুর পেছনে এই বিষয়টিও কাজ করেছে বিসিবির।এরই মধ্যে জাতীয় লিগের প্রতি দলও চূড়ান্ত করছেন নির্বাচকেরা। কাল বিসিবি কার্যালয়ে এক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল বলেছেন, ‘আমরা দলগুলো তৈরি করতে অধিনায়ক ও কোচের সঙ্গে (বৃহস্পতিবার) বসেছিলাম। আটটি বিভাগের সঙ্গে বসেছিলাম। মোটামুটি ১৮ জন কওে প্রতিটি দল তৈরি করে দিয়েছি। ২২ তারিখ একটা (তারিখ) দেওয়া আছে (জাতীয় লিগ শুরুর)। এখন খেলোয়াড়েরা টিকা কবে নেয়, সেটার ওপর নির্ভর করছে। আমরা আমাদের কাজ এগিয়ে রেখেছি। দলগুলো প্রায় প্রস্তুত করে দিয়েছি যেন অনুশীলন শুরু করে দিতে পারে।‘দেশে থাকা বাংলাদেশ টেস্ট দলের ক্রিকেটাররা  সুযোগ পেতে পারেন প্রথম তিন রাউন্ড খেলার। নিউজিল্যান্ড সফরে থাকা ক্রিকেটাররা লঙ্কা সফরে যাওয়ার আগে অন্তত তৃতীয় রাউন্ডটি যেন খেলতে পারে, সেই চেষ্টা করবে বিসিবি। টেস্ট দলের খেলোয়াড়দের জাতীয় লিগ খেলা নিয়ে প্রধান নির্বাচকের ব্যাখ্যা, ‘এখন টেস্ট দলের ক্রিকেটার যারা দেশে আছে, তারা দুই রাউন্ড খেলতে পারবে। আমাদের তৃতীয় রাউন্ড শুরু ৫ এপ্রিল থেকে। আমরা আলোচনা করছি। নিউজিল্যান্ড থেকে আসার পর যারা এক রাউন্ডের জন্য ফাঁকা থাকবে, শ্রীলঙ্কা যাওয়ার আগে তারা যেন একটা রাউন্ড খেলে যায়, আমরা সেই চেষ্টা করব।’এবারের এনসিএলে নতুন কোনো পরিবর্তন আসবে কি না সেটা নিয়ে প্রধান নির্বাচক জানিয়েছেন, দীর্ঘ বিরতির পর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট আয়োজন তাদের জন্য জন্য চ্যালেঞ্জিং। আপাতত তাই প্রতিযোগিতাপূর্ণ লিগ খেলে খেলোয়াড়দের প্রস্তুত করাই মূল লক্ষ্য। শ্রীলঙ্কা সফরের দল নির্বাচনে জাতীয় লিগের পারফরম্যান্স বিবেচনা করা হবে বলেও জানিয়েছেন মিনহাজুল। তবে টেস্ট ক্রিকেটে দল নির্বাচনে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অভিজ্ঞতাকেই বেশি মূল্যায়ন করতে চান জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক।
107
জাতীয় লিগ দিয়েই শ্রীলঙ্কা সফরের প্রস্তুতি
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২১, ১৮:৫০
category: খেলা
keywords: 
meta: 



তিন সংস্করণেই প্রতিপক্ষকে ধবলধেলাই, তিন সংস্করণেই সেরা ব্যাটসম্যান ও সেরা বোলারের তালিকায় জ¦লজ¦ল করছে নিজেদের নাম আয়ারল্যান্ড উলভসের বিপক্ষে সব পাওয়ার এক সিরিজ খেলল বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। আইরিশদের বিপক্ষে একমাত্র চার দিনের ম্যাচ পরে ওয়ানডে সিরিজের পর কাল মিরপুরে টি-টোয়েন্টি সিরিজও জিতেছেন সাইফ হাসানের দল। বাংলাদেশ থেকে একেবারে শূন্য হাতেই ফিরতে হচ্ছে আয়ারল্যান্ড উলভসকে।দুদিন আগে মিরপুরেই ওয়ানডে সিরিজে ধবলধোলাই নিশ্চিত হয় আইরিশ ইমার্জি দলের। কাল মঙ্গলবার সফরের একমাত্র টি-টোয়েন্টিতেও ভিন্ন ফল হয়নি, আয়ারল্যান্ড উলভসকে ৩০ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশের উদীয়মানরা। আগে ব্যাটিং করে তৌহিদ হৃদয়ের ফিফটিতে ৭ উইকেটে ১৮৪ রান তোলে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। তৌহিদ ৫৮ ও অধিনায়ক সাইফ হাসান করেন ৪৮ রান। জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে সুমন খানের দারুণ বোলিংয়ে ১৫৪ রানে অন আউট আয়ারল্যান্ড উলভস। সুমন নেন ৪ উইকেট।আইরিশদের বিপক্ষে তিন সংস্করণেই দাপট দেখিয়েছেন ইমার্জিং দলের খেলোয়াড়েরা। চট্টগ্রামে চার দিনের ম্যাচটা দুই দিনেই জিতে নিয়েছেন বাংলাদেশ। ১০৬ রানে ১৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচের নায়ক বাঁহাতি স্পিনার তানভীর ইসলাম। আর দল পায় ইনিংস ও ২৩ রানের বড় জয় পায়।ওয়ানডে সিরিজেও দাপটটা ধরে রাখে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচ পরিত্যক্ত হলেও বাকি চার ম্যাচের প্রতিটিতেই সহজ জয় পেয়েছে সাইফ হাসানের দল। দুই ফিফটি ও এক সেঞ্চুরিতে ৭১ গড়ে ২৮৫ রান নিয়ে সিরেজের সেরা ব্যাটসম্যান মাহমুদুল হাসান জয়ের। ২২৬ রান নিয়ে দুইয়ে তৌহিদ হৃদয়, তাঁর গড়টি চমকজাগানিয়, ১১৩! অধিনায়ক সাইফে হাসানের ব্যাট থেকে এসেছে ১৯০ রান। বোলারদের মধ্যে ৭ উইকেট নিয়ে শীর্ষে  সুমন খান। ৬ উইকেট নিয়ে এর পরেই রয়েছেন তাঁর সতীর্থ পেসার মুকিদুল ইসলাম।বিসিবির ইমার্জিং টিমের এই সাফল্য এসেছে দলীয় পারফম্যান্সের সৌজন্যে। একক পারফরমার নন, সবাই জ¦লে উঠেছেন এক সঙ্গে। ফলও পেয়েছেন তাঁরা। মাহমুদুল-তৌহিদ-সুমনদের চ্যালেঞ্জ, ধারাবাহিক ভালো খেলে বিসিবির পাইপলাইনটা সমৃদ্ধ করা।
108
সবই পেলেন সাইফরা
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২১, ১৮:৫৯
category: খেলা
keywords: 
meta: 



সব ভালো কিছুই নাকি কখনো না কখনো শেষ হতে হয়। জয়েসের মহাকাব্যিক বয়ানে রচিত ইউলিসিসকেও এক সময় শেষ হতে হয়েছে, থেমেছে রবিশংকর-বিলায়াৎ খাঁর অমর যুগলবন্দিও। কদিন আগেই তো থামল ডিয়েগো ম্যারাডোনার হেভি মেটাল জীবনযাপন। সে ধারাবাহিকতা মেনেই হয়তো এবার থামছে লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মধ্যরাতের যুগলবন্দীও।‘হয়তো’ বলছি কারণ, এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে দুজনের কেউই ফুটবলকে বিদায় বলেননি। দুজনই নিশ্চয় চেষ্টা করবেন শেষটা আরও সুন্দর ও রাজকীয় করতে। এমন ম্লান বিদায় যে তাদের কারও প্রাপ্য নয়। কিন্তু বাস্তবতা বলছে ব্যাটনটা এখন অন্য কারও হাতে তুলে দেওয়ার সময়টা এসেই গেছে। যা নেওয়ার জন্য অদূরে দাঁড়িয়ে আছেন এমবাপ্পে-হালান্ডরা। যেন মেসি-রোনালদোকে বলছেন, ধন্যবাদ মায়েস্ত্রো ব্যাটনটা এবার সামনে বাড়িয়ে দিন।মাদেইরার গলি আর লা মেসিয়ার আঁতুড়ঘর দিয়ে শুরু হয়েছিল রূপকথার এই গল্প। এরপর আর কখনো পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি সমকালীন সময়ের দুই ফুটবল মহাতারকাকে। এক যুগের বেশি সময় পালা করে শাসন করছেন ইউরোপের ফুটবল। রোনালদো ও মেসিই যে লা লিগাকে পরিণত করেছিলেন বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপনে, বিরোধিতা করার লোক খুব একটা খুঁজে পাওয়া যাবে না। ‘এল ক্লাসিকো’কে এনে দিয়েছেন অন্য এক মাত্রা।রেকর্ড বুক জুড়েও দুজন মিলে চালিয়েছেন অবিশ্বাস্য সব রায়ট। এসব কীর্তিগাথার মাঝেই সর্বকালের সেরার তালিকাতেও উঠে যান দুজন। তাঁদের মুখোমুখি অনেক লড়াই ফুটবলপ্রেমীদের দিয়েছে সারাজীবন মনে রাখার মতো অসামান্য সব মুহূর্ত। কিন্তু মধ্যরাতের মালকোষও একসময় ভোরের ভৈরবীতে গিয়ে শেষ হয়। ঠিক সেভাবেই মেসি ও রোনালদোর রাজত্বও এখন তাদের পড়ন্ত বেলা দেখতে শুরু করেছে। দুজনের বয়স, ফর্ম ও দলগত অবস্থা এই কঠিন অনুসিদ্ধান্তের সাক্ষী হয়ে জ¦লজ¦ল করছে। বিশেষ করে পরপর দুই দিনে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে জুভেন্টাস ও বার্সেলোনার বিদায় যেন সবকিছু চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে।২০০৪-০৫ মৌসুমের পর ১৬ বছরের মধ্যে এই প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে দুজনের কেউই থাকছেন না। এমনকি ২০০৬-০৭ সালের পর এই প্রথম শেষ আটের টিকিট পেতে ব্যর্থ হলো বার্সেলোনা। জুভেন্টাসও রোনালদোকে নিয়ে সর্বশেষ তিন মৌসুমের দুটিতে পেরুতে পারল না দ্বিতীয় রাউন্ডের গ-ি। অথচ চ্যাম্পিয়ন্স লিগের চ্যালেঞ্জ জিততেই তো রিয়াল মাদ্রিদ থেকে তুরিনে টেনে আনা হয়েছিল রোনালদোকেও। ‘সিআর সেভেন’ও চেয়েছিলেন মাদ্রিদের বাইরে নিজের রাজত্ব কায়েম করতে। কিন্তু কিছুতেই যেন আর কিছু হওয়ার নয়। এক সময় এ দুজনের পায়ে বর হয়ে আসা ফুটবল দেবীও যেন মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।এমন ধ্বংসস্তুপের মাঝেও যেটুকু সম্ভাবনা তা কেবল নাম দুটির কারণে। মেসি ও রোনালদোর অবিশ^াস্য কীর্তি ও অর্জনগুলো শেষ বলে দেওয়ার মাঝে বারবার বাঁধার দেয়াল তৈরি করছে। হতে পারে রোনালদোর বয়স ৩৬ এবং মেসির বয়স ৩৩। কিন্তু বয়স, পরিসংখ্যান কিংবা ফর্ম এগুলো কি সর্বকালের সেরাদের থামিয়ে রাখতে পারে? কে জানে, এই ছায়ভস্ম থেকেই হয়তো শেষবারের মতো নতুন ফিনিক্স হয়ে জন্ম নেবেন তারা। বিদায় বলার আগে নিশ্চয় আরেকবার ইউলিসিসের শেষের অংশটুকু আরেকবার নতুন করে লিখতে চাইবেন কিংবা যুগলবন্দীর শেষ সুরটুকু একসঙ্গে আরেকবার বাজাতে চাইবেন। সেই সুযোগ যে এখনো শেষ হয়ে যায়নি তা বলাই বাহুল্য। সামনে তাই দুজনের নামে গ্যালারি কাঁপানোর অপেক্ষা করতেই পারেন ভক্ত-সমর্থকরা।                                 মুখোমুখিমেসি                                                     রোনালদো৩৩                         বয়স                      ৩৬১৪৯                       ম্যাচ                      ১৭৬১৩৪                       গোল                     ১২০০.৭৬                    গড়                        ০.৮১ তথ্যকণিকামেসি*প্রতি ১২৮ মিনিট ৫৩ সেকেন্ডে একটি গোল করেছেন।*প্রতি ৫২৬ মিনিট ১৫ সেকেন্ডে একটি অ্যাসিস্ট করেছেন।*প্রতি ১০৩ মিনিট ৩১ সেকেন্ডে একটি গোলে অংশগ্রহণ করেছেন। রোনালদো*প্রতি ১০৯ মিনিট ২৯ সেকেন্ডে একটি গোল করেছেন।*প্রতি ৪৮৯ মিনিট ০০ সেকেন্ডে একটি অ্যাসিস্ট করেছেন।*প্রতি ৮৯ মিনিট ২৭ সেকেন্ডে একটি গোলে অংশগ্রহণ করেছেন। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সর্বোচ্চ ৫ গোল দাতানাম                        দেশ                       ক্লাব                                       গোলরোনালদো           পর্তুগাল                রিয়াল/জুভেন্টাস             ১৩৪মেসি                     আর্জেন্টিনা         বার্সেলোনা                          ১২০লেভানদোভস্কি  পোল্যান্ড             বরুশিয়া/বায়ার্ন                 ৭২রাউল                    স্পেন                    রিয়াল/শালকে                  ৭১বেনজেমা            ফ্রান্স                     লিঁও/রিয়াল                         ৬৯
109
শেষ দেখছে মেসি-রোনালদোর যুগলবন্দি
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২১, ১৯:১৪
category: খেলা
keywords: 
meta: 



নতুন বছর, নতুন শুরু, নতুন সংযোজন, শুভ নববর্ষ সবাইকে’--- নতুন বছরের শুরুতেই ইনস্টাগ্রামে স্ত্রী উম্মে আল হাসান শিশিরের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে নিজের বাবা হওয়ার খবরটি এভাবেই দিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। মঙ্গলবার এসেছে সেই শুভ সংবাদ। পুত্র সন্তানের বাবা হয়েছেন সাকিব।     যুক্তরাষ্ট্র থেকে সদ্য পৃথিবীতে আসা সন্তানের জন্য দোয়া চেয়েছেন সাকিব। বাঁহাতি অলরাউন্ডার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আনন্দের সঙ্গে আপনাদের সবাইকে জানাচ্ছি যে, মহান আল্লাহপাকের অশেষ রহমতে আমাদেও দুই কন্যা পেয়েছে তাদের ছোট ভাই। শিশির (তাঁর স্ত্রী) ও নবজাতক দুজনই সুস্থ আছে। সকল শুভকামনা ও প্রার্থনার জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। আমাদের জন্য সবাই দোয়া করবেন।’প্রথমবার পুত্র সন্তানের মা হওয়ার অনুভূতি জানিয়েছেন উম্মে আহমেদ শিশিরও। নিজের ফেসবুক পেজে সাকিবের স্ত্রীও দোয়া চেয়েছেন সবার কাছে, ‘দুটি সুন্দর রাজকন্যার পর একটি রাজপুত্র। এর চেয়ে সুন্দর জীবন আর কি হতে পারে! আমাদের জুনিয়রকে শুভকামনা জানানোর জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।সন্তানের পাশে থাকবেন বলে নিউজল্যান্ড সফরে নেই সাকিব। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ চলার সময়ই বিসিবিকে বিষয়টি জানিয়েছিলেন  তিনি। ২০১৫ সালের ৮ নভেম্বর নিউইয়র্কে প্রথমবারের মতো সন্তানের (কন্যা) বাবা হন সাকিব। গত বছরের ২৪ এপ্রিল সাকিবের ঘর আলো করে  আসে তাঁর দ্বিতীয় কন্যা সন্তান ইরাম।
110
পুত্রের বাবা হলেন সাকিব
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২১, ১৯:১৫
category: খেলা
keywords: 
meta: 



আলোচনা কিংবা চিঠি চালাচালি-বালাদেশের শ্রীলঙ্কা সফর নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি গত বছর। সব ‘বাধা’ পেরিয়ে চূড়ান্ত হয়েছিল বাংলাদেশের শ্রীলঙ্কায় যাওয়ার দিনও। কিন্তু কদিন যেতে না যেতেই আবারও আলোচনায় সেই পুরোনো প্রসঙ্গ-কোয়ারেন্টিন-জটিলতা।বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী কদিন আগে নিশ্চিত করেছেন শ্রীলঙ্কা সফরে বাংলাদেশ যাবে এপ্রিলের দ্বিতৗয় সপ্তাহে। সফরের তারিখ চূড়ান্ত হলেও এবারও সেই পুরোনো কাসুন্দি! সফরটি নিশ্চিত করতে দুই বোর্ডের মাঝে আবারও চলে এসেছে কোয়ারেন্টিন-জটিলতা। এবার কি বিসিবি চাওয়া পূরণ করবে এসএলসি? বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান আকরাম খানের কথায় উঠে এল সেই ‘চাওয়া-পাওয়ার’ বিষয়টি। কাল সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘ভেন্যু ও তারিখের বিষয়ে আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দুই-একদিন এদিক-সেদিক হতে পারে। কিন্তু দেরি হওয়ার কারণ একটাই, কোয়ারেন্টিন ইস্যু। ওরা কিছু বিষয় চাচ্ছে; আমরাও কিছু বিষয় চাচ্ছি।’এবার কোয়ারেন্টিন ইস্যুটা সামনে এসেছে মূলত একটি কারণে। বাংলাদেশ দল চায় কোয়ারেন্টিনের সময়টা কলম্বোতেই কাটাতে। কিন্তু এখানেই বাধ সাধছে শ্রীলঙ্কা। তারা চায়-কলম্বোর বাইরেই থাকুক বাংলাদেশ দল। এই সমস্যা না কাটলেও আকরাম খান অবশ্য সফর নিয়ে আশার কথাই শুনিয়েছেন, ‘মোটামুটি চূড়ান্ত যে আমরা যাচ্ছি। নিউজিল্যান্ড থেকে ফেরার তিন-চারদিন পরই আমরা শ্রীলঙ্কায় রওনা দেব। যে সব বিষয় এখনো সমাধান হয়নি, আশা করছি কদিনের মধ্যে সেসব চূড়ান্ত হবে শিগগির।’কোয়ারেন্টিন ইস্যু নিয়ে দুই বোর্ড এখনো এক বিন্দুতে না পৌঁছালেও এরই মধ্যে অবশ্য চূড়ান্ত হয়েছে আরও কয়েকটা বিষয়। সিরিজের দুটি টেস্টই যে একই ভেন্যুতে হবে আগেই জানিয়ে দিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। আকরাম খান নিশ্চিত করলেন, সিরিজ গলে হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।শ্রীলঙ্কা সফরের সব জটিলতার সমাধান হলেও এবারও স্পিন কোচ ডেনিয়েল ভেট্টোরির সফরের বিষয়টি ঝুলেই থাকছে। এই কিউই কিংবদন্তির সঙ্গে বিসিবির চুক্তি ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত। কিন্তু এখন নিউজিল্যান্ডের বাইরে তাঁকে পাওয়াও কঠিন। অবশ্য এ জন্য ভেট্টোরিকে দায়ী করার সুযোগ নেই। মহামারিতে নিউজিল্যান্ড যাওয়া-আসা নিয়ে বড় ধরনের জটিলতা আছে। চাইলেই তাই নিউজিল্যান্ড থেকে কোথাও যাওয়া যাবে না। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের মতো শ্রীলঙ্কা সফরেও তাই বাংলাদেশ দেশীয় স্পিন কোচের ওপর ভরসা রাখছে।বাংলাদেশের শ্রীলঙ্কা সফর হওয়ার কথা ছিল গত বছরের জুলাইতে। করোনাভাইরাসে প্রাদুর্ভাবে সিরিজটি স্থগিত হয়ে যায় তখন। একই বছরের অক্টোবরে পুনরায় সিরিজটি আয়োজনের চেষ্টা করেছিল লঙ্কান ক্রিকেট বোর্ড। কিন্তু কোয়ারেন্টিনের সময়সীমা নিয়ে বিসিবির তীব্র আপত্তি থাকায় সিরিজটি তখনো আলোর মুখ দেখেনি। অবশেষে আলোচিত সফরটা হতে যাচ্ছে এপ্রিলে। ১২ এপ্রিল শ্রীলঙ্কায় যাওয়ার কথা বাংলাদেশের। সব যখন ঠিকঠাক এগোচ্ছে, তখন আবারও এল কোয়ারেন্টিন ইস্যু। বিষয়টি এমন, যেন শেষ হয়েও হইল না শেষ!
111
আবারও সেই কোয়ারেন্টিন-জটিলতা 
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২১, ১৯:২৪
category: খেলা
keywords: 
meta: 



ব্রণ ত্বকের সৌন্দর্যকে ম্লান করে দেয়। সাধারণত তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণ হয়। মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার না করলেও ব্রণ হয়। কিন্তু ব্রণ হয়ে গেলে কি করণীয়, কীভাবে যত্ন নিলে ব্রণ দূর হবে তা অনেকেই জানে না। যার কারণে বাজারের বিভিন্ন ক্রিম ব্যবহার করে। এতে ত্বকের ক্ষতি হয়।ঘরোয়া কিছু উপায়ে ব্রণ দূর করা যায়। এতে বাড়তি খরচ হবে না। ত্বকও ভালো থাকবে।চলুন জেনে নিই কিভাবে ঘরোয়া উপায়ে ব্রণ দূর করবেন :ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে লেবু ও শসার রস। সমপরিমাণ লেবু ও শসার রস একত্রে মিশিয়ে মুখে লাগান। ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি ব্রণের পাশাপাশি দাগও দূর করবে।মুখের যেসব জায়গায় ব্রণ আছে, সেখানে দুধ ও লেবুর রস লাগাতে পারেন। ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এতে উপকার পাবেন।ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে টি ট্রি অয়েল। যে ক্লিনজার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করেন, তাতে এক ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে নিন। টি ট্রি অয়েল হোয়াইডহেডস, ব্ল্যাকহেডস কমাতেও সাহায্য করে।ব্রণ ও এর লালচেভাব কমাতে ব্রণের ওপর বরফ ঘষুন। বরফ সংক্রমণ কমায়।আপেল সাইডার ভিনেগারও ব্রণ কমাতে কাজ করে। এর রয়েছে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ক্ষমতা। এক ভাগ ভিনেগারের সঙ্গে খানিকটা পানি মিশিয়ে টোনার হিসেবে ব্যবহার করুন। উপকার পাবেন।ব্রণ দূর করতে, ত্বককে টানটান করতে এবং পোর মিনিমাইজ করতে ডিমের সাদা অংশ কাজ করে। ডিমের সাদা অংশের সাথে মধু মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ১০-১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। অল্প দিনেই ব্রণ দূর হয়ে যাবে।আপনার যদি লেবুর রসে অ্যালার্জি না থাকে, তাহলে লেবুর রস পুরো মুখে লাগিয়ে অপেক্ষা করুন। ত্বক টানটান হয়ে এলে ধুয়ে ফেলুন। লেবুতে থাকা বিভিন্ন উপকারী উপাদান ও এসিড ব্রণ কমাতে কাজ করে।ব্রণ ও ব্রণের কালো দাগ দূর করতে হলুদ ভালো কাজ করে। এক চামচ হলুদ গুঁড়ার সঙ্গে পানি মিশিয়ে মুখে লাগাতে পারেন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।
112
ব্রণকে বিদায়
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২১, ১৯:২৭
category: স্বাস্থ্য
keywords: 
meta: 



গৌরবের কত রেকর্ডই তো অনায়াসে ধরা দিয়েছে তাঁর মুঠোয়। কিন্তু কোন ফাঁকে যে এই রেকর্ডটিও লেখা হয়েছে তাঁর নামের পাশে, সেটি হয়তো বুঝতে পারেননি বিরাট কোহলি নিজেও! আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারতীয় অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি ‘শূন্য’ রানের রেকর্ডটি এখন তাঁরই। আর যাঁকে ছাপিয়ে রেকর্ডটি নিজের করে নিয়েছেন কোহলি, সেই সৌরভ গাঙ্গুলী মাঠে উপস্থিত থেকেই প্রত্যক্ষদর্শী হলেন উত্তরসূরীর ভুলে যাওয়ার রেকর্ডটিরসময়ের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান তিনি। তিন সংস্করণে একমাত্র ব্যাটনসম্যান যিনি লম্বা সময় গড়টা রেখেছেন ৫০-এর ওপরে। ওয়ানডেতে রান তাড়ায় এতটাই সফল, নামের পাশে বসে গেছে ‘চেজ মাস্টার’ তকমা। এত এত দুর্দান্ত কীর্তির মধ্যেও একটি বিবর্ণ রেকর্ডের তালিকায় যুক্ত হয়েছে কোহলির নাম। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে পাঁচ ম্যাচ সিরিজের ১ম টি-টোয়েন্টিতে আদিল রশিদের শিকার হওয়ার পরই ভারতীয় অধিনায়ক হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ শূন্য রানে আউট হওয়ার রেকর্ড গড়েছেন তিনি।১৪বার ‘ডাক’ মেরে কোহলি ছাড়িয়ে গেছেন সৌরভকে। অধিনায়ক হিসেবে বর্তমান ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে শূন্য রানে ফিরেছেন ১৩বার। ভারতীয় অধিনায়ক হিসেবে শূন্য রান আউট হওয়ার রেকর্ডে ‘দুই অঙ্কে’ ফিরেছেন আরও দু’জনÑদুই বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি (১১বার) ও কপিল দেব (১০বার)।যেহেতু সৌরভ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলেননি, ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে শূন্য রানে ফেরার প্রশ্নও তাই নেই।  ওয়ানডেতে  ৯বার শূন্য করে ভারতীয় অধিনায়ক হিসেবে এ তালিকায় তিনি শীর্ষে/সবার ওপরে । টেস্টে ৮বার কোনো রান না করেই ধোনির সঙ্গে যৌথভাবে এই তালিকায় সবার ওপরে অবস্থান কোহলি।  টি-টোয়েন্টিতেও কোহলির তালিকার শীর্ষস্থানে অবস্থান করছেন। বিরাট এই সংস্করণে ডাক মেরেছেন তিন-তিনবার। গত এক মাসেই কোহলি ড্রেসিংরুমে শূন্য রানে ফিরেছেন তিনবার। এমনকি যে স্পিন বোলিংয়ের বিপক্ষে তিনি কখনো শূন্য রানে আউট হননি, তিনিই  কদিন আগে  চেন্নাই টেস্টে মঈন আলীর বলে বোল্ড হয়েছেন এত্ত বড় গোল্লা মেরে!যত বড় ব্যাটসম্যানই হন, শূন্য রানে ফেরার কমবেশি অভিজ্ঞতা সবারই থাকে। কিন্তু নামটা যখন বিরাট কোহলি, তাঁর গোল্লা তো আলাদা আলোচনার খোড়াক জোগাবে, সেটিই কি স্বাভাবিক নয়?
113
বিরাটের পাশে এত গোল্লা!
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২১, ১৯:৩৫
category: খেলা
keywords: 
meta: 



ভোজ্য তেলে ভ্যাট ও আগাম কর কিছু ক্ষেত্রে প্রত্যাহার কিংবা কমানোর প্রস্তাব করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। দেশের বাজার ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকা ভোজ্য তেলের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখতেই এ প্রস্তাবনা দিয়েছে সংস্থাটি। এরই মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছেও এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে।ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এ প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে ভোজ্য তেলের দাম ভোক্তা পর্যায়ে লিটারে ১০ টাকা পর্যন্ত কমার সম্ভাবনা রয়েছে।  এছাড়া সম্প্রতি এনবিআরের আওতাধীন বৃহৎ করদাতা ইউনিট-এলটিইউ ভ্যাট অফিস ভোজ্য তেলকে নিত্যপণ্য বিবেচনায় আমদানি পর্যায়ে বিদ্যমান ভ্যাট ও আগাম কর বাতিল এবং উৎপাদন ও ব্যবসা পর্যায়ে সুনির্দিষ্ট কর আরোপের প্রস্তাব করেছে। এনবিআর সূত্র জানায়, এসব প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে ভ্যাট বিভাগ। এ বিষয়ে সহসা একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসতে পারে। তবে ভ্যাট ছাড় দেওয়া হলে, তা ভোক্তারা এ সুবিধা পাবে কিনা- সে বিষয়টিও পর্যালোচনা করা হচ্ছে।জানা গেছে, বর্তমানে ভোজ্য তেলের আমদানি পর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাট ছাড়াও ৪ শতাংশ আগাম কর (এটি বা অ্যাডভানস ট্যাক্স) প্রযোজ্য রয়েছে। উৎপাদন পর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাট রয়েছে। উৎপাদনকারীরা আমদানি পর্যায়ে দেওয়া ভ্যাট সংযোজিত মূল্য বাদে বাকি অংশ ফেরত নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া ব্যবসা পর্যায়ে ৫ শতাংশ ভ্যাট রয়েছে, যা ফেরত নেওয়ার সুযোগ নেই।ট্যারিফ কমিশনের প্রস্তাবে উৎপাদন ও বিপণনে ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়ার পাশাপাশি আমদানিতে আগাম কর অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। আমদানিতে কেবল ১০ শতাংশ ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে ভোক্তা পর্যায়ে ভোজ্য তেলের দাম লিটারে ১০ টাকা কমতে পারে।উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের বাজারে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রমান্বয়ে বাড়ছে ভোজ্য তেলের দাম। দুই মাস আগে বোতলজাত তেলের দাম লিটার প্রতি ৯৫ থেকে ১০৩ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে  ১৩৫ টাকায়। খোলা তেল দুই মাস আগে ৯৫ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকারের ভ্যাট আদায়ও বাড়ছে। কিন্তু এর পুরো চাপ পড়েছে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর।এদিকে, আসন্ন রমজানে ভোজ্য তেলের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে এ পরিস্থিতিতে ভোক্তা পর্যায়ে ভোজ্য তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত বলে মনে করছেন ভোক্তাদের প্রতিনিধিরাও। তবে এ সুযোগ যাতে ভোক্তার কাছে যায়, তাও নিশ্চিত করার দাবি তাদের। কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর সহসভাপতি এস এম নাজির হোসেন বলেন, ভ্যাট কমানোর প্রস্তাব সমর্থন করি। তবে তার সুফল যেন ভোক্তারা পায় সেজন্য সরকারের বাজার মনিটরিং জোরদার করতে হবে। অন্যথায় কোনও লাভ হবে না।এদিকে, আমদানিকারকরা আমদানি পর্যায়ে যে ভ্যাট ও আগাম কর পরিশোধ করেন, পরবর্তীতে সংযোজিত মূল্য বাদে বাকি অংশ রেয়াত নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রে এনবিআরের যথাযথ নীতিমালার অভাবে ভ্যাট অফিসগুলোতে আমদানিকারকদের বিপুল অঙ্কের টাকা আটকে থাকে। এনবিআরের এলটিইউ-ভ্যাট অফিস হিসাব করে দেখেছে, রিফান্ড নেওয়ার পরও প্রতি কেজি ভোজ্য তেলে ২ টাকা ৮০ পয়সা করে ফেরতযোগ্য হচ্ছে (ভ্যাট অফিসের জন্য ঋণাত্মক জের)।সম্প্রতি এলটিইউর কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরী এনবিআরে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। এতে তিনি বলেন, সংযোজন হার কম হওয়ায় এবং আমদানি পর্যায়ে আগাম কর পরিশোধ করায় এ পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, ভোজ্য তেল যেহেতু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য এবং এক্ষেত্রে বাণিজ্য সহায়তা ও সরকারের রাজস্ব সুরক্ষার বিবেচনায় আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট ও আগাম কর অব্যাহতি দিয়ে কেবল উৎপাদন ও ব্যবসা পর্যায়ে সুনির্দিষ্ট কর নির্ধারণ করা যায়।
114
ভোজ্য তেল আমদানিতে ভ্যাট কমানোর প্রস্তাব
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২১, ১৯:৩৮
category: অর্থনীতি
keywords: 
meta: 



ব্রিটিশ ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান অ্যাস্ট্রাজেনেকার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের তৈরি করোনা ভ্যাকসিনে কোনও শূকরের উপাদান ব্যবহার করা হয়নি। ইন্দোনেশিয়ার সরকার  অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনে শূকরের উপাদান ব্যবহার  অভিযোগ এনে উদ্বেগ প্রকাশের পর রোববার এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে ব্রিটিশ-সুইডিশ ফার্মাসিউটিক্যালস জায়ান্ট এই কোম্পানি।এ নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার অ্যাস্ট্রাজেনেকার মুখপাত্র রিজমান আবুদারী বলেন, উত্পাদন প্রক্রিয়াটির পুরো পর্যায়ে, এই  ভ্যাকসিন শূকরের কোনও উপাদান বা অন্যান্য প্রাণীর উপাদান ব্যবহার করা হয়নি। এর আগে শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার  সর্বোচ্চ মুসলিম নীতি নির্ধারণী কর্তৃপক্ষ ইন্দোনেশিয়া উলামা কাউন্সিলের পক্ষ থেকে বলা হয়, অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন হারাম কারণ শূকরের অগ্ন্যাশয়ের অংশ ব্যবহাআর করা হয়েছে। তবে  হারাম ঘোষণা করলেও করোনাভাইরাস মহামারির জরুরি পরিস্থিতিতে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে ইন্দোনেশিয়ার সর্বোচ্চ এই ধর্মীয় পরিষদ। এশিয়ায় যে কয়েকটি দেশ করোনাভাইরাস মহামারিতে ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে ইন্দোনেশিয়া তার মধ্যে অন্যতম। দেশটিতে শনিবার পর্যন্ত প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ লাখ ৫৫ হাজার ৭৮৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। ইন্দোনেশিয়ায় এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছ্রে মারা গেছেন  ৩৯ হাজার ৪৪৭ জনের।
115
 শূকরের কোনও উপাদান ভ্যাকসিনে ব্যবহার করা হয়নি: অ্যাস্ট্রাজেনেকা
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২১, ১৯:৫৭
category: বিশ্ব
keywords: 
meta: 



দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে শনাক্ত হয়েছেন।মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শনিবার প্রতিমন্ত্রীর কোভিড-১৯ পরীক্ষার জন্য নমুনা দেওয়া হয়। পরে রোববার তাঁর করোনার ফলাফল পজিটিভ পাওয়া গেছে।তিনি বর্তমানে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।প্রতিমন্ত্রী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় তার একান্ত সচিব এবং সহকারী একান্ত সচিব কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন।
116
ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীর করোনা পজিটিভ
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২১, ২০:০৪
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: 



চীনের তৈরি ভ্যাকসিন নেওয়ার দুদিন পরেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান। এরপরেও দেশটির জনগণকে ভ্যাকসিন নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।পাকিস্তানের জনগণ ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নিয়ে এমনিতেই দ্বিধার মধ্যে রয়েছেন।  এরমধ্যে ইমরান খানের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর ভ্যাকসিন প্রয়োগ কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।  ইমরান খানের শারীবিক অবস্থা নিয়ে দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফয়সাল সুলতান স্থানীয় টেলিভিশনকে  বলেন, তিনি( ইমরান খান) ভালো আছেন। তার হালকা কাশি এবং জ্বর রয়েছে এবং তিনি বাড়িতেই আইসোলেশনে রয়েছেন। এদিকে ইমরান খানের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একটি টুইট বার্তা মোদি লেখেন, ‘কোভিড-১৯ থেকে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি এবং তার জন্য শুভ কামনা।’পাকিস্তানে সরকারের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় তিন হাজার ৮৭৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। গত জুলাইয়ের পর এটি পাকিস্তানে একদিনে সর্বোচ্চ সংক্রমণের সংখ্যা। দেশটিতে এ পর্যন্ত ছয় লাখ ২০ হাজারের বেশি করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এছাড়া পাকিস্তানে গত একদিনে করোনায় ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটিতে এ পর্যন্ত করোনায় ১৩ হাজার ৭৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
117
টিকা নিয়ে করোনায় আক্রান্ত হলেও আস্থা টলেনি ইমরানের    
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২১, ২০:০৭
category: বিশ্ব
keywords: 
meta: 



করোনা সংক্রমণ রোধে পর্যটন শহর কক্সবাজারে জেলা প্রশাসনের অভিযান ও সর্তকতামূলক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযান চলাকালে স্বাস্থ্যবিধি না মানা, মাস্ক পরিধান না করা, অতিরিক্ত দামে মাস্ক বিক্রির দায়ে তিন ব্যক্তি ও ৬টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। এছাড়াও মাইকিং করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে সবাইকে আহবান জানানো হয়।আজ রোববার (২১ মার্চ) ভ্রাম্যমাণ আদালতের তিনটি টিম সারাদিন এই কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এসময় লাবণী ও সুগন্ধা পয়েন্ট, হোটেল জোনসহ শহরের বিভিন্ন স্থান ও শপিংমলগুলোতে পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শন কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আমিন আল পারভেজ। এছাড়াও কক্সবাজারের আটটি উপজেলায় স্থানীয় প্রশাসন একইভাবে কাজ করছে বলেও জানা গেছে। এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আমিন আল পারভেজ বলেন, 'করোনা সংক্রমণ কয়েকদিন ধরে বৃদ্ধি পেয়েছে। কক্সবাজার পর্যটন শহর হওয়ায় এখানে জনসমাগম বেশি। এজন্য সর্বোচ্চ সর্তক থেকে আমরা সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে আহবান জানাচ্ছি।'  অন্যদিকে জেলার টেকনাফ, উখিয়া, রামু,চকরিয়া,পেকুয়া, কুতুবদিয়া, মহেশখালী ও সদর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার, বাসস্টেশন ও বিপণীকেন্দ্রগুলোতে উপজেলা প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় স্বাস্থ্যবিধি সর্ম্পকে জনসাধারণকে সচেতন করা হয়। এর আগে গত শনিবার৩'শ ৭৪ জনের করোনা টেষ্ট করা হয়। টেষ্টে ১৭ জনের করোনা পজিটিভ রির্পোট এসেছে। এদের মধ্যে রয়েছে সদরের ১১ জন, রামু ৩ জন,উখিয়া ১ জন ও টেকনাফে ১ জন।
118
কক্সবাজারে করোনা সংক্রমণ রোধে অভিযান, আক্রান্ত ১৭
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২১, ২০:১৯
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: করোনা সংক্রমণ রোধ করতে অভিযান চালাচ্ছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। অভিযান চলাকালে স্বাস্থ্যবিধি না মানা, মাস্ক পরিধান না করা, অতিরিক্ত দামে মাস্ক বিক্রি করা হলে বিভিন্ন মেয়াদে জরিমানা করা হবে।



চলমান বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ছুটি নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। রোববার (২১ মার্চ) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে কেন্দ্রীয় ওষাধাগারের নতুন ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পরবর্তী সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে স্বাস্থ্য সচিব মো. আবদুল মান্নানের এ সংক্রান্ত এ বক্তব্য নিয়েই মূলত এই বিভ্রান্তি।রোববারের ওই অনুষ্ঠানের পর দেশের প্রথম সারির গণমাধ্যমগুলোতে প্রচার করা হয়, করোনার লাগাম টেনে ধরতে আগামী ২৬ মার্চের পর থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সরকার সাধারণ ছুটির কথা ভাবছে। মুহূর্তে যা ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। পরে স্বাস্থ্য সচিব আবদুল মান্নান এমন কথা বলেননি বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়।জরুরি ওই বার্তায় বলা হয়, লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কিছু কিছু টেলিভিশন চ্যানেলের আজকের (রোববার) স্ক্রলে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব আব্দুল মান্নান এর ৭ দিন ছুটি সংক্রান্ত একটি ভুয়া বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে। এই বক্তব্যটি সর্বাংশে মিথ্যা ও দুঃখজনক বলে সচিব মহোদয় জানিয়েছেন। একই সাথে নিউজ স্ক্রলটি অনতিবিলম্বে সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।এদিকে স্বাস্থ্য সচিবের রেকর্ড করা বক্তব্যে শোনা যায়, আগামী ২৬ তারিখ থেকে সাধারণ ছুটির পরিকল্পনা সরকারের আছে কিনা- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন, ‘এ সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত আমাদের সেরকম কোন সিদ্ধান্ত নেই। তবে আগামী ২৬ মার্চ আমাদের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্ণ হচ্ছে। গোটা বিশ্বে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করবে বাঙালি জাতি। তাই বুঝতে হবে এমন কোন সিদ্ধান্ত যদি নিতে হয়, হয়তো নিতে হবে, তবে তা ওই তারিখের পর। কিন্তু সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারক থেকে এখন পর্যন্ত কোন সিদ্ধান্ত আসেনি।’এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার তাণ্ডব আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ রোববার ২ হাজার ১৭২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। একই সাথে প্রাণহানি ঘটেছে ২২ জনের। এমতাবস্থায় আবারও কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মানার ওপর জোর দিয়েছে সরকার। এমনকি কঠোর নিয়মের পথে আগাবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই বলে এসেছি করোনা প্রতিরোধের পূর্ব শর্তই হলও স্বাস্থ্যবিধি মানা, যেটা আমরা এখন অনেকেই করছি না। সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণ এটাই বলে আমরা মনে করি। টিকা দিই বা না দেই, স্বাস্থ্যবিধি আমাদের মেনে চলতে হবে। এখন যে ঊর্ধ্বগতি আমরা দেখছি, সেটা শুধু বাংলাদেশেই নয়, পুরো বিশ্বে অবনতি হচ্ছে, তারই অংশ হিসেবে আমাদের এখানে বাড়ছে।’টিকাগ্রহণে বয়সের বিষয়টি কমানো হবে কিনা- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আপাতত ৪০ পর্যন্তই থাকবে।  প্রথম ডোজ টিকাগ্রহীতাদের দ্বিতীয় ডোজ নিশ্চিত করেই সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আগামী ৮ এপ্রিল থেকে পর্যায়ক্রমে করোনার দ্বিতীয় ডোজ দেয়া শুরু হবে। চল্লিশ বছর পর্যন্ত যদি ধরি সেখানেই প্রায় চার কোটি মানুষ রয়েছে। তাদের টিকা নিশ্চিত করেই বয়সসীমা নামিয়ে আনা হবে।’এদিকে সংক্রমণ ও প্রাণহানি বাড়লেও সংকটাবস্থায় পৌঁছেছে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেয়া তথ্যমতে, সারা দেশে করোনার রোগীদের চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত সরকারি হাসপাতালের ৬৪ শতাংশেই নেই আইসিইউ সুবিধা। অপরদিকে মাত্র ৩৬ শতাংশ থাকলেও তার সবটাই শহরকেন্দ্রিক।এই মুহূর্তে লকডাউন কিংবা ছুটির প্রয়োজনীয়তা কতোটুকু জানতে চাইলে হেলথ অ্যান্ড হোপ স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সাধারণ ছুটি ও লকডাউন তো চূড়ান্ত বিষয়, তার আগে কয়েকটি ধাপ রয়েছে। সেগুলো হলও, সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য আইনি কর্মসূচি, প্রশাসনকে মাঠে নামানো, যেকোনো ধরনের সমাবেশ স্থগিত ঘোষণা, মেলা জাতীয় কাজগুলোকে বন্ধ করা, গণপরিবহনে সতর্কতা জারি করা, যে অফিসগুলো অনলাইনে করা সম্ভব সেগুলো সেভাবেই করা এবং আগের মতো অফিসের রোটেশন চালু করা। এভাবে সতর্কতার ধাপ পেরোনোর পরেই সাধারণ ছুটি এবং লকডাউন জারি করা দরকার। তবে সেই অবস্থায় এখনো আমরা যায়নি।’বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই মুহূর্তে বিনোদন ও পর্যটনকেন্দ্রগুলো বন্ধ করা দরকার। যেসব স্থানে বিশেষ করে শপিংমলগুলোতে দিনের একটা নির্দিষ্ট করে দেয়া দরকার। যতোবেশি আমরা প্রতিরোধী কার্যক্রম জোরদার করতে পারবো, ততোবেশি হাসপাতালগুলোতে ভর্তি রোগী কমবে। পাশাপাশি যারা আক্রান্ত হয়েছে বা হচ্ছেন, তাদের কার্যকরি চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। প্রয়োজনে আগের মতো আইসোলেশন সেন্টার ও সেবাকেন্দ্র বাড়াতে হবে।এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. বেনজির আহমেদ বলেন, ‘লকডাউন কিংবা ছুটিই যে সবকিছুর সমাধান তা কিন্তু নয়। লকডাউন ছাড়াও অনেক কিছু করার আছে। এটি আংশিক একটা ব্যবস্থামাত্র। এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে, আক্রান্তদের আইসোলেট করা, চিকিৎসা দেয়া। তাদের মাধ্যমে যাতে অন্য কেউ আক্রান্ত না হতে পারে সেই ব্যবস্থা নেয়া, যারা সংস্পর্শে আসছে তাদের কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা।’   তিনি বলেন, ‘এরই মধ্যে আমাদের আইসিইউ বেড সংকট রয়েছে। সব চেয়ে বড় আশঙ্কার বিষয় এই মুহূর্তে তরুণরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। বাংলাদেশে যেহেতু তাদের সংখ্যা বেশি, তারা আক্রান্ত হলে মারাত্মক প্রভাব পড়বে। দ্রুত ছড়িয়ে যাবে, ফলে এমনকি কারখানাও বন্ধ করতে হবে। চলমান এই অবস্থা থেকে উত্তরণের উপায় হলও, যেসব স্থানে ভাইরাসটি দ্রুত বিস্তার লাভ করছে, সেখানেই লকডাউন কিংবা আরও কার্যকরি ব্যবস্থা নেয়া। আমাদের আক্রান্ত রোগীদের অধিকাংশই রাজধানীর অধিবাসী। এখন বের করতে হবে, কোন এলাকায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে, তা চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে হবে। সব শহরেই আক্রান্তের হার একই রকম নয়। তাহলে সারাদেশ যদি লকডডাউন করা হলে কাজে আসবে না।’টিকা গ্রহণে জোর দিতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আক্রান্ত এলাকার জনগণের মাঝে টিকা প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের অধিকাংশ জনগোষ্ঠী ঢাকায় বসবাস করেন। ঘনবসতির কারণে একটি পরিবারের কেউ আক্রান্ত হলে তা দ্রুত অন্যান্য সদস্যদের শরীরে ছড়িয়ে পড়ছে, এটি বন্ধ করতে হবে। তাই বাইরে লকডাউন দিলেন, কিন্তু ঘরে সংক্রমণ বাড়ালেন এমনটা করা যাবে না। আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাকে পৃথক আইসোলেশনে রাখতে হবে। তাই লকডাউনই শুধু সমাধান নয়, ট্রিটমেন্টের দিকে আমাদের বেশি মনযোগী হতে হবে।’এদিকে নির্দিষ্ট বয়স নয়, প্রাপ্ত বয়স্কদের সবাইকে টিকা দেয়া উচিত উল্লেখ করে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ লিয়াকত আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘টিকা কার্যক্রমে আমাদের প্রস্তুতি ভালই ছিল, কিন্তু এখন পর্যন্ত আমরা হতাশার মধ্যেই আছে। কেননা, যে হারে তা চলছে তা কাঙ্ক্ষিত নয়। সময়ের সাথে যদি আমরা দৌড়াতে না পারি তাহলে আমাদের যে লক্ষ্য তাতে পৌঁছাতে পারব না। এখন পর্যন্ত আমরা পাঁচ ভাগের এক ভাগও ব্যবহার করছি না, ফলে আমরা সিংহভাগ জনগোষ্ঠী টিকার বাহিরে থাকছে। প্রাপ্ত বয়স্কদের মাঝেও যদি আমরা তা দিতে না পারি তাহলে একটি বিশৃঙ্খল অবস্থা তৈরি হবে।’তিনি বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাথে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বয় থাকতে হবে। আমাদের শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ প্রাপ্ত বয়স্ক, তাই তাদের টিকা দেয়া উচিত। অপরদিকে শিশুদের টিকা প্রয়োগের বিষয়টি তো আছেই। তাই, আপাতত লকডাউনের চেয়ে আক্রান্তদেরকে শতভাগ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা জরুরি।’
119
সাধারণ ছুটি নিয়ে দোলাচলে সরকার
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২১, ২০:৩৮
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: আক্রান্ত এলাকার জনগণের মাঝে টিকা প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের অধিকাংশ জনগোষ্ঠী ঢাকায় বসবাস করেন। ঘনবসতির কারণে একটি পরিবারের কেউ আক্রান্ত হলে তা দ্রুত অন্যান্য সদস্যদের শরীরে ছড়িয়ে পড়ছে, এটি বন্ধ করতে হবে। তাই বাইরে লকডাউন দিলেন, কিন্তু ঘরে সংক্রমণ বাড়ালেন এমনটা করা যাবে না। আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাকে পৃথক আইসোলেশনে রাখতে হবে। তাই লকডাউনই শুধু সমাধান নয়, ট্রিটমেন্টের দিকে আমাদের বেশি মনযোগী হতে হবে



ঢাকা শহরে যে অপরিকল্পিত উন্নয়ন হচ্ছে তা এখন সারা দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে। এসব উন্নয়ন কোন প্রকার সমন্বয় এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ছাড়াই হচ্ছে। পরিকল্পনাকে অনুসরণ করে সারা বিশ্বব্যাপী  উন্নয়ন হয় কিন্তু আমাদের দেশে উন্নয়নকে অনুসরণ করে পরিকল্পনা হচ্ছে। ফলে বাংলাদেশের উন্নয়নের যাত্রা যেন  উল্টো পথে চলছে বলে জানিয়েছেন, বিআইপির সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ ড. আদিল মোহাম্মদ খান।আজ রোববার (২১ মার্চ) সকাল ১১টায় বিআইপি (বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্লানার্স) আয়োজিত ভবিষ্যতে বাংলাদেশের নগরায়ন এবং প্রাধান্য পাওয়া ইস্যু বিষয়ক এক ভার্চুয়াল সভায় এসব কথা জানান তিনি।   তিনি বলেন, নগর উন্নয়ন পরিকল্পনা এখন পরিকল্পনাবিদরা করেন না। নগরের উন্নয়ন পরিকল্পনা এখন ডেভলপারদের হাতে। উন্নয়নের জন্য যারা আমাদেরকে নির্দেশনা দিচ্ছেন তারা পরিকল্পনাবিদ নন। বড় বড় ডেভেলপার কোম্পানি এখন উন্নয়ন পরিকল্পনা পরিচালনা করছে। বিদেশি ডেভেলপার কোম্পানিগুলো আমাদের দেশের উন্নয়নের জন্য যেসব পরিকল্পনা উপস্থাপন করে তার অধিকাংশই আমাদের দেশের ভৌগোলিক অবস্থা এবং সংস্কৃতির সাথে মেলে না। তাই দেশের পরিকল্পনাবিদদেরকে কাজে লাগিয়ে দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করলে সেটি আরও ফলপ্রসূ হবে বলেও জানান তিনি।এ বিষয়ে বিআইপির সভাপতি পরিকল্পনাবিদ প্রফেসর ড. আক্তার মাহমুদ বলেন, নগরায়ন হলো একটি বাস্তবতা। স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশে নগরায়ন বাড়ছে। বর্তমানে দেশের প্রায় ৪০ ভাগ মানুষ নগরে বাস করে। তবে প্রকৃত অর্থে নগরের সুবিধা জনগণকে আমরা দিতে পারছি কিনা সেটা একটা বড় প্রশ্ন। নগরায়নের জন্য নগরের জমির যথোপযুক্ত ব্যবহার, বাজার অর্থনীতির সাথে সংযুক্তি, জাতীয় এবং স্থানীয় নগর প্রশাসনের সাথে সমন্বয়, বিকেন্দ্রীকরণ, অংশগ্রহণ এবং অর্থনৈতিক স্বায়ত্তশাসন প্রদানকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি।  মিউনিসিপালিটি এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ বলেন, যে হারে নগরে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে সেই অনুযায়ী আমাদের লোকবল এবং বাজেট বাড়ছে না। তাই আমরা জনগণকে তাদের উপযুক্ত সুযোগ সুবিধা দিতে ব্যর্থ হচ্ছি। পৌরসভার সম্পদ সীমিত। পৌরসভা যে রাজস্ব আদায় করে তা দিয়ে আমাদের কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দিতে পারি না। পৌরসভার ভিতরও কিছু কিছু অপরিকল্পিত বাড়ি-ঘর গড়ে তোলা হচ্ছে।  এগুলোকেও একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার আওতায় আনতে হবে অন্যথায় ভবিষ্যতে বাংলাদেশে নগরায়নের ক্ষেত্রে এগুলো বাঁধা হয়ে দাড়াবে। এজন্য জাতীয় ও স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, ডিএনসিসির প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মাকসুদ হাশেম, এলজিইডি মন্ত্রণালয়ের এডিশনাল চিফ ইঞ্জিনিয়ার শেখ মোজাক্কের হোসেন, ইউএন হ্যাবিটেট এর প্রতিনিধি মোঃ আখতারুজ্জামান, ইউএনডিপির প্রতিনিধি কামরুজ্জামান পলাশ, ব্রাকের পরিকল্পনাবিদ মোঃ লিয়াকত আলী, নগর পরিকল্পনাবিদ মোস্তফা কাইয়ুম খান, সালমা এ. শফী, ড. মোঃ আশিকুর রহমান, প্রফেসর হালিমা, মেহেদি আহসান।
120
সারাদেশে চলছে অপরিকল্পিত উন্নয়ন
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২১, ২০:৪৬
category: সারা দেশ
keywords: উন্নয়ন
meta: দেশের উন্নয়ন এখন ডেভলপারদের হাতে। উন্নয়নের জন্য যারা আমাদেরকে নির্দেশনা দিচ্ছেন তারা পরিকল্পনাবিদ নন। ফলে ঝুঁকিতে রয়েছে দেশের উন্নয়ন খাত।



আমাদের দেশে অনেক ধরনের ওষুধ তৈরি হচ্ছে। এবার ওষুধের মতো ভ্যাক্সিনও দেশেই তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। ভ্যাক্সিন তৈরির জন্য একটি কারখানা দেখা হয়েছে এবং আমরা সেদিকে এগোচ্ছি বলে জানিয়েছেন,  স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। অতিদ্রুত দেশেই টিকা উৎপাদনের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বলেও জানান তিনি।  রোববার (২১ মার্চ) তেজগাঁওয়ে কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএমএসডি) নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, নতুন ভবন নির্মাণের ফলে স্টোরের যে জায়গা সংকীর্ণতা ছিল, তা দূর হওয়ার পাশাপাশি সেবার মান বাড়বে। বর্তমানে  ৬০০টির বেশি হাসপাতাল,  ২০ হাজারের বেশি স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট রয়েছে। সব হাসপাতালে যন্ত্রপাতি, ওষুধ পৌঁছে দেয়ও একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করতে হলে যেমন ডাক্তার ও নার্স প্রয়োজন তেমনি সঠিক সময়ে যন্ত্রপাতি ও ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার কাজটি করছে সিএমএসডি'র। তাদের কাজ বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশে ৮টি মেডিকেল কলেজ থেকে এখন ৩২টি হয়েছে। এছাড়া জেলা ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে বেড সংখ্যা বাড়ছে। ফলে সিএমএসডির কাজের পরিধিও বাড়ছে।তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যবিধি না মানায় বাড়ছে করোনা। বর্তমানে সংক্রমণ ২ থেকে ১০ শতাংশে উঠেছে। জনগণের সহযোগিতা না পেলে করোনা সংক্রমণ কমানো সম্ভব না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন না হলে মোবাইল কোর্ট এর জরিমানার মুখে পড়তে হবে এবং করোনা আক্রান্ত হবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় অতিরিক্ত সচিব ও সিএমএসডির পরিচালক আবু হেনা মোরশেদ জামানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন,  স্বাস্থ্য সচিব মো. আবদুল মান্নান ও স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দুই অতিরিক্ত মহাপরিচালক সেব্রিনা ফ্লোরা ও নাসিমা সুলতানা।
122
দেশেই তৈরি হবে করোনা টিকা
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২১, ২০:৫৮
category: স্বাস্থ্য
keywords: 
meta: করোনা টিকা  তৈরির জন্য একটি কারখানা দেখা হয়েছে। দ্রুতই টিকা তৈরির কার্যক্রম শুরু করা হবে।



এক ঝাঁক সম্ভাবনাময় মুখ এই মুহূর্তে দেশের বিনোদন মাধ্যমে কাজ করছেন। যারা দারুণ অভিনয় দিয়ে অনলাইন থেকে টেলিভিশন হয়ে পৌঁছে যাচ্ছেন বড়পর্দায়ও। অনেকে আশা করছেন, ভবিষ্যতের অভিনয়ের ময়দান তাদের দখলেই থাকবে। এমন কয়েকটি সম্ভাবনাময় নায়ক খুঁজেছেন খায়রুল বাসার নির্ঝর। টিভি পর্দায় অনেক বছর ধরেই নির্দিষ্ট কিছু নায়কের একচ্ছত্র রাজত্ব চলছিলো। একদিকে মোশাররফ করিম-চঞ্চল চৌধুরী, কমেডি ও সিরিয়াস দুই মুডের গল্পেই দাপিয়ে কাজ করছিলেন তারা। অন্যদিকে জিয়াউল ফারুক অপূর্ব-আফরান নিশো-আবদুন নূর সজল এবং হালের তৌসিফ-জোভান, রোমান্টিক গল্প মানে তাদের কাছেই ধর্না দেবেন নির্মাতারা- এটাই ছিলো স্বাভাবিক রীতি।নিশো অবশ্য রোমান্টিকতা থেকে মাঝে মধ্যে বেরুনোর চেষ্টা করেছেন। নানা ডাইমেনশনের চরিত্রে হাজির থাকতে চেয়েছেন বছরজুড়ে।সব মিলিয়ে এ কয়েকটি নামই টিভি পর্দায় ঘুরেফিরে দেখা যেতো। ইউটিউব নাটকের হিড়িক আর ওটিটি প্ল্যাটফর্মের আবির্ভাবের শুরুর বছরগুলোতে তারাই ছিলেন চাহিদার শীর্ষে। এখনও মোশাররফ-চঞ্চল-অপূর্ব-নিশোর ক্যারিয়ারের পালে ‍তুমুল হাওয়া। শিডিউল ফাঁকা নেই কারোরই।কিন্তু তাদের একচ্ছত্র রাজত্বের মাঝেও কয়েকজন তরুণ অভিনেতা নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিয়ে চলেছেন গত কয়েক বছর ধরে। নির্মাতারা ভাবতে শুরু করেছেন তাদেরকে নিয়ে। এ তালিকায় প্রথমেই উঠে আসে মনোজ প্রামাণিকের নাম।   মনোজ প্রামাণিকসুদর্শন। চেহারায় আছে সরলতা আর মায়া। স্বভাবে চুপচাপ এ অভিনেতা পেশায় মূলত শিক্ষক। পড়াচ্ছেন ত্রিশালের কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ শুরু করেছিলেন সহকারী পরিচালক হিসেবে। মিডিয়ায় মনোজের পরিচিতি বেড়েছে বিজ্ঞাপনে অভিনয় করে। ২০১০ সালে গ্রামীণফোনের বিজ্ঞাপন এবং ২০১৪-তে ‘কাছে আসার গল্প’; এরপর অভিনয়ের জন্য ডাক পেতে শুরু করেন তিনি।গত ছয় বছরে মনোজ অনেক দূর এগিয়েছেন। টিভি মিডিয়ায় নিজস্ব অবস্থান তৈরি করতে পেরেছেন। এখন নির্মাতারা মনোজকে লিড কাস্ট করে নাটক বানানোর সাহস করতে পারেন। সুযোগ বুঝে কয়েকটি চলচ্চিত্রেও ঢুঁ দিয়েছেন তিনি। কাজ করেছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘শনিবার বিকেল’, অমনিবাস ছবি ‘ইতি তোমারই ঢাকা’ আর নূরুল আলম আতিকের ‘মানুষের বাগান’ ছবিতে।মনোজ বহুরূপী অভিনেতা। সব ধরণের চরিত্রকেই ফুটিয়ে তুলতে পারেন খুব দক্ষভাবে। তবে সিরিয়াস মুডের চরিত্রগুলোতেই তাকে বেশি দেখা যায়।   ইয়াশ রোহান২০১৮ সালে গিয়াসউদ্দিন সেলিমের ‘স্বপ্নজাল’ দিয়ে বলতে গেলে ‘গ্রান্ড ওপেনিং’ হয় তরুণ অভিনেতা ইয়াশ রোহানের। পরীমনির সঙ্গে তুমুল প্রেমের এই গল্পে অভিনয় করে রোমান্টিক বয় হিসেবে রাতারাতি পরিচিতি পেয়ে যান ইয়াশ। যদিও বেশ আগে থেকেই তিনি ছোটপর্দায় অল্পস্বল্প অভিনয় করছিলেন।ইয়াশের বাবা নাট্য নির্মাতা নরেশ ভুঁইয়া ও মা অভিনেত্রী শিল্পী সরকার অপু। বাবার নাটকেই অভিনয় করতেন, মাঝে মধ্যে। এরপর ধীরে পরিসর বাড়ে। টিভি নাটকে ব্যস্ত হন। উঁকি দেন ওয়েবেও। অরুণ চৌধুরীর ছবি ‘মায়াবতী’তে ইয়াশ কাজ করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশার সঙ্গে।বয়সে একেবারেই তরুণ এই অভিনেতার দিকে এখন চোখ অনেক নির্মাতার। ইয়াশের সরল চাহনি আর প্রাণবন্ত অভিনয় দক্ষতা তাকে আগামীতে শীর্ষ সারির অভিনেতাদের কাতারে পৌঁছে দেবে, অনেকেই এমন সম্ভাবনা দেখছেন।   মুশফিক আর. ফারহানকমেডি ঘরানার গল্পে ফারহানের বেশ কদর আছে। এফএম রেডিওর আরজে হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু হলেও অভিনয়ে বেশ ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন তিনি, কয়েক বছর ধরে। অনেকটা ‘টাফ’ লুকের এই তরুণ অভিনেতার বেশ জনপ্রিয়তা আছে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে। বিশেষ করে ইউটিউবে। কমিক বয়, পাড়ার দুষ্টু ছেলে আর সমাজের নিম্নবিত্তের চরিত্রগুলোতে ফারহান দারুণ অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন।অভিনয়ের জার্নি তার বেশিদিনের নয়। ২০১৬-তে প্রথম অভিনয়, মাবরুর রশীদ বান্নার নাটকে। চার বছরের মাথায় এসে অনেকখানি সফলতা তিনি কুড়িয়ে নিতে পেরেছেন। সবচেয়ে বড় কথা, সম্ভাবনাময় মুখ হিসেবে নিজেকে দাঁড় করাতে পেরেছেন। তবে কমেডির নামে ভাঁড়ামি সে সম্ভাবনাকে অনেকখানি ম্লান করে দিতে পারে, সে বিষয়েও ফারহানের সতর্ক থাকা জরুরী।   খায়রুল বাসারঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগীত বিভাগে পড়াশোনা করেছেন খায়রুল বাসার। সংগীত নিয়ে পড়লেও তার আগ্রহ বেশি অভিনয়ের দিকেই। খায়রুল বাসারের অভিনয় শুরু হয়েছে মুকাভিনয় দিয়ে। ২০১১ সাল থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে, এমনকি দেশের বাইরেও, খায়রুল বাসার ছুটে গেছেন মুকাভিনয় শো করতে। পেয়েছেন প্রশংসা। পেয়েছেন পুরস্কার। টিভি নাটক ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের নিয়মিত মুখ তিনি। অভিনয় করেছেন সিনেমাতেও। অমনিবাস চলচ্চিত্র ‘ইতি তোমারই ঢাকা’র পর খায়রুল বাসার কাজ করেছেন মাসুদ হাসান উজ্জলের ‘ঊনপঞ্চাশ বাতাস’-এ।   জিয়াউল হক পলাশনাটকে নোয়াখালীর ভাষায় সংলাপ বলে আলোচনায় এসেছেন পলাশ। অভিনয় দিয়ে বিস্তর পরিচিতি-প্রশংসা পেলেও পলাশ মূলত নির্মাতা। দীর্ঘদিন সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সঙ্গে। ছিলেন ইশতিয়াক আহমেদ রুমেলের সঙ্গেও। সংলাপে ‘চাপাবাজি’ তার প্রধান বৈশিষ্ট্য। ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ থেকে এখনও এ বৈশিষ্ট্যের ঘেরাটোপেই আটকে আছেন পলাশ। এখনকার টিভি নাটকে পলাশের চাহিদা তৈরি হয়েছে নির্মাতা-দর্শকদের কাছে। ইউটিউবে তার নাটকের ভিউ বাড়ছে। কিন্তু একই ধরণের গল্প-অভিনয়-সংলাপ নিয়ে এখনই পলাশের সতর্ক হওয়া দরকার।
123
আগামীর হিরো
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২১, ২১:০৮
category: বিনোদন
keywords: 
meta: 



বরিশালে নদীতে গোসল করতে নেমে মিথিলা (১১) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার দুপুরে বরিশালের বাবুগঞ্জের আড়িয়াল খাঁ নদীতে মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটে।বাবুগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের দুই ঘণ্টার চেষ্টায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।মিথিলা দেহেরগতি ইউনিয়নের বাহেরচর এলাকার ইদ্রীস খানের মেয়ে। স্থানীয়রা জানায়, মিথিলাসহ  গ্রামের কয়েকজন ছেলেমেয়ে নদীতে গোসল করতে নামে। তখন মিথিলা পানিতে ডুবে যায়। মিথিলার সঙ্গে থাকা অন্য ছেলেমেয়েরা বাড়িতে খবর দেয়।স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক জাল দিয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পরে ব্যর্থ হয়ে ফায়ার সার্ভিসে ফোন দেয়। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নদীতে দুই ঘণ্টার চেষ্টা চালিয়ে বিকেল সাড়ে ৪টায় মিথিলাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
124
বরিশালে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২১, ২১:২০
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: 



প্রতিবছর গড়ে ২৫ হাজার একর বনভূমি দখল হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী। আজকে আমরা বন দিবস উদযাপন করছি কিন্তু বনের সঠিক চিত্রের দিকে যদি দেখি তাহলে হতাশ হতে হয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এক পরিসংখ্যানে উঠে  এসেছে, ২০০১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর গড়ে ২৫ হাজার একর বনভূমি দখল হয়ে যাচ্ছে। এভাবে যদি বন ধ্বংস হতে থাকে, তাহলে প্রকৃতি থেকে এক সময় বন হারিয়ে যাবে।আজ রোববার দুপুরে আগারগাঁও বন অধিদপ্তরের মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক বন দিবস-২০২১ উদযাপন উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।তিনি বলেন, 'মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বনকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। আমরা কী পরিমাণ বন হারিয়েছি, কী পরিমাণ নতুন বন সৃষ্টি করতে পেরেছি সেই হিসাব মিলাতে হবে। আমাদের পরিসংখ্যান আরও আপডেট করতে হবে। ২০২১ সালে এসে আমাদের ২০১৫ সালের তথ্য নিয়ে কেন কথা বলতে হবে।'এ বিষয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেন, 'শৈশবে আমরা যে পরিমাণ বন ও বনের গাছপালা দেখেছি, এর অনেক কিছুই আজ হারিয়ে গেছে। বনের অনেক অংশ অবৈধ দখলদারদের হাতে চলে গেছে। সংরক্ষিত বনভূমি জবরদখল হয়েছে প্রায় ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ৬'শ ১৩ একর জমি।তিনি আর বলেন, এখন অবৈধভাবে জবরদখল হওয়া বন থেকে দখলদারদের উচ্ছেদ করে তা সংরক্ষণে সম্মিলিত কাজ করতে হবে। যেসব বনকর্মীরা বন দখলমুক্ত করতে আঘাতপ্রাপ্ত হবেন তারা পুরষ্কার পাবেন। যারা দখলদারদের সহযোগিতা করবেন তারা শাস্তি পাবেন।বনরক্ষা করতে গিয়ে বন অধিদপ্তরের অনেক কর্মী জীবন দিয়েছে জানিয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার বলেন, 'বন রক্ষা করতে গিয়ে আমাদের অনেক কর্মী মারা যাচ্ছেন। তাদের কেউ স্মরণে রাখছেন না। আমাদের বনভূমি রক্ষায় আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। পরিবার থেকে রাষ্ট্রীয় উন্নয়নে গাছ কাটা থেকে বিরত থাকতে হবে।'জাতিসংঘের কৃষি ও খাদ্য সংস্থা (এফএও) বন বিষয়ক এক প্রতিবেদনে (দ্য স্টেট অব গ্লোবাল ফরেস্ট-২০১৮) বলেছে, বাংলাদেশের মোট ভূ-খণ্ডের সাড়ে ১৩ শতাংশ বনভূমি রয়েছে। তবে বন অধিদপ্তরের তথ্যমতে, বাংলাদেশে সরকার নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ প্রায় ২৩ লক্ষ হেক্টর। যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ১৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ। এর মধ্যে বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ প্রায় ১৬ লক্ষ হেক্টর। যা দেশের আয়তনের প্রায় ১০ দশমিক ৭৪ শতাংশ। আর বর্তমানে বাংলাদেশের বৃক্ষ আচ্ছাদিত ভূমির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে দেশের মোট আয়তনের ২২ দশমিক ৩৭ শতাংশ এ উন্নীত হয়েছে। যা ২০২৫ সালের মধ্যে ২৪ শতাংশ এর বেশি উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়ে এরইমধ্যে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আহমদ শামীম আল রাজি, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড.এ.কে.এম. রফিক আহাম্মদ।প্রসঙ্গত, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০১২ সাল থেকে সকল ধরনের বন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করতে প্রতিবছর ২১ মার্চ আন্তর্জাতিকভাবে বিশ্ব বন দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
125
'মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বনকে গুরুত্ব দিতে হবে'
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২১, ২১:২৭
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: বাংলাদেশের মোট ভূ-খণ্ডের সাড়ে ১৩ শতাংশ বনভূমি রয়েছে। আর বর্তমানে বাংলাদেশের বৃক্ষ আচ্ছাদিত ভূমির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে দেশের মোট আয়তনের ২২ দশমিক ৩৭ শতাংশ এ উন্নীত হয়েছে। যা ২০২৫ সালের মধ্যে ২৪ শতাংশ এর বেশি উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়ে এরইমধ্যে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। 



করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যে এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য যারা ফরম পূরণ করবেন, তাদের সবাইকে চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। আজ রোববার আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম আমিরুল ইসলাম এমনটি জানিয়েছেন।রোববার সন্ধ্যায় আজকের পত্রিকাকে তিনি বলেন, মহামারীর মধ্যে এসএসসির শিক্ষার্থীদের ক্লাস করানো সম্ভব হয়নি, তাই এবার তাদের নির্বাচনী পরীক্ষা নেওয়া হবে না।এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিতে আগামী ১ এপ্রিল থেকে অনলাইনে ফরম পূরণ করতে হবে জানিয়ে আমিরুল বলেন, আগামী ৭ এপ্রিল পর্যন্ত বিলম্ব ফি ছাড়া ফরম পূরণ করা যাবে। আর বিলম্ব ফিসহ আগামী ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত ফরম পূরণ করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা।করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে শুরু করলে গত বছরের ১৭ মার্চ দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। বর্তমানে কওমি মাদ্রাসা বাদে অন্যসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।আগামী ৩০ মার্চ দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ২৪ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে করোনাভাইরোস সংক্রমণ ফের বেড়ে যাওয়ার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খোলার এই সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা হতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে গত বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এবং পঞ্চম ও অষ্টমের সমাপনী পরীক্ষা নেয়নি সরকার।
126
নির্বাচনী পরীক্ষা ছাড়াই শিক্ষার্থীরা দিতে পারবেন এসএসসি পরীক্ষা
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২১, ২১:৩০
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: 



নিজস্ব প্লfটফর্মের মাধ্যমে খুব শিগগিরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেরার পরিকল্পনা করছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে এমনটি জানিয়েছেন ট্রাম্পের উপদেষ্টা জ্যাসন মিলার।মিলার বলেন, আমার মনে হয় আমরা আগামী দুতিন মাসের মধ্যে ট্রাম্পকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখতে পাবো।ট্রাম্পের এই প্লাটফর্মটিও অত্যন্ত জনপ্রিয় হবে বলেও আশা করেন মিলার।গত জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রে ক্যাপিটল হিলে হামলার পর ট্রাম্পের টুইটার এবং ফেসবুক অ্যাকাউন্ট স্থগিত করা হয়। গত ৬ জানুয়ারির ওই সহিংসতায় ট্রাম্প সমর্থকদের হামলায় পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে, এর মধ্যে ক্যাপিটল পুলিশের একজন কর্মকর্তাও রয়েছেন। এর কয়েকদিন পরে, সহিংসতায় আরও উস্কানি দেওয়ার আশঙ্কায় ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়  টুইটার কর্তৃপক্ষ।১০ বছরের বেশি সময় ধরে প্রচলিত গণমাধ্যম এড়িয়ে সরাসরি সমর্থকদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য টুইটার ব্যবহার করেছেন ট্রাম্প।টুইটারে প্রায় ৯ কোটি অনুসারী ছিল সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্টের।
127
নিজস্ব সোস্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে ফিরছেন ট্রাম্প
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১০:১২
category: বিশ্ব
keywords: 
meta: 



করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বিস্তার রোধে ব্রাজিলে বিভিন্ন রাজ্যে আবারো লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। তবে বিষয়টিকে ভালো চোখে দেখছেন না ব্রাজিলীয় প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারো। যেসব গভর্নর লকডাউন জারি করেছেন তাদের স্বৈরাচার হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তিনি।স্থানীয় সময় রোববার(২২ মার্চ) রাজধানী ব্রাসিলিয়ায় নিজের ৬৬তম জন্মদিন উদযাপন অনুষ্ঠানে সমর্থকদের উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় বলসোনারো বলেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে তার সরকার সব ধরনের চেষ্টা করেছে। ব্রাজিলের অর্থনীতি পুনরায় খুলে দেওয়ার এখনই উপযুক্ত সময় বলেও মনে করেন তিনি।ব্রাজিলের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় ঐতিহাসিক বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে গত সপ্তাহে সতর্ক করেছে দেশটির শীর্ষস্থানীয় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ফিয়োক্রুস। সংস্থাটি জানায়, ব্রাজিলে হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ ইউনিটে রোগীর চাপ ধারণক্ষমতা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।তবে এই মাসের শুরুতে করোনা নিয়ে আর ‘ঘ্যানঘ্যান’ করা বন্ধ করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারো। ডানপন্থী এ রাজনৈতিক নেতা প্রথম থেকেই প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসকে অবজ্ঞা করে আসছেন।
128
লকডাউন দেওয়ায় গভর্নরদের স্বৈরাচার বললেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১০:৪৮
category: বিশ্ব
keywords: 
meta: 



প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চলছে টিকাদান কর্মসূচি। এতে প্রয়োজন হচ্ছে বিপুল পরিমাণে সিরিঞ্জ। কারণ সিরিঞ্জগুলো একবারই মাত্র ব্যবহার করা হয়। এই চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সিরিঞ্জ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ভারতের হিন্দুস্তান সিরিঞ্জ অ্যান্ড মেডিকেল ডিভাইসেস।জানা গেছে, চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বর্তমানে প্রতি মিনিটে ৬ হাজার সিরিঞ্জ উৎপাদন করছে কোম্পানিটি।হিন্দুস্তান সিরিঞ্জের মালিক নাথ বলেন, চলতি বছর চাহিদা বেশি থাকায় বছরে প্রায় ৩০০ কোটি সিরিঞ্জ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ সিরিঞ্জ তৈরি করা হচ্ছে। প্রতিদিন বিশ্বের ৬০ শতাংশ মানুষকে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করতে হলেও ১ হাজার কোটি সিরিঞ্জের দরকার। সেই হিসাবে উৎপাদন এখনও পর্যাপ্ত নয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।নাথ জানান, উৎপাদন পর্যাপ্ত না হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০টি ক্রয়াদেশ পাওয়া গেলেও সেগুলো নেওয়া যাচ্ছে না। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে সরকার এবং সিরিঞ্জ প্রস্তুতকারকদের সমন্বয়ের মাধ্যমে সিরিঞ্জের এই বিপুল চাহিদা মেটানো সম্ভব বলেও মনে করেন তিনি।সূত্র: বিবিসি
129
মিনিটে ৬০০০ সিরিঞ্জ তৈরি করছে ভারতীয় কারখানা
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১২:১৩
category: বিশ্ব
keywords: 
meta: 



সাম্প্রতিক সময়ে বিশেষ করে এশিয়া অঞ্চল থেকে ইউরোপ আমেরিকার নামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তি নিয়ে বা নিজস্ব খরচে পড়তে যাওয়ার প্রবণতা অনেক বেড়েছে। পশ্চিমা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আয়ের একটি বড় উৎসে পরিণত হয়েছে এই এশীয় শিক্ষার্থীরা। কিন্তু কভিড-১৯ মহামারীর কারণে বিদেশে উচ্চশিক্ষায় বড় ধরনের ধাক্কা এসেছে। ২০২০ সালে এর আগের বছরের তুলনায় নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি ৭০ শতাংশের বেশি কমেছে। অন্তত যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ও শুল্ক (আইসিই) বিভাগের অধীন স্টুডেন্ট অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ ভিজিটর প্রোগ্রামের (এসইভিপি) প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদনে এমন তথ্যই উঠে এসেছে।যুক্তরাষ্ট্রে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসব আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী কোন একাডেমিক প্রোগ্রাম বা ইংরেজি ভাষা প্রোগ্রামে অংশ নিতে চান তাদের এফ-১ ভিসা দেওয়া হয়। আর বৃত্তিমূলক এবং কারিগরি প্রতিষ্ঠানে পড়া আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে এম-১ ভিসা।প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২০ সালে এফ -১ এবং এম -১ শিক্ষার্থীদের জন্য সেভিসে ১২ লাখ ৫০ হাজার সক্রিয় শিক্ষার্থী নথিভুক্ত ছিলেন। এটি ২০১৯ সালের তুলনায় ১৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ কম।তবে ২০১২ সালের তুলনায় ২০২০ সালে নতুন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তির পরিমাণ ৭২ শতাংশ এবং ২০২০ সালের আগস্ট পর্যন্ত নতুন এফ-১ ভিসায় আন্তর্জাতিক ছাত্র ভর্তির হার ৯২ শতাংশ কমেছে।আন্তর্জাতিক অ-অভিবাসী শিক্ষার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রে দর্শনার্থী বিনিময় সম্পর্কিত তথ্য সংরক্ষণ করে ওয়েবভিত্তিক ব্যবস্থা সেভিস।সেভিসের তথ্য মতে, গত বছর এশিয়া মহাদেশ থেকে সর্বাধিক সংখ্যক শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গেছে চীন এবং ভারত থেকে। দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যাওয়া ৪৭ শতাংশ বিদেশী শিক্ষার্থীই ভারতীয় এবং চীনা। ২০২০ সালের প্রথমদিকের পরিসংখ্যান এটি।প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে চীন থেকে ৩৮ লাখ ২৫ হাজার ৬১১ জন এবং ভারত থেকে ২০ লাখ ৭৮ হাজার ৬শ সক্রিয় শিক্ষার্থী ছিলেন। চীন ও ভারতের পরেই আছে দক্ষিণ কোরিয়া। এ দেশ থেকে পড়তে যাওয়া মোট শিক্ষার্থী ৮ হাজার ২১৭ জন। এছাড়া সৌদি আরবের ৩৮ হাজার ৯৯ জন, কানাডার ৩৫ হাজার ৫০৮ জন এবং ব্রাজিলের ৩ হাজার ৯৯২ জন শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন।বিদেশী শিক্ষার্থীদের লিঙ্গ অনুপাতে এখনো কিছুটা পার্থক্য রয়ে গেছে। গত বছরের হিসাব অনুযায়ী, এফ-১ ভিসায় যাওয়া মোট শিক্ষার্থীর ৪৪ শতাংশ নারী। আর ভারতীয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩৫ শতাংশ নারী এবং ৬৫ শতাংশ পুরুষ। চীনের ক্ষেত্রে এই অনুপাত ৪৭ শতাংশ নারী এবং ৫৩ শতাংশ পুরুষ।সেভিসের হিসাবে, ২০২০ সালে এফ-১ এবং এম-১ ভিসায় যাওয়া মোট শিক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৫১ হাজার ৫৬৯ জন, যা আগের বছরের তুলনায় ১৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ কম।সূত্র: এনডিটিভি
130
করোনায় বিদেশে উচ্চশিক্ষায় বড় ধাক্কা
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১২:১৭
category: বিশ্ব
keywords: 
meta: 



অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে  লুৎফর রহমান (২৭) নামে এক চিকিৎসক আত্মহত্যা করেছেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়।ডা. লুৎফর রহমান রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার ভবানিপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।রামেক হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস ডা. লুৎফর রহমানের আত্মহত্যার খবর নিশ্চিত করে জানান, তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস ৫৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। সর্বশেষ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হেপাটোলজি বিষয়ে এফসিপিএস করছিলেন। অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ সেবনে তার মৃত্যু হয়েছে বলেও জানান তিনি।রামেক হাসপাতাল পুলিশ বক্সের ইনচার্জ এএসআই রুহুল আমিন বলেন, সোমবার ভোর ৪টার দিকে ডা. লুৎফর রহমানকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। ওই সময় অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ সেবনে অসুস্থ হয়ে পড়ার তথ্য পুলিশকে জানান স্বজনরা। এরপর জরুরি বিভাগ থেকে দ্রুত তাকে ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে নেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ডা. লুৎফর রহমান মারা যান। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসমত আলী জানান, কী কারণে ওই চিকিৎসক আত্মহত্যা করেছেন তা জানা যায়নি। তারা এ বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন। রামেকের মর্গে মরদেহের ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া চলছে। এরপর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
131
রাজশাহীতে ঘুমের ওষুধ খেয়ে চিকিৎসকের আত্মহত্যা
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১২:১৯
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: 



সময়ের সাথে সাথে ভিডিও গেমসে বৈচিত্র্য বেড়েই চলেছে। ভিডিও গেমস নির্মাতা প্রতিষ্ঠানরা গ্রাহকের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য  নিত্যনতুন আইডিয়ার গেমস নিয়ে আসছে। পাশাপাশি পুরনো গেমসগুলোও নতুন সিজনের মাধ্যমে গ্রাহকের সামনে নতুনরূপে হাজির হচ্ছে। যেমন পাবজিসহ বিভিন্ন গেমস অভিনব ফিচার নিয়ে নতুনরূপে আসছে।ভিডিও গেমসকে বলা যেতে পারে এক ধরনের ইলেকট্রনিক গেমস যা ব্যবহারকারীর সাথে ভিডিও ডিভাইজে পারস্পরিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। ভিডিও গেমস বিভিন্ন যন্ত্রে ডিসস্প্লে ডিভাইজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।ভিডিও গেমস খেলার জন্য যে সকল ইলেকট্রনিক সিস্টেম ব্যবহৃত হয় তাকে বলা হয় প্লাটফর্ম। যেমন পার্সোনাল কম্পিউটার এবং ভিডিও গেম কনসোল। এছাড়া ভিডিও গেমসে ব্যবহৃত হয় ইনপুট ডিভাইজ। যেমন কম্পিউটারে খেলার জন্য কী-বোর্ড ও মাউজ ব্যবহৃত হয়। আবার পি.এস.পিতে খেলার জন্য ব্যবহৃত হয় গেম কন্ট্রোলার, জয়স্টিক।১৯৪০-এর দশকে যখন থমাস টি. গোল্ডস্মিথ জুনি. এবং এস্টেল রে ম্যানন  যুক্তরাষ্ট্রের প্যাটেন্টে আবেদন করে একটি আবিস্কারের জন্য। এই আবেদনের মাধ্যমেই সূত্রপাত হয় ভিডিও গেমসের। শুরুতে এটিকে তারা বর্ণনা করেন ''বিনোদনমূলক ক্যাথোড রে টিউব ডিভাইস''। কিন্তু ভিডিও গেমস জনপ্রিয়তায় পৌছায়  আশির দশকের কাছাকাছি সময়ে। তখন  সাধারণ মানুষ 'আর্কেড গেমস ', কনসোল গেমস , হোম কম্পিউটার গেমসের সাথে পরিচিত হয়।সেই থেকে এখন পর্যন্ত, ভিডিও গেমস বিনোদনের জন্য একটি জনপ্রিয় মাধ্যম এবং আধুনিক সংস্কৃতির অঙ্গ। যতই সময় যাচ্ছে ভিডিও গেমসের বৈচিত্র্য বাড়ছেই।
132
ভিডিও গেমসের বৈচিত্র্য বাড়ছে  
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১২:৩৬
category: প্রযুক্তি
keywords: 
meta: 



অস্ট্রেলিয়ার চলমান বন্যা পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করছে। অর্ধশতকেরও বেশি সময়ের মধ্যে এমন প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা যায়নি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। যদিও বিগত একশ বছরের মধ্যে এটি বৃহত্তম বন্যা বলে উল্লেখ করেছেন উপদ্রুত এলাকার বর্ষীয়ান বাসিন্দারা। খবর সিএনএন।অস্ট্রেলিয়া সরকার নিউ সাউথ ওয়েলসের (এনএসডাব্লিউ) অঞ্চলগুলোতে বড় ধরনের প্রকৃতিক দুর্যোগ ঘোষণা করেছে। হাজার হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে গত বৃহস্পতিবার থেকে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। কিন্তু শনিবার পূর্ব উপকূলের একটি বাঁধ উপচে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ায় ওই অঞ্চলের মানুষের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে।আজ রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এনএসডব্লিউর জরুরি সেবামন্ত্রী ডেভিড এলিয়ট বলেন, সরকার মধ্য ও মধ্য-উত্তর উপকূলীয় অঞ্চলে ২৬টি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘোষণাপত্র স্বাক্ষর করেছে। সিডনির নিকটবর্তী এলাকা হান্টার ভ্যালি থেকে কফস হারবার এলাকা পর্যন্ত অঞ্চলগুলোর জন্য এই ঘোষণা।এলিয়ট বলেন, এখনও পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির সংবাদ পাওয়া যায়নি। তবে আমরা এক অনিবার্য প্রাণঘাতী অবস্থার দিকে যাচ্ছি।এদিকে রাজ্যের প্রধানমন্ত্রী গ্ল্যাডিস বেরেজিক্লিয়ান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ১৯৬০-এর দশক থেকে এ পর্যন্ত আমরা এতো বড় দুর্যোগ দেখিনি। উপদ্রুত এলাকাগুলোর জন্য শতাব্দির মধ্যে ভয়াবহতম দুর্যোগ এটি। হাওকেসবারি অঞ্চলের মতো অন্যান্য অঞ্চলের জন্য এই আঘাত ৫০ বছরের মধ্যে ভয়াবহতম ঘটনা।সূত্র: সিএনএন
133
৬০ বছরের মধ্যে বৃহত্তম বন্যা অস্ট্রেলিয়ায়
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১৩:০৬
category: বিশ্ব
keywords: 
meta: 



স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বাংলাদেশে এসেছেন নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যা দেবী ভান্ডারী। দেশে এসে তিনি সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। এসময় তিনি স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করাসহ সৌধ প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।সোমবার সকাল ১১টা ১০ মিনিটে সড়ক পথে তিনি সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছেন।সাভার গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, বিদ্যা দেবী প্রথমে স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন। সবশেষে সৌধ প্রাঙ্গণে একটি উদয়পদ্মের চারা রোপণ করেন তিনি।এদিকে, ২৬ মার্চকে কেন্দ্র করে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধসহ আশেপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার জানিয়েছেন, জাতীয় স্মৃতিসৌধসহ আশপাশের এলাকাজুড়ে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলার পাশাপাশি সৌধ প্রাঙ্গণ ও আশপাশে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়ছে উল্লেখ করে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, স্বাধীনতা দিবসে সৌধ প্রাঙ্গণে যারা বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসবেন তাদের মাস্ক ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে আসতে হবে।
134
জাতীয় স্মৃতিসৌধে নেপালের রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১৩:১৪
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: 



দৈনিক জনকণ্ঠের সম্পাদক ও প্রকাশক মোহাম্মদ আতিকউল্লাহ খান মারা গেছেন ( ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না  ইলাইহি রাজিউন)। আজ সোমবার ভোরে নিজ বাসায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তিনি মারা যান।   শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে তিনি মারা যান বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও নাতি-নাতনি রেখে গেছেন।মোহাম্মদ আতিকউল্লাহ খানের মালিকানায় ১৯৯৩ সালে দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকা প্রকাশিত হয়। তিনি পত্রিকাটির সম্পাদক, মুদ্রাকর ও প্রকাশক। আতিকউল্লাহ খান গ্লোব-জনকণ্ঠ শিল্প পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। আতিকউল্লাহ খানের মৃত্যুতে শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
135
জনকণ্ঠের সম্পাদক আতিকউল্লাহ খান মারা গেছেন
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১৩:৫২
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: 



শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার হয়েছেন পি কে হালদারের সহযোগী শুভ্রা রানী ঘোষ। শুভ্রা ওয়াকামা লিমিটেডের পরিচালক।সোমবার দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তাকে গ্রেফতার করে।দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রিলায়েন্স ফাইন্যান্স ও এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক পি কে হালদারের দুর্নীতির সঙ্গে শুভ্রার সংশ্লিষ্টতা আছে। দুদক কর্মকর্তা গুলশান আনোয়ার তাকে গ্রেপ্তার করেছেন বলে জানান প্রণব।তিনি আরও বলেছেন, দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শুভ্রাকে আদালতে পাঠানো হবে।
136
বিমানবন্দর থেকে পিকে হালদারের সহযোগী শুভ্রা গ্রেফতার
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১৪:১২
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: 



পুরুষ সহকর্মীকে ভাড়া বাসায় আমন্ত্রণ জানানোয় মিশরে এক নারী চিকিৎসককে ছয়তলা ভবন থেকে ফেলে দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এমনটি জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটর।প্রতিবেদনে বলা হয়, ৩৪ বছর বয়সী ওই নারী চিকিৎসক মিশরের আল সালাম এলাকায় থাকতেন।অভিযোগ উঠেছে, বাসায় পুরুষ সহকর্মী আসায় বাড়ির মালিক দারোয়ান এবং প্রতিবেশীদের নিয়ে ওই নারী চিকিৎসকের ওপর হামলা চালান। ওই নারীকে পিটিয়ে ছয়তলা থেকে ফেলে দেওয়া হয়। পরে পাশের আকেরটি ভবনের নিচ থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।এই ঘটনায় মিশরজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি করেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো।   মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, মিশরে প্রতিবছর বিপুল সংখ্যক নারী যৌন হয়রানির শিকার হন । এ জন্য নারীদের ‘উস্কানিমূলক’ পোশাককে দায়ী করা হয়।  যৌন হয়রানির শিকার নারীদের ভুক্তভোগী না ভেবে উল্টো ‘অপরাধী’ হিসেবে গণ্য করা হয়।
137
মিশরে ভাড়া বাসায় ‘পরপুরুষ’ আনায় নারী চিকিৎসককে হত্যার অভিযোগ
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১৪:১৫
category: বিশ্ব
keywords: 
meta: 



পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে চালু হলো হিজড়াদের মাদরাসা। এই প্রথমবারের মতো দেশটিতে শিক্ষার সুযোগ পেলো তৃতীয় লিঙ্গের মানুষেরা।পাকিস্তানে সমাজবিচ্ছিন্ন থাকতে হয় হিজড়াদের। সেখানে তাদের মসজিদ বা মাদরাসায় যাওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিক কোনো অনুমতি নেই। সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তারা ভর্তি হতে পারে না।পাকিস্তানের হিজড়াদের প্রথম মাদরাসার শিক্ষক ৩৪ বছর বয়সী রানি খান বলেন, বেশিরভাগ পরিবার হিজড়া সন্তানকে গ্রহণ করে না। তারা হিজড়া সন্তানকে বাড়ির বাইরে ছুঁড়ে ফেলে। আর এই কারণে হিজড়ারা অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। একসময় আমিও তাদের দলে ছিলাম।কান্নাজড়িতে কণ্ঠে রানি খান জানান, ১৩ বছর বয়সে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। এরপর থেকে ভিক্ষা শুরু করেন। ১৭ বছর বয়সে হিজড়াদের একটি দলে যোগ দেন রানি। তখন বিভিন্ন বিয়ের অনুষ্ঠানে নেচে অর্থ সংগ্রহ করতেন তিনি।এক হিজড়া বন্ধুর মৃত্যুর পর জীবন পাল্টে যায় রানি খানের। তিনি স্বপ্নে দেখতে পান, তার বন্ধু তাদের সম্প্রদায়ের জন্য কিছু করার অনুরোধ করছেন। এরপরই ধর্মের প্রতি আসক্ত হয়ে বাড়িতে কোরান শিক্ষা শুরু করেন রানি খান এবং পরবর্তীতে মাদরাসায় ভর্তি হন। গত বছরের অক্টোবরে দুটি কক্ষ নিয়ে নিজেই মাদরাসা চালু করেন রানি।রানি জানান, কোনও রকম সরকারি অনুদান ছাড়াই মাদরাসা চালাচ্ছেন তিনি। যদিও অনেক কর্মকর্তা এরই মধ্যে মাদরাসায় অর্থ সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে জানান।মাদরাসায় লেখাপড়া ছাড়াও শিক্ষার্থীদের সেলাই এবং এমব্রয়ডারি কাজ শেখাচ্ছেন রানি। যাতে কাপড় বিক্রি করে মাদরাসাটি চালানোর অর্থ সংগ্রহ করা যায়।২০১৮ সালে পাকিস্তানের সংসদে হিজড়াদেড়কে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। গত বছর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাতেও হিজড়াদের জন্য একটি মাদরাসা চালু করা হয়েছে। এছাড়া গত বছর করাচিতে হিজড়ারা নিজেদের সম্প্রদায়ের জন্য একটি গির্জা চালু করেছেন।সূত্র: রয়টার্স
138
পাকিস্তানেও চালু হলো হিজড়াদের মাদরাসা
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১৪:৩৮
category: বিশ্ব
keywords: 
meta: 



পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ মোট ১২ পদে ১৫ জনকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। পদগুলোর জন্য আবেদন শুরু হয়েছে সোমবার (২২ মার্চ) থেকে। আবেদন করা যাবে আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত।পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়বিভিন্ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং প্রভাষকের ৭টি পদে ৮জনকে নিয়োগ দেবে  পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।পদ: সহযোগী অধ্যাপকবিভাগ: ফার্মেসি (১ জন), পদার্থবিজ্ঞান (১জন) এবং ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট (২জন)বেতন: ফার্মেসি ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ৫০০০০- ৭১২০০ টাকা। ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে ৩৫৫০০-৬৭০১০ টাকা।পদ: প্রভাষকবিভাগ: ইলেকট্রিকাল, ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ (১ জন), ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ (১ জন), অর্থনীতি বিভাগ (১ জন) ও ইংরেজি বিভাগ (১ জন)বেতন: ২২০০০- ৫৩০৬০ টাকাআবেদন করা যাবে কেবলমাত্র ডাকযোগে। বিস্তারিত দেখুন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (www.pust.ac.bd)।রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশরবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ ৫ পদে ৮ জনকে নিয়োগ দেবে। এর মধ্যে বিভিন্ন বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে পাঁচজনকে। পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের উপ পরিচালক পদে একজনকে এবং গাড়িচালক পদে একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।পদ: সহকারী অধ্যাপক (রবীন্দ্র অধ্যয়ন বিভাগ)বেতন: ৩৫৫০০- ৬৭০১০ টাকাপদসংখ্যা: ০১সহকারী অধ্যাপক (সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগ)বেতন: ৩৫৫০০- ৬৭০১০ টাকাপদসংখ্যা: ০২সহকারী অধ্যাপক (অর্থনীতি  বিভাগ)বেতন: ৩৫৫০০- ৬৭০১০ টাকাপদসংখ্যা: ০২পদ: উপপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তর)বেতন: ৪৩০০০-৬৯৮৫০ টাকাপদসংখ্যা: ০১পদ: গাড়িচালকবেতন: ৯৩০০- ২২৪৯০টাকাপদসংখ্যা: ০১বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি এবং দরখাস্ত করার যাবতীয় তথ্য রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের ওয়েবসাইট (www.rub.ac.bd) থেকে সংগ্রহ করতে হবে।
139
১২ পদে নিয়োগ দেবে দুই বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১৫:০৬
category: ক্যারিয়ার
keywords: 
meta: 



করোনা ভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। যার কারণে শিক্ষার্থীরা পড়ার  টেবিল ছেড়ে স্মার্ট ফোনে ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেমের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। প্রাথমিক থেকে শুরু করে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও এ খেলায় আসক্ত হচ্ছেন।অভিভাবকরা বাঁধা দিলেও তা খুব একটা কাজে আসছে না। এতে সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশঙ্কায় তারা। শুধু শহর নয়, উপজেলার প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় এ দৃশ্য নিত্যদিনের। গ্রামের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় অলিতে গলিতে কম বয়সী শিক্ষার্থীদের আড্ডা ও অনলাইন গেম খেলার দৃশ্য চোখের পড়ার মতো।  জানা গেছে, কম বয়সী শিক্ষার্থীরা ও যুব সমাজ দিন দিন ফ্রি ফায়ার এবং পাবজি নামক গেমের নেশায় জড়িয়ে পড়ছে। যে সময় তাদের ব্যস্ত থাকার কথা নিয়মিত পড়ালেখা নিয়ে ও খেলার মাঠে ক্রীড়া চর্চার মধ্যে, সেখানে নেশায় পরিণত হয়েছে স্মার্ট ফোনের এসব খেলা। স্কুল বন্ধ থাকায় অভিভাবকরা অনলাইনে ক্লাস করার জন্য সন্তানদের স্মার্ট ফোন কিনে দিচ্ছে, আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কম বয়সী তরুণেরা প্রতিনিয়ত স্মার্ট ফোন দিয়ে এসব গেমে আসক্ত হচ্ছেন।     এসব বিদেশি গেম থেকে তরুণ প্রজন্মকে ফিরিয়ে আনতে না পারলে বড় ধরণের  ক্ষতির আশঙ্কা দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব কর্মকান্ডের মাধ্যমে সৃষ্টি  হতে পারে গ্যাং গ্রুপ। শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিল ও খেলাধুলার মাঠ ছেড়ে ফেসবুক, ইউটিউব ও প্রযুক্তিভিত্তিক কর্মকান্ডে তাদের সময় পার করছে।  সারাদিন এমনকি রাত জেগে ইন্টারনেটে খেলছে ফাইটিং ফ্রি ফায়ার ও পাবজির মতো নেশা ধরা গেম। ইন্টারনেটের সহজলভ্যতাকে কাজে লাগিয়ে স্কুল, কলেজ পড়ুয়ারা মোবাইলে এমনভাবে আসক্ত হয়ে পড়েছেন, যা মাদকের চেয়ে ভয়ংকর।  ফুলবাড়ী পৌর এলাকার বিভিন্ন গ্রামের দেখা গেছে তরুণেরা স্মার্ট ফোনে ফ্রি ফায়ার গেম নিয়ে  পড়ে আছেন। যাদের বেশির ভাগই স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী। সম্প্রতি উপজেলার একাধিক গ্রাম ঘুরে শিক্ষার্থীদের স্মার্ট ফোন হাতে নিয়ে চায়ের দোকান, গাছতলা, রাস্তার ধারে, বাড়ির পাশে ও  মাঠের মধ্যে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে।এছাড়া অনেক জায়গায় শিক্ষার্থীদের তিন থেকে পাঁচজনে মিলে গেম খেলতে দেখা গেছে। একাধিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে গেম খেলা অবস্থায় কথা বললে তারা জানান, স্কুল বন্ধ তাই সময় কাটানোর জন্য ইন্টানেটে গেম খেলি।গেম খেলায় ফোনে ডাটা কিনতে খরচ সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা বলেন, এই গেম যখন  শুধু বিনোদন নেওয়ার জন্য খেলতাম তখন মাসে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকার ডাটা খরচ হতো। এখন  গ্রামের বিভিন্ন জায়গায় ওয়াই ফাই আসায় আগের চেয়ে খরচ একটু কমেছে। আগে ডাটা  ছাড়া অন্য কোনো খরচ ছিল না। ধীরে ধীরে যখন এটা ভালো লাগা শুরু হয়েছে তখন প্রতিটা ইভেন্টে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা খরচ না করলে হয় না। গেমটিতে পুরোপুরিভাবে মনোযোগ দিয়ে যখন খেলি তখন দেখি গেমের ভেতরে এমন কিছু জিনিস আছে যেগুলো না কিনলে নয়। যেমন অলকের দাম ৪০০ টাকা, একটা জার্সি ৩০০ টাকা, নতুন ইভেন্ট আসলেই ২০০০ টাকার মত খরচ করতে হয় । সম্পূর্ণ ড্রেস কিনতে লাগে ১২০০ টাকা।এ বিষয়ে অভিভাবকদের সাথে কথা বললে অনেকেই বলেন, শিক্ষার্থীদের অলস  মস্তিষ্কে শয়তানের বাসা বেঁধেছে পাবজি আর ফ্রি ফায়ার ইন্টারনেট ভিত্তিক গেমে। সরকার যদি এ সব গেম দেশে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে আমাদের ছেলে মেয়েরা এ ধরনের গেম থেকে রেহায় পাবে, সাথে লেখা পড়ায় মনোযোগী হবে।  জিএম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক হাফিজ মন্ডল বলেন, আমাদের সময় আমরা অবসরে মাঠে বিভিন্ন খেলাধুলার মধ্য দিয়ে পার করতাম, কিন্তু এখনকার তরুণদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। গ্রামগঞ্জে মোবাইলে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘন্টার পর ঘন্টা গ্রুপ গেম খেলছে, এ যেন মহামারি আকার ধারণ করছে। ইয়ং জেনারেশন এখন ফ্রি ফায়ারের দিকে আসক্ত। যেটা কিনা একটা অনলাইন গেম সেখানে গ্রুপিংয়ের মাধ্যমে জুয়ার আসর তৈরি হচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ তাই সুযোগ পেলেই শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া বাদ দিয়ে আভিভাবকদের ফাঁকি দিয়ে অনলাইন গেমের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে। ফুলবাড়ী থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, আমি একদিন  গভীর রাতে আসামি ধরার লক্ষে এক গ্রামে যাই, যেতে যেতে হঠাৎ দেখি কয়েকজন তরুণ গোল হয়ে বসে একে ওপরের মিশনের কথা বলছে। আমি গাড়ি থামিয়ে তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, তারা পাবজি আর ফ্রি ফায়ার গেম খেলছে।
140
অনলাইন গেমে আসক্ত হচ্ছে তরুণেরা
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১৫:১২
category: সারা দেশ
keywords: বাংলাদেশ, দিনাজপুর
meta: গেমটিতে পুরোপুরিভাবে মনোযোগ দিয়ে যখন খেলি তখন দেখি গেমের ভেতরে এমন কিছু জিনিস আছে যেগুলো না কিনলে নয়। যেমন অলকের দাম ৪০০ টাকা, একটা জার্সি ৩০০ টাকা, নতুন ইভেন্ট আসলেই ২০০০ টাকার মত খরচ করতে হয় । সম্পূর্ণ ড্রেস কিনতে লাগে ১২০০ টাকা।



গাজীপুর সদর উপজেলার বাঘের বাজার বানিয়ারচালা এলাকা থেকে একটি শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার সকালে একটি পরিত্যাক্ত টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক থেকে তিন  বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।   মরদেহটি ময়না তদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।নিহত শান্ত (৩) ময়মনসিংহের গফরগাঁও থানার উত্তর নয়াপাড়া গ্রামের সাদেক আলীর ছেলে।  সাদেক আলী স্থানীয় এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে ফুচকা বিক্রি করেন।জয়দেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মামুন আল রশীদ জানান, নিহতের বাবা বাঘের বাজার এলাকার আতাব উদ্দিন মুন্সীর বাড়িতে স্বপরিবারে ভাড়ায় থেকে এলাকায় চটপটি বিক্রি করেন। শান্ত তার বাবা-মার সাথে বাড়িতেই থাকতো। রবিবার বিকেলে শান্তর মা শান্তকে বাড়িতে রেখে পাশের এক প্রতিবেশীর বাসায় যান। পরে মা বাড়ীতে ফিরে শান্তকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। শিশুটি স্বজন ও প্রতিবেশীরা রাতভর সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন।কোথাও তাকে না পেয়ে এলাকায় মাইকিং করে এবং তার বাবা ওইদিন জয়দেবপুর থানায় জিডি করেন। পরদিন সোমবার সকালে এলাকাবাসী ও নিহতের স্বজনরা খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে রাস্তার ভাড়াবাড়ির পাশে টয়লেটের সেফটি ট্যাংকির টিনের ঢাকনা খুলে শান্তর লাশ দেখতে পান। পরে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দিলে সোমবার সকাল ৯টার দিকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। এ সময় শান্তর স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।তবে, শিশুটিকে হত্যা করে মরদেহ ট্যাংকিতে ফেলে দেয়া হয়েছে নাকি শিশুটি সেখানে পড়ে গিয়ে মারা গেছে তা নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
141
গাজীপুরে সেপটিক ট্যাংকে শিশুর মরদেহ
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১৫:১৬
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: 



দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান চালিয়ে ভারতীয় আমদানী নিষিদ্ধ ফেন্সিডিলসহ দুই চোরাকারবারীকে আটক করেছে ২৯ বিজিবির সদস্যরা।রোববার ২১ মার্চ দিবাগত রাত সাড়ে ৮টায়  উপজেলার এলুয়ারী ইউনিয়নের বানাহার গ্রাম থেকে ৪৩ বোতল ফেন্সিডিল ও একটি মোটরসাইকেলসহ তাদের দুই জনকে আটক করা হয়।আটক ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার এলুয়ারী ইউনিয়নের পানিকাটা বানাহার গ্রামের মোঃ মোস্তাহাবের  ছেলে মোঃ আব্দুল মাতিন (২৭) ও একই এলাকার মৃত সুবল চন্দ্র দাসের ছেলে সুজন চন্দ্র দাস (৩০)।ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবির অধিনায়ক লে: কর্ণেল মো: শরিফুল্লাহ্ আবেদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার নির্দেশে একটি টহল দল ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবির অধীনস্থ জলপাইতলী বিওপির নিজস্ব দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ৩০৪/১-এস পিলার হতে ১৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অভিযান চালিয়ে তাদের দুই জনকে আটক করে।আটককৃতদের মালামালসহ ফুলবাড়ী থানায় হস্তান্তর করে মামলা প্রদান করা হয়েছে।
142
দিনাজপুরে দুই মাদককারবারী আটক
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১৬:৩৪
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: 



বরিশালে প্রাণঘাতী করোনার সংক্রমণ নতুন করে দেখা দেওয়ায় তা মোকাবেলায় কঠোর হচ্ছে  প্রশাসন। এরই মধ্যে সচেতনতার পাশাপাশি নগরীসহ গোটা জেলার ১০ উপজেলায়ই অর্থদণ্ডের  নিয়ম করেছে জেলা প্রশাসন। মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে চলছে মেট্রোপলিটন পুলিশেরও নানা কৌশল। সোমবার নগরীতে মাস্ক বিতরণ ও অর্থদণ্ড করেছে জেলা প্রশাসন।   বেলা সাড়ে ১১টায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে নগরীর সদর রোডে পথচারীদের মাঝে মাস্ক বিতরণ কার্যক্রমের উদ্ধোধন করেন জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার। এসময় জেলা  প্রশাসক বলেন, করোনামুক্ত ও সুস্থ জীবনের জন্য নতুন করে নিজেদের সচেতন হতে হবে। দূরত্ব বজায় রেখে সকলকে চলতে হবে। আপনি আক্রান্ত হলে আপনার ঘরের কেউ রক্ষা পাবে না। পরিবারকে ও অন্যকে সুস্থ্য রাখার জন্য নিয়মিত মাস্ক ব্যবহার করার আহ্বান জানান তিনি।পরে নগরীর বিভিন্নস্থানে পথচারীদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন তারা। এর আগে রবিবার নগরীতে সচেতনতামূলক শোভাযাত্রা করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ।  নগরীর বিভিন্ন স্পটে ট্রাফিক পুলিশ যানবাহনেও সচেতনতা, স্টিকার সাটানোসহ ব্যবস্থাও নিচ্ছে।মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অপারেশন অ্যান্ড প্রসিকিউশন)  এনামুল হক বলেন, নিজেদেরকে সুরক্ষিত রেখে প্রাণঘাতী করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় তারা কাজ কলছে।এসময় উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক আল-মামুন তালুকদার, বিভাগীয় সমাজসেবা উপপরিচালক একে এম আখতারুজ্জামান, জেলা প্রবেশন অফিসার সাজ্জাদ পারভেজ। বরিশাল জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ তথ্যমতে, জেলায় নতুন করে ২১ জন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত বরিশাল জেলায় ৪৯৯৪ জন ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।
143
বরিশালে করোনা মোকাবিলায় কঠোর হচ্ছে প্রশাসন
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১৬:৫৪
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: 



রিয়াজ দেওয়ান (২৮)। রাজধানীর হাতিরপুলে একটি মেসে থেকে প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করছেন। গত বছরের জুলাইয়ের দিকে ওই মেসে থাকা চার বন্ধু করোনায় আক্রান্ত হলেও সেসময় পরীক্ষায় তার করোনা নেগেটিভ আসে। তবে সম্প্রতি দ্বিতীয়বার করোনা পরীক্ষায় তার করোনা শনাক্ত হয়। এরই মধ্যে তিনি টিকা নিতে নিবন্ধন করেছেন, যদিও এখনো নেওয়া হয়নি।আক্রান্তের পর থেকে শরীর খুব দুর্বল হয়ে যায় রিয়াজের। এক পর্যায়ে অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন হওয়ায় গত ১৪ মার্চ তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হয়। কিন্তু নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রের (আইসিইউ) বেড পেতে বেশ বেগ পেতে হয় তার স্বজনদের। কেননা, আইসিইউ সেসময় ফাঁকা ছিল না। তবে বর্তমানে শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হওয়ায় কেবিনে নেয়া হয়েছে রিয়াজকে। সেখানেই এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।গত তিনদিন ঢাকা মেডিকেল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ ও সোহরাওয়ার্দীসহ কয়েকটি হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, গত এক মাসের ব্যবধানে হাসপাতালগুলোতে করোনা রোগীর চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ। বর্তমানে করোনা ওয়ার্ডে তিল ধারণের ঠাই নেই। হাসপাতালসূত্রে জানা গেছে, আইসোলেশন ইউনিট করোনা রোগীতে ভরে গেছে, খালি নেই আইসিইউগুলোও। চলমান পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে এই সংকট প্রকট আকার ধারণ করতে পারে। বর্তমানে আক্রান্তদের প্রায় ৫০ শতাংশ রোগীই তরুণ। দ্রুত তাদের অবস্থা খারাপের দিকে যাওয়ায় অল্প সময়েই আইসিইউতে নিতে হচ্ছে। যা খুবই ভয়ংকর বার্তা বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।চলতি মাসের শুরুর দিকে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দুই হাজারের নিচে নামলেও গত বুধবার (১৭ মার্চ) প্রথম তা দুই হাজার ছাড়িয়ে যায়। এরপর অব্যাহত রয়েছে ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ। সবশেষ সোমবার (২২ মার্চ) সাত মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ করোনা রোগী শনাক্ত ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এদিন ২ হাজার ৮০৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়, মৃত্যু হয় ৩০ জনের।রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে আইসিইউ না থাকলেও খালি নেই আইসোলশন বেড। মাঝে কিছুটা রোগীর চাপ কমলেও চলতি মাসের শুরু থেকে তা আবারও বাড়তে থাকে। তবে মহামারী শুরুর পর কখনোই আইসোলশন বেড ফাঁকা ছিল না বলে জানান কর্তব্যরত চিকিৎসক। এ হাসপাতালে আগের চেয়ে পরীক্ষার সংখ্যা বেড়েছে বলেও জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।অন্যদিকে নগরীর প্রধান চিকিৎসাকেন্দ্র ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কোভিড রোগীর পাশাপাশি কোভিডমুক্ত রোগীর চাপ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এতে করে সেবা দিতে গিয়ে বেশ হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের। বিশেষ করে ক্রিটিক্যাল রোগীদের সংখ্যা আগের তুলনায় কয়েকগুণ বাড়ায় আইসিইউ সংকট হয়েছে এই হাসপাতালে।হাসপাতালসূত্রে জানা গেছে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে এখনো ৪০ শতাংশ বেড খালি রয়েছে। তবে যে হারে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে দ্রুত তা কমে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই সাথে সংকটাবস্থা তৈরি হয়েছে আইসিইউ নিয়ে। যা আরও তীব্র করেছে সম্প্রতি হাসপাতালটির একটি আইসিইউকেন্দ্র পুড়ে যাওয়ায়। বর্তমানে ১৫টি দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছে ঢামেক কর্তৃপক্ষ। এমতাবস্থায় নতুন করে ১০টি আইসিইউ যুক্ত করছে হাসপাতালটি। যা চলতি সপ্তাহেই চালু হতে পারে বলে জানা গেছে।দুই মাস আগেও অন্যান্য রোগের পাশাপাশি করোনাক্রান্ত রোগীর চাপ অনেকটা কমে গিয়েছিল রাজধানীর প্রধান এই হাসপাতালে। কিন্তু চলতি মাসের শুরু থেকে তা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। বর্তমানে ৯শ’র বেশি করোনা রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে ঢামেকে, যার অধিকাংশই তরুণ। অল্পতেই অবস্থা খারাপ হওয়ায় আইসিইউতে নিতে হচ্ছে তাদের। কিন্তু সে তুলনায় এই মুহূর্তে আইসিইউ বেড খালি নেই।জানতে চাইলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ভাইরোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সুলতানা শাহানা বানু আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সারাদেশের ন্যায় রাজধানীর পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে আগের চেয়ে টেস্ট বাড়ানো হয়েছে, ফলে অন্যান্য হাসপাতালগুলোর চেয়ে ঢাকা মেডিকেলে আগের চেয়ে করোনা রোগীর চাপ বেড়েছে। মাঝে তো আমরা ধরেই নিয়েছিলাম দেশে করোনা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। কিন্তু প্রকৃত অবস্থা বলছে ভিন্নকথা। সম্প্রতি ব্রিটেন ও দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রকোপ দেখা দেয়ায় আমাদের দেশেও তা ছড়িয়েছে। ফলে প্রতিদিনই হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়েই চলেছে। এ হাসপাতালে করোনা ওয়ার্ডের পাশাপাশি আইসিইউ পর্যন্ত খালি নেই। যে অবস্থা চলছে, তাতে আইসিইউ সংকট দেখা দিবে যেকোনো সময়।’তিনি বলেন, ‘করোনার কারণে অন্যান্য রোগগুলো বিস্তার লাভ করছে। ফলে নন কোভিড ওয়ার্ডগুলোতেও রোগীদের উপচে ভিড় লেগেই থাকছে। দেশব্যাপী ভ্যাক্সিন কার্যক্রম অব্যাহত থাকলেও করোনা নিত্য নতুন রূপ নেয়ায় তা তেমন একটা কাজে আসছে না। আর সবচেয়ে বড় কারণ স্বাস্থ্যবিধির প্রতি উদাসীনতা। আমরা টিকা নিয়েই মনে করছি করোনা চলে গেছে। আসলে তা ভুল। কোন ভ্যাক্সিনই এখন পর্যন্ত শতভাগ কার্যকরি নয়। তারপরও দ্বিতীয় ডোজ এখনো বাকি। তাই আমরা যদি বেপরোয়া চলাফেরা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারি, তবে খুব ভয়াবহ কিছু অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য।’টিকা নয়, করোনা প্রতিরোধে শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মানার বিকল্প নেই জানিয়ে ভাইরোলজি বিভাগের এই অধ্যাপক বলেন, ‘করোনার আসলে একক কোন রূপ নেই। ভিন্ন ভিন্ন রূপ নিয়ে বংশ বিস্তার করে। ফলে ভ্যাক্সিন চললেও সহজে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব নয়। ভবিষ্যতে এই মহামারীর মতো আরও অনেক শক্তিশালী ভাইরাস আসবে, তাই নিজেদের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। গবেষণার মাধ্যমে ভাইরোলজিস্ট তৈরি করতে হবে।এ ব্যাপারে সরকারের রোগ তত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের (আইইডিসিআর) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এ এস এম আলমগীর আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের অসতর্কতার কারণেই দিন দিন জটিলতা তৈরি হচ্ছে। পৃথিবীর কোন দেশেই আইসিইউ পর্যাপ্ত নেই। এখানে যে যায়, তার ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম। তাই এর থেকে যদি আমরা বাঁচতে চাই তাহলে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।’ চলমান পরিস্থিতি মোকাবেলা সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়, এর আগেও আমরা দেখেছি। তাই সবার জায়গা থেকে সরকারি নির্দেশনা মেনে এগিয়ে আসতে হবে বলেও মনে করেন তিনি।এদিকে ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা জাতীয়ভাবে দেখতে পাচ্ছি যে, কোভিড সংক্রমণ বাড়ছে। প্রতিদিনই দেশের অন্যান্য হাসপাতালের ন্যায় ঢাকা মেডিকেলেও চাপ বাড়ছে রোগীর। বিশেষ করে গত জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে যেসব কেবিন ফাঁকা ছিলও, সেগুলোও এখন ভরে গেছে। যদিও আমাদের সক্ষমতা রয়েছে। ঢামেকে এখনো ৪০ শতাংশ বেড ফাঁকা রয়েছে। আমাদের কাছে আগের তুলনায় বেশি ফোন আসছে, মানুষ সহযোগিতা চাচ্ছে। এখনো যত বেড ফাঁকা রয়েছে, আশা করা যায় আমরা যথেষ্ট সেবা দিতে পারবো।’তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন আমাদের এখানে আইসিইউতে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ঘটেছে। তারপরও প্রয়োজনমতও সব করেছি। বর্তমানে ১৫টি আইসিইউ বেড সম্পূর্ণ চালু আছে। তবে কোনটি ফাঁকা নেই। রোগীর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ায় কিছুটা হিমশিম খেতে হচ্ছে। তাই চলতি সপ্তাহেই নতুন করে ১০টি আইসিইউ বেড যুক্ত করা হচ্ছে। এতে করে আইসিইউয়ের সংখ্যা ২৫টিতে দাঁড়াবে।’পুরনো আইসিইউ কবে নাগাদ চালু হতে পারে জানতে চাইলে ঢামেক পরিচালক বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি রমজানের আগেই করার। নীতি নির্ধারক পর্যায়ে কয়েকবার আলোচনা হয়েছে। এরই মধ্যে যন্ত্রপাতি লাগানো হচ্ছে। তবে মূল যন্ত্রাংশগুলো বিদেশ থেকে কিংবা দেশে পেলেও হাতে পেতে কিছু সময় লাগবে, তাই বিলম্বও হতে পারে।’
144
বাড়ছে করোনা রোগীর চাপ, সংকট আইসিইউয়ের
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১৭:০৭
category: স্বাস্থ্য
keywords: বাংলাদেশ, করোনা, করোনাভাইরাস
meta: আমাদের অসতর্কতার কারণেই দিন দিন জটিলতা তৈরি হচ্ছে। পৃথিবীর কোন দেশেই আইসিইউ পর্যাপ্ত নেই। এখানে যে যায়, তার ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম। তাই এর থেকে যদি আমরা বাঁচতে চাই তাহলে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে



বরিশালের গৌরনদীতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রিসহ নানা অভিযোগে তিনটি ফার্মেসিকে ৩২  হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার দুপুরে উপজেলার গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই জরিমানা আদায় করেন। ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের সহায়তায় পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্বে ছিলেন গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস। বরিশাল ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের পরিচালক অদিতী স্বর্না বলেন, উপজেলার গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিভিন্ন ফার্মেসিকে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ৩টি ফার্মেসিতে  মেয়াদোত্তীর্ণ, অবৈধ ওষুধ পাওয়া যায়। অভিযানে ঈশাম মেডিসিন হাউজকে ১৫ হাজার, আল মক্কা ফার্মেসিকে ১৫ হাজার এবং মা মেডিসিন কর্নারকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।   এ বিষয়ে গৌরনদী উপজেলার নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, নিষিদ্ধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখা এবং বিক্রি করা, ড্রাগ লাইসেন্স এবং রেজিস্টার্ড ফার্মাসিস্ট না থাকায় তিন ওষুধ ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। তিনি ফার্মেসি গুলোতে বায়োলজিক্যাল ওষুধ সঠিক তাপমাত্রার ফ্রীজে সংরক্ষণ করার কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন।
145
বরিশালে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখায় তিন ফার্মেসিকে জরিমানা
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১৭:১৫
category: স্বাস্থ্য
keywords: বাংলাদেশ, ফার্মেসি
meta: 



'নিজের ঘর সামলান' এ মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তথা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি বাক্য উচ্চারণ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। গয়েশ্বর বলেন, কারো ঠিকানা মুছতে যাবেন না। নিজের ঘর সামলান। জিয়াউর রহমানের ঠিকানা মুছে দেয়ার চেষ্টা করলে আপনাদের নাম ঠিকানাই জনগণের অন্তর থেকে মুছে যাবে।সোমবার সকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা জে লা বিএনপি আয়োজিত মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন। রবিবার এক ভিডিও কনফারেন্সে স্বাধীনতার মিথ্যা ঘোষকের কোনো ঠিকানাই থাকবে না বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের সমালোচনায় গয়েশ্বর বলেন, জিয়াউর রহমানের ঘোষণার মধ্য দিয়েই স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা হয়েছিল। এ সত্য মুছে ফেলা যায় না। তাকে যত আঘাত করতে যাবেন তিনি ততই উদ্ভাসিত হবেন। উল্টো আপনারা নিজেরাই নিঃশেষ হবেন। কাজেই কারো ঠিকানা মুছে দেয়ার চেষ্টা না করে নিজের ঠিকানাটা আগে ঠিক করুন।দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, সিনয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ঢাকা মহানগর সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেলসহ সব অসুস্থ নেতাকর্মীদের রোগমুক্তি কামনায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাস, যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে অসুস্থ নেতাদের রোগমুক্তি কামনায় মোনাজাত করা হয়। ওলামা দলের আহ্বায়ক নেসারুল হক মোনাজাত পরিচালনা করেন।
146
জিয়ার ঠিকানা মুছতে গেলে নিজেরাই মুছে যাবেন : গয়েশ্বর
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১৭:২৪
category: রাজনীতি
keywords: 
meta: তাকে যত আঘাত করতে যাবেন তিনি ততই উদ্ভাসিত হবেন। উল্টো আপনারা নিজেরাই নিঃশেষ হবেন। কাজেই কারো ঠিকানা মুছে দেয়ার চেষ্টা না করে নিজের ঠিকানাটা আগে ঠিক করুন।



বর্তমানে আমরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগে বাস করছি। ফলে প্রযুক্তির সংস্পর্শে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে। আবিষ্কৃত হয়েছে বৈদ্যুতিক বাতি। শহর থেকে শুরু করে গ্রামাঞ্চলের প্রায় প্রতিটি বাড়িতে বৈদ্যুতিক বাতির ব্যবহার এখন বেড়েই চলেছে। যার ফলে কালের বিবর্তনে আবহমান গ্রামবাংলার এক সময়ের জনপ্রিয় "কুপিবাতি" হারিয়ে যেতে বসেছে।এই কুপিবাতি এখন শুধুই স্মৃতি। গ্রামীণ জীবনে অন্ধকার দূর করার একমাত্র অবলম্বন ছিল কুপি বাতি। কুপিবাতি জ্বালিয়ে রাতে গৃহস্থালির কাজ করতেন গৃহিণীরা। রাস্তায় চলাচলসহ উঠানে কিংবা বারান্দায় অথবা ঘরে পড়াশোনা করত ছেলেমেয়েরা। কুপি বাতির কেরোসিন তেল আনার জন্য প্রতিটি বাড়িতেই ছিল বিশেষ ধরনের কাঁচ ও প্লাস্টিকের বোতল। সেই বোতলের গলায় রশি লাগিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হতো বাঁশের খুঁটিতে। আধুনিক প্রযুক্তির কারণে আবহমান গ্রামবাংলার কুপি বাতি যেন গ্রাম বাংলা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। এক সময় আবহমান গ্রামবাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে এই কুপিবাতি আলো দিত।এই কুপি বাতিগুলো ছিল বিভিন্ন ডিজাইনের ও বিভিন্ন রঙের। এগুলো তৈরি হত কাঁচ, মাটি, লোহা আর পিতল দিয়ে। গ্রামবাংলার মানুষ নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী কুপিবাতি ব্যবহার করতেন। বাজারে সাধারণত দুই ধরনের কুপি পাওয়া যেত- বড় ও ছোট। বেশি আলোর প্রয়োজনে কুপিবাতিগুলো কাঠ এবং মাটির তৈরি গাছা অথবা স্ট্যান্ডের উপর রাখা হত। এই গাছা অথবা স্ট্যান্ডগুলো ছিল বিভিন্ন ডিজাইনের।গ্রামবাংলার সেই চিরচেনা প্রয়োজনীয় কুপিবাতি আজ বিলীন হয়ে গেছে বললেই চলে। এ দৃশ্য এখন আর গ্রামীণ সমাজে চোখে পড়ে না। কালের বির্বতনে বর্তমানে কুপি বাতির পরিবর্তে স্থান করে নিয়েছে বৈদ্যুতিক বাল্ব, সোলার প্লান্ট, চার্জার লাইট, চার্জার, চার্জার ল্যাম্পসহ আরো অনেক কিছুই। এখন বিদ্যুৎ না থাকলেও গ্রামবাংলার মানুষ ব্যবহার করছে সৌর বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন রকমের চার্জার। গ্রাম বাংলার আপামর লোকের কাছে কুপিবাতির কদর কমে গেলেও এখনও অনেকে আঁকড়ে ধরে আছেন কুপি বাতির স্মৃতি। তাই ছন্দের সুরে  বলা যায়-"যখন তোমার কেউ ছিলো না তখন ছিলাম আমি,এখন তোমার সব হয়েছে পর হয়েছি আমি।"কিন্তু এখনও ভূঞাপুর উপজেলার কিছু বাড়িতে কুপির ব্যবহার চলমান রয়েছে। যদিও আগের মতো প্রতিটি বাড়িতে এখন আর এর ব্যবহার নেই।
147
বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী ‘কুপিবাতি’
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১৭:৪৯
category: সারা দেশ
keywords: টাঙ্গাইল
meta: 



প্রায় প্রতিদিনই কোন না কোন অনুষ্ঠানে সরগরম থাকে প্রেসক্লাব। কিন্তু করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের আগমনকে কেন্দ্র করে প্রেসক্লাব এলাকা এখন অনেকটাই ফাঁকা। প্রেসক্লাবের ভেতরে ও বাইরে হচ্ছে না কোন অনুষ্ঠান।আজ সোমবার দুপুরে সরেজমিনে প্রেসক্লাবে গিয়ে দেখা যায়, কোন অনুষ্ঠান না থাকায় অলস সময় কাটাচ্ছেন পুলিশ সদস্যরা।পুলিশ সদস্য নুরুল ইসলাম বলেন, আমরা আসলে অনুষ্ঠানের ব্যাপারে কিছু জানি না আমাদের একেক সময় একেক জায়গায় ডিউটি থাকে। আমাদের যখন যেখানে পাঠানো হয় আমরা তখন সেখানে যাই।‘সভা-সমাবেশের অভাবে অর্থনৈতিক দুরবস্থার কথা জানিয়ে বাদাম বিক্রেতা সেলিম বলেন, ‘গত দুইদিন কোন অনুষ্ঠান নেই, সেজন্য লোকজনও নেই। অনুষ্ঠান থাকলে একটু ভাল কেনাবেচা হয়।’উল্লেখ্য, বিশেষ কোন কাজ না থাকলে জনসাধারণকে ঘর থেকে বের না হওয়া এবং ১৭ থেকে ২৬ তারিখ পর্যন্ত কোন সভা-সমাবেশ না করার পরামর্শ দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
148
ফাঁকা প্রেসক্লাব, অলস সময় কাটাচ্ছেন পুলিশ সদস্যরা
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১৮:০১
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: 



টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পৌরসভার বাসা বাড়ির ময়লা-আবর্জনায় ভরাট হচ্ছে বারই খাল এবং আশপাশের ডোবা-নালা। ফলে পানির গতিপথ বন্ধ ও খাল ভরাট হয়ে এলাকার পরিবেশ হুমকির মুখে পড়েছে। একইসাথে ময়লা আবর্জনার পচা দুর্গন্ধে এলাকার পরিবেশও দূষিত হয়ে উঠছে। জানা যায়, ২০০০ সালে মির্জাপুর পৌরসভা গঠিত হয়। প্রয়াত সাবেক মেয়র মো. সাহাদত হোসেন সুমনের প্রচেষ্টায় পৌরসভা প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত হলেও এখন পর্যন্ত বাড়েনি পৌরবাসীর নাগরিক সুযোগ-সুবিধা।পৌরসভার কয়েকটি এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, পৌরসভার কর্মচারীগণ বিভিন্ন বাসা-বাড়ির আবর্জনা ভ্যান গাড়িতে করে খালে ফেলছে।পৌরবাসী মো. বিল্লাল হোসেন মিন্টু মিয়াসহ একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, পয়ঃনিষ্কাশন, গ্যাস সমস্যা, রাস্তা-ঘাট ও ব্রিজ-কালভার্ট সহ নানা সমস্যায় জর্জরিত মির্জাপুর পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ড।সবচেয়ে বেশি সমস্যা মির্জাপুর পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ তিন নম্বর ওয়ার্ডে। উপজেলা সদর হওয়ায় প্রতিনিয়ত হাজার হাজার মানুষের চলাচল এ ওয়ার্ডটিতে। এখানে ড্রেনেজ ব্যবস্থাসহ রাস্তা-ঘাটের খুবই করুন দশা। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তার উপর পানি জমে যায়। কালীবাড়ি রোড, কলেজ রোড, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ রোড, কুমুদিনী হাসপাতাল রোড ও বংশাই রোডের একই অবস্থা।এ বিষয়ে সুনীল সাহা নামে এক এলাকাবাসী বলেন, পৌরসভার নিজস্ব কোন জায়গা না থাকায় মূল সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে পৌরসভার ময়লা আবর্জনা। ময়লা আবর্জনা ফেলা হচ্ছে বারই খালসহ আশপাশের বিভিন্ন ডোবা-নালায়। ফলে খাল ও ডোবা-নালা ভরাট হয়ে একদিকে যেমন পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে এলাকার পরিবেশ হুমকির মুখে পড়ছে।  সরেজমিন দেখা যায়- পৌরসভার কাঁচা বাজারের উত্তরপাশ, পুরাতন রোডের বাইমহাটি, শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম, মির্জাপুর সরকারি কলেজের দক্ষিণ পাশে নতুন ব্রিজ সংলগ্ন পালপাড়া, ইউনিয়নপাড়া, বাওয়ার কুমারজানি, পুষ্টকামুরী, প্রফেসর পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় খাল ও ডোবা নালায় ময়লা আবর্জনা ফেলে ভরাট করা হচ্ছে।এ বিষয়ে মির্জাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর এনায়েত হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ময়লা আবর্জনা ফেলে পৌরসভার খাল ও ডোবা-নালা ভরাট করার কোন সুযোগ নেই। পরিবেশ রক্ষার জন্য সরকারি নির্দেশনায় খাল খননের উদ্যোগ এবং ডোবা-নালা রক্ষার জন্য পৌরসভাকে উদ্যোগ নিতে হবে। উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসন তাদের সার্বিক সহযোগিতা করবে।টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মোজাহিদুল ইসলাম জানান, পৌর এলাকাবাসী অভিযোগ করলে পৌরসভার সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে খাল ও ডোবা নালা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ ব্যাপারে পৌরসভার মেয়র সালমা আক্তার শিমুল বলেন, পৌরসভার নিজস্ব কোন জায়গা না থাকায় ময়লা আবর্জনা বিভিন্ন স্থানে ফেলা হয়। ইউজিপি প্রকল্পের মাধ্যমে ময়লা ফেলার ডাম্পিং ব্যবস্থা করা হবে। স্থানীয় এমপি, উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় পৌরসভার খাল, ডোবা-নালা উদ্ধার করা হবে।তিনি আরও জানান, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ কালভার্টসহ সার্বিক উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ প্রাপ্তি সাপেক্ষে পৌরসভার বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ দ্রুত করা হবে বলেও জানান তিনি।
149
মির্জাপুরে পৌরসভার আবর্জনায় ভরাট হচ্ছে ‘বারই খাল’
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১৮:১৩
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: 



করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়লেও ফের সাধারণ ছুটি বা লকডাউন ঘোষণার কোনও সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। সোমবার এক সরকারি তথ্য বিবরণীতে বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাসজনিত রোগের প্রাদুর্ভাবের কারণে দেশে লকডাউন বা সরকারি সাধারণ ছুটি নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি দেখা যাচ্ছে। সরকার সুস্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, করোনা ভাইরাসজনিত রোগের প্রাদুর্ভাবের কারণে লকডাউন বা সরকারি ছুটির বিষয়ে সরকার কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি।সরকার দাবি করছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ২০২০ সালের ২৩ মার্চের একটি ভিডিও অসৎ উদ্দেশ্যে ভাইরাল করা হচ্ছে। এ ধরণের অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্যসংবলিত প্রচারণার সাথে জড়িতদের বিষয়ে সরকার কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।প্রসঙ্গত, দেশে সম্প্রতি করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে গতকাল রোববার স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নানের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে লকডাউন বা সাধারণ ছুটি ঘোষণা নিয়ে দোলাচল সৃষ্টি হয়। পরে এনিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে ব্যাখ্যা দেওয়া হলেও ফেইসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা চলছিল।
151
‘লকডাউন বা ছুটির সিদ্ধান্ত হয়নি’
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১৮:২৯
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: 



বাংলাদেশ পুলিশের মোট নারী সদস্যের সংখ্যা ১৫ হাজার ১৬৩ জন। শতাংশ হিসেবে তা ৭.৯২। যা জাপানের নারী পুলিশের সমান।বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, পুলিশে নারীদের আরও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে নারী পুলিশের জীবন যাত্রার ডকুমেন্টারি দেখাতে হবে। এতে করে শিক্ষার্থীরা নারী পুলিশের প্রতি আরও বেশি আগ্রহী হবে।আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটরিয়ামে ‘জেন্ডার রেসপন্সিবল পুলিশিং : অ্যান অ্যাপ্রোচ অব বাংলাদেশ পুলিশ’শীর্ষক বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্ক (বিপিডব্লিউএন) আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।এসময় নারী পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে আইজিপি বলেন, ‘নিজেদের নারী বলে মনে করবেন না। অফিসার হিসেবে দাবি করবেন।‘আইজিপি বলেন, ‘এখন থেকে পুলিশে নিয়োগে সংখ্যা নয়, যোগ্যতা নিশ্চিত করা হবে। সেই সাথে নারী পুলিশ কর্মকর্তা নিয়োগে আলাদা নিয়োগ দেওয়া হবে। অংশগ্রহণের দিক থেকে বাংলাদেশের ওপর নারী পুলিশের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি আছে সুইডেনে। সুইডেনে নারী পুলিশ ৯ শতাংশ। ২০১৫ মধ্যে আমরাও আমাদের সংখ্যা ১১ শতাংশ করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু সেটা সম্ভব হয়নি। তবে শিগগিরই সেটা হবে।’বাংলাদেশের উন্নয়ন নিয়ে বেনজীর আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের জন্য বিস্ময়। গত ৫০ বছরে যে পাঁচটা দেশ দারিদ্র্যের শিকল ভাঙতে পেয়েছিল, বাংলাদেশে তাদের মধ্যে একটি।  একটা সময় আন্তর্জাতিক গুরুরা বলেছিলেন এ দেশ টিকবে না। সাড়ে সাত কোটি মানুষকে খাবার দিতে পারবে না। আমরা তাদের ভুল প্রমাণ করেছি। আমরা ঠিকই টিকে গেছি। এখন আমরা ১৬ কোটি মানুষের মুখে খাবার তুলে দেই। যার সম্পূর্ণ কৃতিত্ব আমাদের কৃষকের। আইজিপি বলেন, আজ এই অর্থনৈতিক উন্নতির পিছনে একটি কারণ আছে।  তা হল নারীদের উন্নয়ন। দারিদ্র্যের শিকল ভাঙ্গার পেছনে আজ বাংলাদেশ অনেকের কাছে মডেল হয়েছে। আর এটা সম্ভব হয়েছে শুধু নারীদের শিক্ষিত করতে পারার কারণে। বাংলাদেশ  এমন একটি দেশ যেখানে নারীরা ফ্রিতে পড়াশোনা করতে পারে। জাতি হিসেবে আমরা অনেক দূর এসেছি, আমাদের যেতে হবে বহুদূর। আমাদের স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ ঘটেছে। দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়ার প্রত্যয় বাস্তবায়নে নারী-পুরুষ সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
152
নারীদের সর্বোচ্চ অংশগ্রহণ নিশ্চিতে কাজ করছে পুলিশ
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১৮:৩৫
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: 



নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে রেজাউল (৪০) নামের এক ব্যক্তি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১০ জন। সোমবার (২২ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে মহাসড়কের শিমরাইল চিটাগাং রোডে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে যান চলাচল কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়।এ ঘটনায় পুলিশ জানায়, মহাসড়কে মোড় ঘোরানোর সময় দ্রুতগামী একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটিকে ধাক্কা দেয়। এসময় আরও ৩টি প্রাইভেট কার, ৩ টি পিকআপ ও ২ টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হয়। পরে পুলিশ ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করান।সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মোকলেছুর রহমান জানান, দুর্ঘটনায় ১ জন মারা গেছেন। তার মরদেহ এখনও সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় রাখা আছে। নিহতের স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। মহাসড়কে যান চলাচল এখন স্বাভাবিক রয়েছে।
153
নারায়ণগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১৮:৪৬
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: 



ঢাকা থেকে ভারতের নিউ জলপাইগুড়ি রুটের ট্রেন মিতালি এক্সপ্রেস চালুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হবে আগামী ২৭ মার্চ। ট্রেনটির সর্বনিম্ন ভাড়া হবে এসি চেয়ারে ২ হাজার ৭০৫ টাকা। এই ভাড়ায় একজন যাত্রী ঢাকা থেকে সরাসরি শিলিগুড়ি ভ্রমণ করতে পারবেন। আজ সোমবার দুপুরে রেলভবনে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন এমনটি জানিয়েছেন।ট্রেনের ভাড়া হবে প্রতিটি এসি বার্থ ৪ হাজার ৯০৫ টাকা, এসি সিট ৩ হাজার ৮০৫ টাকা ও এসি চেয়ার ২ হাজার ৭০৫ টাকা। তবে, পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের ক্ষেত্রে ভাড়া ৫০ শতাংশ কম হবে বলে জানান মন্ত্রী।রেল্মন্ত্রী জানিয়েছেন, ২৬ মার্চ মিতালী এক্সপ্রেস ট্রেনটি চালুর ঘোষণা দেওয়ার কথা থকলেও সেটি একদিন পিছিয়ে ২৭ মার্চ করা হয়েছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্রেনটি চলাচলের ঘোষণা দেবেন।তিনি জানান, আপাতত ভারতীয় রেক দ্বারা সপ্তাহে দুই দিন এই ট্রেনটি চলাচল করবে। ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট-চিলাহাটি-নিউ জলপাইগুড়ি রুটে সোমবার ও বৃহস্পতিবার এবং নিউ জলপাইগুড়ি-চিলাহাটি-ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট রুটে রোববার ও বুধবার চলাচল করবে ট্রেনটি। এই রুটের ট্রেনের ইমিগ্রেশন ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে ও চিলাহাটিতে হবে।কক্সবাজার রেললাইন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘আগামী বছর ডিসেম্বরের মধ্যে কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইনের কাজ সম্পন্ন করে ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজার ট্রেন চালু হবে।উল্লেখ্য, অর্ধ শতাব্দীর বেশি সময় বন্ধ থাকার পর ২০২০ সালের ১৭ ডিসেম্বর চালু হয় বাংলাদেশের চিলাহাটি থেকে ভারতের হলদিবাড়ি রুটে মালবাহী  ট্রেন চলাচল।
154
মিতালী এক্সপ্রেস’ চালুর ঘোষণা ২৭ মার্চ
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১৯:১৮
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: 



২০২০ সালে বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে চার হাজারেরও বেশিবার রূপ বদল করেছে করোনা ভাইরাস। যার ৩৪টি একেবারেই নতুন রূপ বলে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের গবেষকদের গবেষণায় উঠে এসেছে। গবেষকরা নতুন এসব রূপের নাম দিয়েছেন ‘বাংলা মিউটেশন’।নতুন রূপগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশী স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য পাওয়া গেছে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও চাঁদপুর অঞ্চলে।গবেষকরা জানিয়েছেন, এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর এর প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সার্স কভ-২ নামে জিনোমে পাওয়া গেছে ৪ হাজার ৬০৪ রকমের ভিন্নতা। পৃথিবীর অন্য কোথাও এতো পরিবর্তন দেখা যায়নি।সবচেয়ে বেশি বৈচিত্র্যময় জিনোম সিকুয়েন্স পাওয়া গেছে চট্টগ্রাম অঞ্চলে। এখানে একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া অঞ্চলের ভাইরাসের জিনোম সিকুয়েন্সের সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে ইউরোপ অঞ্চলের জিনোম সিকুয়েন্সের ভাইরাস।ডিসেম্বরের শুরুর দিক পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ডাটাবেস ‘গ্লোবাল ইনফ্লয়েঞ্জা সার্ভিলেন্স অ্যান্ড রেসপন্স সিস্টেম’-এ জমাকৃত বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পুর্ণাঙ্গ ও সম্পূর্ণ জিনোম সিকুয়েন্সগুলো নিয়ে করা এই গবেষণায় বাংলাদেশি সার্স কভ-২ এর সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সার্স কভ-২ এর জিনোম সিকুয়েন্সের।গবেষক দলের প্রধান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আদনান মান্নানের মতে, ‘এই মিউটেশন বা জিনগত ভিন্নতার কারণে ভাইরাসের সংক্রমণ ক্ষমতায় কোনো পরিবর্তন এসেছে কি না তা খতিয়ে দেখা খুব গুরত্বপূর্ণ। কোনো বিশেষ উপসর্গের পেছনে বাংলাদেশে স্বতন্ত্র মিউটেশনগুলো দায়ী কি না কিংবা কোন মিউটেশন থাকলে রোগীরা উপসর্গবিহীন হয় সেটাও দেখা প্রয়োজন। কারণ সাম্প্রতিক দেশে আনুপাতিক হারে উপসর্গবিহীন কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।গবেষক দলের অন্যতম প্রধান ইউএসটিসির শিক্ষক রাসেল দাশ বলেন, গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফলগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দিক হলো বাংলাদেশের ইউনিক মিউটেশনগুলো অঞ্চলভিত্তিক। যেমন কিছু কিছু জিনগত পরিবর্তন শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু জেলা বা অঞ্চলেই দেখা গেছে। ঢাকায় তিনটি সুনির্দিষ্ট জিনগত পরিবর্তন দেখা গেছে। যেটা আর কোথাও দেখা যায়নি।একইভাবে চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, বরিশাল, যশোর, মৌলভীবাজার ও ময়মনসিংহে নিজস্ব জেনেটিক ভিন্নতা ছিল। এক্ষেত্রে সেসব জেলার ভৌগলিক অবস্থান, জীবনযাপন এবং পরিবেশগত নিয়ামকগুলো হয়তো ভাইরাসকে বদলে দিতে ভূমিকা রেখেছে।গবেষণা সমন্বয়কারী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মাহবুব হাসানের মতে, এতো ইউনিক মিউটেশন থাকলে  দেশে নতুন কোনো ভেরিয়েন্ট বা প্রকরণ উদ্ভব হওয়ার খুব বড় একটা সম্ভাবনা থাকে। এক্ষেত্রে এসব মিউটেশন বহন করা ভাইরাসগুলো গবেষণাগারে দ্রুত নিয়ে পর্যবেক্ষণ করা উচিত ।গবেষকদলের মতে, বাংলাদেশের নতুন জিনগত মিউটেশনগুলোর বিরুদ্ধে সম্প্রতি উদ্ভাবিত ও প্রয়োগকৃত ভ্যাকসিন কতোটা কার্যকর সেটাও গবেষণা করে দেখা জরুরি। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের রোগীদের জন্য ভ্যাকসিনের নকশাতে কোনোরকম পরিবর্তন আনা দরকার কি না তা খুব দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে। এছাড়াও এলাকাভিত্তিক জিনোম সিকোয়েন্স করাও জরুরি বলেও মনে করছেন তারা।গবেষণার নেতৃত্বে ছিলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের শিক্ষক মাহবুব হাসান ও আদনান মান্নান এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউএসটিসি) শিক্ষক রাসেল দাশ। এছাড়াও তত্ত্বাবধানে ছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এস এম মাহবুবুর রশিদ ও ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক জুনায়েদ সিদ্দিকি। তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণে ছিলেন- মনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের হামিদ হোসাইন, নাজমুল হাসান এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আসমা সালাউদ্দিন, রাশেদুজ্জামান ও মেহেদী হাসান।
155
বাংলাদেশে একবছরে ৪ হাজারেরও বেশি রুপ বদলেছে করোনা ভাইরাস  
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১৯:২৫
category: স্বাস্থ্য
keywords: বাংলাদেশ, করোনা, করোনাভাইরাস
meta: এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর এর প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সার্স কভ-২ নামে জিনোমে পাওয়া গেছে ৪ হাজার ৬০৪ রকমের ভিন্নতা। সবচেয়ে বেশি বৈচিত্র্যময় জিনোম সিকুয়েন্স পাওয়া গেছে চট্টগ্রাম অঞ্চলে। এখানে একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া অঞ্চলের ভাইরাসের জিনোম সিকুয়েন্সের সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে ইউরোপ অঞ্চলের জিনোম সিকুয়েন্সের ভাইরাস।



বাংলাদেশের ৫০ বছর পূর্তিতে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্যটি জানিয়েছে লন্ডন বাংলাদেশ হাইকমিশন।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে এক বিশেষ শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন। গতকাল ২১ মার্চ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদকে পাঠানো এই বিশেষ শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছরপূর্তিতে রাষ্ট্রপতি ও বাংলাদেশের জনগণকে তাঁর আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। তিনি বাংলাদেশের অব্যাহত সম্মৃদ্ধি কামনা করেন।শুভেচ্ছা বার্তায় ব্রিটেনের রানি বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছরপূর্তিতে আমি অত্যন্ত আনন্দিত এবং এই বিশেষ মুহুর্তে আপনাকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি ও একই সঙ্গে বাংলাদেশের জনগণকে জানাচ্ছি শুভ কামনা। আমাদের পারস্পরিক সম্পকের্র ভিত্তি গভীর বন্ধুত্বের ও সৌহার্দের এবং এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য ৫০ বছর আগের মতো আজো অটুট রয়েছে। আমি আশা করি, একটি কঠিন বছরের পর বৈশ্বিক স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলা করে আমাদের আগামী দিনগুলো আবারও সুন্দর হয়ে উঠবে।
156
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে রানি এলিজাবেথের শুভেচ্ছা
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ১৯:৪৪
category: বিশ্ব
keywords: 
meta: আমাদের পারস্পরিক সম্পকের্র ভিত্তি গভীর বন্ধুত্বের ও সৌহার্দের এবং এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য ৫০ বছর আগের মতো আজো অটুট রয়েছে



হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে অবস্থিত বিবিয়ানা বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সর্ভিস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের অগ্নি নির্বাপক কর্মীদের প্রায় ১ ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। সোমবার (২২ মার্চ) সকাল ৯টায় এ ঘটনা ঘটে।এ বিষয়ে নবীগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের অফিসার জাকির আহমেদ বলেন, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে। বতর্মানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি।বিবিয়ানা পাওয়ার প্ল্যান্টের সহকারী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদ আহম্মেদ বলেন, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে পাওয়ার প্ল্যান্টের প্যানেল বোর্ডে অগুন লাগে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
157
বিবিয়ানা বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ড
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ২০:১৯
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: 



মৌলভীবাজারের জুড়ি উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়নের বটুলি সীমান্তে নিহত বাংলাদেশি যুবক আব্দুল মোমেন বাপ্পার মরদেহ হস্তান্তর করেছে বিএসএফ। আজ সোমবার বিকেলে বিজিবির কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।বিজিবি ফুলতলা ক্যাম্প জানায়, বিজিবি-বিএসএফ একাধিক বৈঠকের আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ সোমবার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে বটুলি গ্রামের আব্দুল মোমেন বাপ্পার মরদেহ হস্তান্তর করে বিএসএফ। এ সময় ফুলতলা ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার দেলোয়ার ,জুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সঞ্জয় চক্রবর্তীসহ বিজিবি ৫২ ক্যাম্প ও জুড়ী থানার অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এরপর নিহতের পরিবারের কাছে বাপ্পার মরদেহ হস্তান্তর করে পুলিশ।প্রসঙ্গত, ১৯ মার্চ ভোর রাতের কোনো এক সময় বটুলি সীমান্তে ভারতীয় অংশে কয়েকজন বাংলাদেশি অবৈধভাবে প্রবেশ করলে বিএসএফ গুলি চালায়। এতে সবাই পালিয়ে গেলেও আব্দুল মোমেন বাপ্পা নামের বাংলাদেশি যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।
158
নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর করল বিএসএফ
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ২০:৪২
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: 



১৩০ কোটি (১.৩ বিলিয়ন) ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিলিট করেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। ২০২০ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে এ কর্মযজ্ঞ চালানো হয়েছে। ফেসবুকে ভুয়া তথ্য ছড়ানো রোধেও কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটির ৩৫ হাজার কর্মী। সোমবার তথ্যটি নিশ্চিত করেছে ফেসবুক ইনক।কোভিড-১৯, করোনা ভ্যাকসিন বিষয়েও ফেসবুকে অনেক ভুল তথ্য ছড়ানো হয়েছে। অনেকেই করোনা ভাইরাস, ভ্যাকসিনকে মিথ্যা দাবি করেছেন। এমন ১ কোটি ২০ লাখের (১২ মিলিয়ন) বেশি পোস্ট শনাক্ত করে মুছে দেয়া হয়েছে। একটি ব্লগ বিট.আই/৩৯৪ আরনির এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
159
কোটি কোটি অ্যাকাউন্ট-পোস্ট ডিলিট করল ফেসবুক
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ২০:৫৫
category: প্রযুক্তি, সোশ্যাল মিডিয়া
keywords: 
meta: 



ভারতের গুয়াতলায় অবস্থিত অটরামঘাট বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে ৮১ বছর পরে একটি বাঘ দেখা গেছে। এর আগে সর্বশেষ ১৯৪০ সালে এখানে বাঘ দেখা যায়। বাঘটি ইয়াওয়াতমালের টিপেশ্বর অভয়ারণ্য থেকে খাবারের সন্ধানে প্রায় ৩৩০ কিলোমিটার দূরের এই অভয়ারণ্যে এসেছে। অটরামঘাট অভয়ারণ্যের কর্মকর্তারা সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে এ তথ্য জানিয়েছে।কর্মকর্তাদের ধারণা, এটি একটি পুরুষ বাঘ। ১১-১২ মার্চ বাঘটি এ অভয়ারণ্যে এসেছে। ১৫ ই মার্চ এটি বনের ক্যামেরায় ধরা পড়ে। তবে বাঘটি কোন পথে এতদূর এসেছে তা জানা যায়নি।বাঘটির উপর নজর রাখতে সাতটি দল গঠন করেছে অভয়ারণ্য কর্তৃপক্ষ। গুয়াতলা শিকার ধরার একটি উপযুক্ত জায়গা। বাঘটি বুনো শুয়োর শিকার করেছে বলেও ক্যামেরায় ধরা পড়েছে।বন্যপ্রাণী বোর্ডের সদস্য যাদব তারতে পাতিল বলেন, ‘একটি বাঘ আশেপাশের ২ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত চলে যেতে পারে। এই বিস্তৃত এলাকাকে বাঘের আবাসভূমি হিসাবে ঘোষণা করা উচিত। যে পথে প্রাণীরা নিয়মিত যাতায়াত করে তার রক্ষণাবেক্ষণও প্রয়োজন।’আরও পড়ুনবাঘও কাঁপে বুনো কুকুরের ভয়েবিরল ঘটনা: এতিম শাবকদের লালনপালন করছে পুরুষ বাঘজিম করবেট: জাত শিকারি থেকে পশুপ্রেমী এক যাযাবরসত্যি, বাঘ আছে পাহাড়ে
160
গুয়াতলায় ৮১ বছর পর বাঘ দেখা গেল
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ২১:০৯
category: পরিবেশ
keywords: 
meta: 



হবিগঞ্জের মাধবপুরে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধারের ১২ দিন পরেও মেলেনি পরিচয়। গত ১১ মার্চ কয়েকটি কুকুর ওই তরুণীর বস্তাবন্দি মরদেহ খুরধর বিলের একটি গর্ত থেকে টেনে বের করে।  বিষয়টি দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে।মাধবপুর থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এখনো নিহত তরুণীর পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। ইতোমধ্যে ডিএনএ টেস্টের জন্য আলামত ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।ওসি আরো বলেন, যেহেতু মরদেহটি গর্তে লুকানো ছিলো, তাই আমরা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি  ওই তরুণীকে খুন করা হয়েছে।
161
তরুণীর মরদেহ উদ্ধারের ১২ দিনেও মেলেনি পরিচয়
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ২১:৩২
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: 



নোয়াখালীর সদর, সুবর্ণচর, কবিরহাট, সেনবাগ ও বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলায় চলতি মৌসুমে আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। উপজেলাগুলোর মধ্যে হাতিয়ায় সবচেয়ে বেশি আলু উৎপাদন হওয়ায় চাষীদের মাঝে খুশির আমেজ বিরাজ করছে।কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, নোয়াখালী জেলায় এবার ২’শ ৩০ হেক্টর জমিতে আলুর চাষ হয়েছে। আর উৎপাদন হয়েছে ৫ হাজার ৭’শ ৫০ মেট্রিকটন আলু।চাষীদের দাবী, কৃষি বিভাগ থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ সহযোগিতা ফেলে ভবিষ্যতে এ ফলন আরও বাড়ানো সম্ভব হবে। আলু চাষীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে জমি প্রস্তুত করে তাতে আলুর বীজ বপন করেন তারা। প্রায় তিন মাস দীর্ঘ পরিচর্যা শেষে মার্চ মাসে মাঝামাঝি সময়ে ফলন উত্তোলন করতে শুরু করেন। আলু উত্তোলনের কাজ চলে মার্চের শেষ পর্যন্ত। প্রতি শতক জমিতে চাষ বাবদ খরচ হয় ১৫-১৬’শ টাকা। আলুক্ষেতে পোকামাকড়ের আক্রমণ না হলে খরচ কিছুটা কম হয়। প্রতি মণ আলু পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হয় ৪৭০-৫০০টাকা করে।চাষিরা আক্ষেপ করে বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেরমত নোয়াখালীতে কোল্ডস্টোরেজের ব্যবস্থার থাকলে একসাথে সবগুলো বিক্রি না করে পরবর্তীতে কিছু বিক্রি করলে ভালো লাভ পাওয়া যেত। অন্যদিকে, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে তাদের কোন সহযোগিতা করা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তারা।    কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সড়কের পাশে অটোরিকশা ও টমটম দাঁড় করে রেখেছে আলু ব্যবসায়ীরা। শ্রমিক দিয়ে সেই গাড়ীগুলোতে আলু তুলে দেওয়া হচ্ছে। চাষীদের পরিবারের নারী ও শিশুসহ প্রায় সকল সদস্য আলু তোলার কাজ করছে। হাতিয়ার চাষীরা বেড়ি বাঁধের বাইরে লোনা জমিতে আলু চাষ করে গত কয়েক বছর ধরে নিজেদের আর্থিক অবস্থার অনেকটাই পরিবর্তন করেছে।হাতিয়ার বুড়রিচর ইউনিয়নের পরিক্ষিত বাজার এলাকার আলু চাষী হাজী আবুল কালাম জানান, বাবার আমল থেকে আলু চাষের সাথে আমাদের পরিবার জড়িত। চলতি মৌসুমে ৮০ শতক জমিতে আলু চাষ করেছি। সবকিছু মিলে ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আলুর উৎপাদন হয়েছে ২’শ মণ। পাইকারের কাছে প্রতি মণ আলু ৪৭০ টাকা করে বিক্রি করেছেন তিনি। এ মৌসুমে ভালো লাভ হয়েছে তাই আগামী মৌসুমে চাষের জমির পরিমাণ আরও বাড়াবেন বলে জানান তিনি।     বড়দেইল গ্রামের রিতা জানান, এ মৌসুমে তিনি ২৪ শতক জমিতে আলু চাষ করেছেন। তার  পরিবারের মোট সদস্য তিনজন। নিজেদের পাশাপাশি আরও দুইজন নারী শ্রমিক নিয়ে আলু তোলার কাজ করছেন তিনি। কাজ শেষে তাদের দুই জনের মজুরি বাবদ ১০ কেজি করে আলু দিতে হয়। আলুর বাম্পার ফলন হওয়ায় খরচ গায়ে লাগছে না। আলুর বর্তমান মূল্য কিছুটা উঠা নামা করছে। তবে কিছুদিন গেলে মণ প্রতি ভালো দাম পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।বুড়িরচর ইউনয়িনের চাষী নুরুল আমিন বলেন, বেড়িবাঁধের বাইরে লোনা জায়গায় নিজেদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আলু চাষ করে আসছেন তারা। যেসব জমি লোনা পানিতে প্লাবিত হয় সে জমিগুলোতে আলু চাষ ভালো হওয়ার কথা না থাকলেও বর্তমানে ভালো ফলন হচ্ছে।সুবর্ণচর উপজেলার কৃষক আবদুল মতিন জানান, চলতি মৌসুমে বাদাম, খেসারির পাশাপাশি ২০ শতক জমিতে তিনি আলু চাষ করছেন। ফলনও ভালো হয়েছে, দামও ভালো পাওয়া যাচ্ছে। আগামীতে কিছু রবি শষ্য কম চাষ করে আলুর জমির পরিমাণ বাড়াবেন বলে জানান তিনি।  আলু বেপারীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েকবছর ধরে বিভিন্ন গ্রাম থেকে তারা আলু ক্রয় করে আসছেন। এ আলু বিভিন্ন বাজারে নিয়ে খুচরা বিক্রি করেন তারা। এখন মৌসুম হওয়ায় তাদের দিনের বেশীরভাগ সময় কাটে বিভিন্ন আলু ক্ষেতে। গড়ে প্রতিদিন ৫-৬’শ মণ আলু ক্রয় করেন তারা। তাদের মধ্যে অনেকেই আবার চুক্তিভিত্তিক চাষীদের থেকে ক্ষেতে থাকা অবস্থায় আলু ক্রয় করেন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আইয়ুব মাহমুদ জানান, চলতি মৌসুমে জেলার ৫টি উপজেলায় ২৩০ হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে। উৎপাদন হয়েছে ৫,৭৫০ মেট্রিকটন আলু। যার মধ্যে হাতিয়া ১৮০ হেক্টর, সুবর্ণচরে ২৫ হেক্টর, কবিরহাটে ১৫ হেক্টর, সদরে ৫ ও সেনবাগে ৫ হেক্টর জমি রয়েছে। এইবার সবচেয়ে হাতিয়ায় আলুর উৎপাদন বেশি হয়েছে বলেও জানান তিনি। কৃষকদের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও উদ্বুদ্ধকরণ সভা করা হয়। এছাড়াও সরকারি মূল্যে ১৬ টাকা করে কৃষকদের মাঝে ইউরিয়া সার প্রদান করা হয়েছে।
162
নোয়াখালীতে আলুর বাম্পার ফলন
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ২১:৪৮
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: চলতি মৌসুমে নোয়াখালীর ৫টি উপজেলায় ২৩০ হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে। উৎপাদন হয়েছে ৫,৭৫০ মেট্রিকটন আলু। যার মধ্যে হাতিয়া ১৮০ হেক্টর, সুবর্ণচরে ২৫ হেক্টর, কবিরহাটে ১৫ হেক্টর, সদরে ৫ ও সেনবাগে ৫ হেক্টর জমি রয়েছে। প্রতি মণ আলু পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হয় ৪৭০-৫০০ টাকা করে। ফলে অধিক লাভবান হচ্ছে কৃষকরা।



‘প্রিয় দেশবাসী, আমি সমস্যায় আছি। আমি মৃত্যুর বিরুদ্ধে লড়ছি। এর মাঝেও আমি আপনাদের পরিবর্তনের পক্ষে দাঁড়ানোর এবং ভোট দেওয়ার জন্য বলছি। নিজের সন্তানের ভবিষ্যতের জন্যই আপনাকে এটি করতে হবে।’ গত শনিবার মৃত্যুশয্যা থেকে এ আহ্বান জানিয়েছিলেন কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের প্রধান বিরোধী দলীয় প্রেসিডেন্ট প্রার্থী গাই ব্রাইস পারফেইট কোলেলাসের।কঙ্গোতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ছিল গতকাল রোববার। এতে প্রেসিডেন্ট ডেনিস সাসৌ নাগুয়েসোর বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন কোলেলাস। তবে ভোটের ফলটা দেখে যেতে পারলেন না কোলেলাস। রোববার ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই তাঁর মৃত্যু হয়।কোলেলাসের প্রচার পরিচালকের বরাত দিয়ে আজ সোমবার বিবিসি জানায়, কোলেলাস বেশ কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ। চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হলে তাঁর করোনা শনাক্ত হয়। শনিবার তাঁর অবস্থার অবনতি ঘটে। উন্নত চিকিৎসার জন্য রোববার তাঁকে ফ্রান্সে নিয়ে যাওয়ার পথে উড়োজাহাজে মারা যান।অসুস্থতার কারণে শুক্রবার নির্বাচনী প্রচারের চূড়ান্ত অনুষ্ঠানেও উপস্থিত থাকতে পারেননি ৬০ বছর বয়সী কোলেলাস। বাবা বার্নার্ড কোলেলাসের মৃত্যুর পর ২০১০ সালে গাই ব্রাইস পারফেইট কোলেলাস কঙ্গো-ব্রাজাভিলের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল কঙ্গোলিজ মুভমেন্ট ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইন্টিগ্রাল ডেভেলপমেন্টের প্রেসিডেন্ট হন।১৯৯২ সালের পর পাঁচ বছর ছাড়া ১৯৭৯ সাল থেকে টানা দেশটির প্রেসিডেন্ট পদে আছেন ডেনিস সাসৌ নাগুয়েসো। এই নাগুয়েসোর বিপক্ষে জয়ের চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন কোলেলাস। ২০১৬ সালের নির্বাচনে নাগুয়েসো ৬০ শতাংশ ভোট পান। বিপরীতে ১৫ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন কোলেলাস। এবার ‘ফাইট ফর চেঞ্জ’ স্লোগানে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী ছিলেন কোলেলাস।সম্প্রতি এক সমাবেশে কোলেলাস বলেন, ‘নির্বাসনে থাকাকালেও আমার বাবা আমাকে রাজনৈতিক লড়াই চালিয়ে যেতে বলেছিলেন। আমাদের ১২ ভাইবোনের মধ্যে শুধু আমাকেই তিনি এ নির্দেশ দিয়েছেন।’ ২০০৩ সালে মায়ের দাফনের জন্য তিনি কঙ্গোতে ফিরে আসেন।১৯৯০ সালে কোলেলাসের বাবার দল এমসিসিআই এবং নাগুয়েসোর দল পিসিটির মধ্যে চুক্তি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৯ সালে কোলেলাস মৎস্যমন্ত্রী হিসেবে সরকারে যোগ দেন। পরে তিনি জনসেবা মন্ত্রীও হন।তবে সংবিধান পরিবর্তন করে নাগুয়েসো দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় থাকতে চাইলে প্রতিবাদ করেন কোলেলাস। এতে তাঁদের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়। ২০১৬ সালে নিজ দল ইউনিয়ন অব ডেমোক্রেটিক হিউম্যানিস্টস (ইউডিএইচ-ইউকি) প্রতিষ্ঠা করে তিনি নির্বাচনে অংশ নেন।কঙ্গোতে এ পর্যন্ত নয় হাজারের বেশি মানুষের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। মারা গেছেন ১৩০ জন। দেশটিতে রাত্রিকালীন কারফিউ ও লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।উল্লেখ্য, দেশটির নির্বাচনী বিধিমালা অনুযায়ী কোন প্রার্থী মারা গেলেও নির্বাচন স্থগিত হয় না।
163
ভোটে নয়, করোনার কাছে হারলেন কোলেলাস
প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২১, ২২:০৯
category: বিশ্ব
keywords: 
meta: 



যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো অঙ্গরাজ্যে একটি মুদি বাজারে বন্দুকধারীর হামলায় এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ কমপক্ষে ১০ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় সন্দেহভাজন একজনকে আটক করা হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় রোববার (০২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ২টা ৩০ মিনিটে হামলাকারী কলোরাডো অঙ্গরাজ্যের বোলডারের একটি মুদি বাজারে ঢুকে গুলি চালানো শুরু করে।মার্কিন পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সন্দেহভাজন হামলাকারীর সঙ্গে পুলিশের এক ঘণ্টা বন্দুকযুদ্ধ চলে। পরে তাকে আহত অবস্থায় আটক করা হয়।এই গোলাগুলির ঘটনা লাইভ স্ট্রিমে দেখিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। ইউটিউবে সেটি ভাইরাল হয়ে গেছে। তবে এই হামলার ঘটনা পেছনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। এছাড়া সন্দেহভাজন বন্দুকধারীর বিষয়েও তেমন কিছু জানা যায়নি।এক টুইট বার্তায় কলোরাডোর গভর্নর জেয়ার্ড পোলিশ শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এই শোক এবং বিষাদের সময়ে হতাহতদের পরিবারের জন্য আমি প্রার্থনা করি।মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে এই হামলার বিষয়ে অবগত করা হয়েছে বলে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
164
যুক্তরাষ্ট্রে মুদি বাজারে বন্দুকধারীর হামলায় নিহত ১০
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১০:৪৪
category: বিশ্ব
keywords: যুক্তরাষ্ট্র
meta: 



সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগে চীনা কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বেশ কয়েকটি পশ্চিমা দেশ। গত সোমবার(২৩ মার্চ) এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও কানাডা সম্মিলিতভাবে চীনের কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।  নিষেধাজ্ঞার আওতায় চীনের চারজন ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানের সম্পদ জব্দ করা এবং তাদের ভ্রমণের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়াদের মধ্যে জিনজিয়াংয়ের পুলিশ প্রধানও রয়েছেন।এদিকে পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের ওপর পাল্টা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে চীন। অভিযোগ রয়েছে, চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জিনজিয়াং প্রদেশে ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরি করে উইঘুরদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে চীন।  তবে বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে শি জিন পিং প্রশাসন।সূত্র: বিবিসি
165
উইঘুর নির্যাতন: চীনের ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১১:৩০
category: বিশ্ব
keywords: 
meta: 



অস্ট্রেলিয়ায় অর্ধশতকের মধ্যে ভয়াবহতম বন্যায় ভেসে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকা। এর মধ্যে দেখা দিয়েছে মাকড়সা ও সাপের উপদ্রব। আবাদি জমি, এমনকি বাসাবাড়িতে বিভিন্ন বন্যপ্রাণির উপদ্রবও বাড়ছে।শনিবার পূর্ব উপকূলে একটি বড় বাঁধ ভেঙে নদী উছলে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার, নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের প্রধানমন্ত্রী গ্ল্যাডিস বেরেজিক্লিয়ান জানান,  বন্যাকবলিত অঞ্চল থেকে প্রায় ১৮ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।ম্যাট লাভনফসেস নামে এক স্থানীয় ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু ছবি প্রকাশ করেছেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, বন্যার পানিতে চারদিক ছয়লাব। তার বাড়িতে উঠে এসেছে হাজার হাজার মাকড়সা। ২০০১ সাল এবং ২০১৩ সালের বন্যায়ও একই অভিজ্ঞতা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।   লাভনফসেস বলেন, শুধু মাকড়সা না, বিষাক্ত সাপও বাড়িতে উঠে এসেছে। তাদের নৌকাতেও সাপ দেখা গেছে। অনেক সময় মাকড়সা বা সাপ পা বেয়ে গায়ে উঠে যায়। সেখানকার মানুষ নিরাপদে বাস করতে পারছে না।ম্যাক্সভিল থেকে মেলানিয়া উইলিয়ামস নামেও একজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একই বিষয় উল্লেখ করে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন। সেটিতে তিনি দেখান, বন্যার পানি থেকে অনেক মাকড়সা গ্যারেজের দরজা দিয়ে হামাগুঁড়ি দিয়ে ধেয়ে আসছে।সূত্র: সিএনএন
166
বন্যায় অস্ট্রেলিয়ায় বেড়েছে মাকড়সা আর সাপের উপদ্রব
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১১:৪৫
category: বিশ্ব
keywords: 
meta: 



একদিন যন্ত্রের  স্ক্রিনে না তাকালেই ২ হাজার ৪০০ ডলার বা দুই লক্ষাধিক টাকা পাওয়ার সুযোগ করে করে দিয়েছে মার্কিন কোম্পানি রিভিউস ডট ওআরজি। কোম্পানিটি যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন পণ্যের হোম সার্ভিস সুবিধা দিয়ে থাকে।কোম্পানিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যদি আপনার যন্ত্র থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার মাধ্যমে অর্থ আয় করার ইচ্ছা থাকে তাহলে এটি আপনার জন্য বড় সুযোগ। জানা গেছে, প্রতিযোগিতা চলাকালে প্রতিযোগীরা সেলফোন, কম্পিউটার, স্মার্টঘড়ি এবং অন্যান্য স্মার্ট যন্ত্রপাতির দিকে তাকাতে পারবেন না। তবে মাইক্রোওয়েভের স্ক্রিনের ক্ষেত্রে এই শর্ত শিথিলযোগ্য।কোম্পানিটি জানায়, প্রতিযোগীদের কাছ থেকে ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যগুলো সরিয়ে নেওয়া হবে। পাশাপাশি তারা যাতে কোনো সমস্যায় না পড়েন সে জন্য তাদের ২০০ ডলার বা ১৭ হাজার টাকা সমমূল্যের পণ্য অ্যামাজনের গিফট কার্ড দেওয়া হবে। এ দিয়ে তারা কিনবে পারবেন ‘সারভাইভাল কিট’।সারভাইভাল কিটের মধ্যে থাকছে, কম্পিউটারের পরিবর্তে টাইপরাইটার, ডিজিটাল টেক্সটের বদলে লেখার জন্য কাগজ এবং ছবি আঁকার জন্য রঙ এবং তুলি। কীভাবে তারা স্ক্রিনে তাকানো ছাড়া ওই সার্ভাইভাল কিটগুলো ব্যবহার করছেন তা নিয়ে একটি পর্যালোচনা লিখতে হবে। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে চাইলে আগামী ২৬ মার্চ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। জয়ীদের নাম কোম্পানিটির ইউটিউব পেজে জানিয়ে দেওয়া হবে।সূত্র: সিএনএন
167
মাত্র ২৪ ঘণ্টা স্ক্রিনে না তাকালেই মিলবে ২ লক্ষাধিক টাকা
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১১:৫৮
category: প্রযুক্তি
keywords: 
meta: 



বার্তা আদান প্রদানের প্লাটফর্ম ডিসকোর্ড ইনকরপোরেশন কেনার বিষয়ে আলোচনা করছে মাইক্রোসফট। এক হাজার কোটি ডলারেরও বেশি অর্থে কোম্পানিটি অধিগ্রহণের বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু করেছে তারা।ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ডিসকোর্ড কেনার বিষয়ে বেশ কয়েকটি বড় কোম্পানি আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে মাইক্রোসফট অন্যতম। তবে এই আলোচনা-সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেছেন, ডিসকোর্ড বিক্রি করে দেওয়ার বদলে বরং পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।এর আগে ভেঞ্চারবিট এক প্রতিবেদনে জানায়, ডিসকোর্ড বিক্রি করে দেওয়ার চেষ্টা করছে কর্তৃপক্ষ। এমনকি একটি কোম্পানির সঙ্গে আলোচনায় তারা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।এ ব্যাপারে মাইক্রোসফট বা ডিসকোর্ড কেউই কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।গত ডিসেম্বরে ডিসকোর্ডের বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হয় ৭০০ কোটি ডলার। এই প্লাটফর্মটিতে ব্যবহারকারীরা সমন্বিত গ্রুপে গেম খেলা, আলোচনা এমনকি ভার্চুয়াল পার্টিও করতে পারেন।এদিকে এক্সবক্সকে আরো বেশি শক্তিশালী এবং ভিডিও গেমে ব্যবহারকারীদের নতুন অভিজ্ঞতা দিতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে মাইক্রোসফট। এরই অংশ হিসেবে গত বছর তারা ৭৫০ কোটি ডলারে জেনিম্যাক্স মিডিয়া কিনে নেয়। গেমিং ইন্ডাস্ট্রিতে এটিই সবচেয়ে বড় কোনো অধিগ্রহণের ঘটনা।করোনা মহামারীতে বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ ঘরে থাকার কারণে গেমিং শিল্পে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি এসেছে। লকডাউনে বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে ভিডিও গেম।গেমিং ব্যবসা শক্তিশালী করার পাশাপাশি সোস্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মেও বড় বিনিয়োগ করছে মাইক্রোসফট। সোস্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগটি তারা করে ২০১৬ সালে। ওই সময় ২ হাজার ৬২০ কোটি ডলারে লিঙ্কডইন কিনে নেয়। তবে গত বছরের সেপ্টেম্বরে টিকটকের যুক্তরাষ্ট্র অংশ কিনে নেওয়ার আলোচনা শেষ মুহূর্তে গিয়ে ভেস্তে যায়।সম্প্রতি ফিন্যানসিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ছবি শেয়ারের প্লাটফর্ম পিন্টারেস্ট অধিগ্রহণের বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে মাইক্রোসফট।সূত্র: ব্লুমবার্গ
168
হাজার কোটি ডলারে মেসেজিং প্লাটফর্ম কিনছে মাইক্রোসফট!
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১২:১৩
category: প্রযুক্তি
keywords: 
meta: 



কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী ৮ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অগ্নিকাণ্ডে শত শত বাড়িঘর পুড়ে গেছে। এখন পর্যন্ত অন্তত সাত জনের মৃতদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে। মৃতদেহ উদ্ধারের বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক তারিকুল ইসলাম।গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরের একটি ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে স্থানীয় সূত্র জানায়। দ্রুতই আশেপাশের বসতিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। রাত ১০টার দিকে আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. সামছুদ্দৌজা বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, এই ঘটনায় ৯ হাজার ৬০০ ঘর পুড়ে গেছে।চট্টগ্রামের দমকল নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাত ১টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও এখনো ধোঁয়া উড়ছে এবং সেখানে দমকলের তিনটি ইউনিট কাজ করছে।আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও এখনো অনেক জায়গা থেকে ধোঁয়া উড়ছে। আমাদের টিমগুলো এখনো ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ক্যাম্প থেকে এক কথা বলেন ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।
169
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন, ৭ মৃতদেহ উদ্ধার
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১২:২৮
category: সারা দেশ
keywords: বাংলাদেশ
meta: 



দক্ষিণ চীনের গুয়াংঝু প্রদেশের মিংজিং গ্রামে সরকারি অফিসে বোমা হামলায় কমপক্ষে চার জন নিহত হয়েছেন।  স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার সকালে এই ঘটনা ঘটে। চীনা কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে এমনটি জনিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।স্থানীয় পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ৫৯ বছর বয়সী এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি সরকারি অফিসটিতে গিয়ে ঘরে তৈরি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এই হামলায় সন্দেহভাজন ব্যক্তিও নিহত হয়েছেন।চীনের সংবাদমাধ্যম জিয়েমিয়ানে ঘটনাস্থলের ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। ছবিতে দেখা যায়, অফিসের দেয়ালে রক্তের দাগ এবং দুইজন লোক মাটিতে অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম গুয়াংজু ডেইলির খবরে বলা হয়েছে, গ্রামের সরকারি অফিসটিতে হামলার দিন জমি সংক্রান্ত বিরোধের নিষ্পত্তি হওয়ার কথা ছিল।প্রতিবেদনে বলা হয়, পর্যটক আকৃষ্ট করতে মিংজিং গ্রামের ২৭০ একর জমি সাংহাই-এর একটি ডেভেলপার কোম্পানিকে দিয়েছে সরকার। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনের জন্য ৮০০ কোটি ইউয়ান দেওয়া হবে বলে জানানো হয়। স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, এই ক্ষতিপূরণের টাকা নিয়েই বিরোধ তৈরি হয়।গ্রামকে শহরে রূপান্তরের জন্য চীনে কৃষকদের উচ্ছেদের ঘটনা প্রায়ই ঘটে। এসব ঘটনা দেশটিতে সামাজিক বিশৃঙ্খলাও তৈরি করে।সূত্র: এএফপি
170
চীনে সরকারি অফিসে বোমা হামলায় নিহত ৪
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১২:৪০
category: বিশ্ব
keywords: 
meta: 



জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার সকালে ঢাকায় পৌঁছেছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং।   বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। পরে সশস্ত্রবাহিনীর একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার দেন।   ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিব শতবর্ষ উদযাপনে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে আয়োজিত ‘মুজিব চিরন্তন’ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।
171
ঢাকায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রী
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১৩:০১
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: 



চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমে সিচুয়ান প্রদেশের একটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন থেকে তিন হাজার বছর পুরনো একটি শিল্পকর্ম উদ্ধার করেছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। নতুন আবিষ্কৃত ছয়টি ‘বলির বেদি’ খনন করে পাঁচশর বেশি বিভিন্ন বস্তু ‍উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম একটি স্বর্ণের মুখোশ। ২৮০ গ্রাম ওজনের মুখোশটি প্রায় ৮৪ শতাংশ স্বর্ণের তৈরি। এটি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পরা হতো বলে ধারণা করা হচ্ছে।চীনের ন্যাশনাল কালচারাল হেরিটেজ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এ তথ্য জানিয়েছে। সিচুয়ান প্রদেশের রাজধানী চেংদুর বাইরে সানসিংদুইয়ে ৪ দশমিক ৬ বর্গমাইল আয়তনের এলাকাজুড়ে নিদর্শনগুলো পাওয়া গেছে। কিছু বিশেষজ্ঞ বলছেন, আবিষ্কৃত জিনিসগুলো সু রাজ্যের নিদর্শন বহন করে। ৩১৬ খ্রিস্টাপূর্ব পর্যন্ত এই রাজ্য পশ্চিমা সিচুয়ান নদীর অববাহিকাজুড়ে বিস্তৃত ছিল।   ওই এলাকায় স্বর্ণের মুখোশ ছাড়াও প্রত্নতাত্ত্বিকরা ব্রোঞ্জ, স্বর্ণপত্র এবং হাতির দাঁত, রত্নপাথর ও হাড়ের তৈরি শিল্পকর্ম আবিষ্কার করেছেন। ছয়টি নির্দশন এলাকার মধ্যে বৃহত্তমটির আয়তন ১৯ বর্গমিটার। এখানে ডালাবন্ধ কাঠের বাক্স এবং পেঁচার নকশাকৃত একটি ব্রোঞ্জের পাত্রও পাওয়া গেছে।১৯২০ সাল থেকে এ পর্যন্ত সানসিংদুইয়ে ৫০ হাজারেরও বেশি প্রাচীন নিদর্শন পাওয়া গেছে। ঘটনাক্রমে স্থানীয় এক কৃষক এ স্থানের একটি প্রাচীন নির্দশনের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কার করেন। এরপরই শুরু হয় খনন ও অনুসন্ধান। ১৯৮৬ সালে দুটি নিদর্শন এলাকা থেকে এক হাজার বস্তু পাওয়া যায়।   খনন কাজের দীর্ঘ বিরতির পর ২০১৯ সালে তৃতীয় নিদর্শন স্থান আবিষ্কার করা হয়। এর পর গত পাঁচ বছরের বিভিন্ন নিদর্শন আবিষ্কার করা হয়েছে।সূত্র: সিএনএন
172
৩০০০ বছর পুরনো স্বর্ণের মুখোশ আবিষ্কার
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১৩:২৬
category: বিশ্ব
keywords: 
meta: 



‘চিফ ক্যাশ অফিসার/ ক্যাশ অফিসার, ব্রাঞ্চ’ পদে জনবল নেবে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক। আগ্রহীরা আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।প্রতিষ্ঠানের নাম- বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকপদের নাম- ‘চিফ ক্যাশ অফিসার/ ক্যাশ অফিসার, ব্রাঞ্চ’শিক্ষাগত যোগ্যতা- স্নাতকোত্তরঅভিজ্ঞতা-  এক থেকে আট বছরবেতন- আলোচনা সাপেক্ষেচাকরির ধরন- ফুলটাইমপ্রার্থীর ধরন-  নারী-পুরুষবয়স- নির্ধারিত নয়কর্মস্থল- যেকোন স্থান আবেদনের নিয়ম- বিডি ক্যারিয়ার থেকে আবেদন করতে পারবেন
173
চাকরির সুযোগ দিচ্ছে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১৪:৩৪
category: ক্যারিয়ার
keywords: 
meta: 



পি কে হালদারের কথিত বান্ধবী অবন্তী বড়ালের ভুল ছবি ব্যবহার করছে সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীরা। সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা লুট করে বিদেশে পালিয়ে যাওয়া প্রশান্ত কুমার হালদারের (পিকে হালদার) বান্ধবী অবন্তিকা বড়ালকে ১৩ জানুয়ারি ধানমণ্ডি থেকে গ্রেফতার করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এদিন তাকে পুলিশের বিশেষ জ্যাকেট পরিহিত অবস্থায় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দেখা যাচ্ছিল। মাস্ক পরিহিত অবন্তীর সাথে গণমাধ্যমকর্মীরা কথা বলার চেষ্টা করলেও তিনি মুখ খোলেননি। একই দিন ডেইলি স্টারে প্রকাশিত সংবাদে একটি চেয়ারে বসে থাকা তার একটি স্পষ্ট ছবি প্রকাশিত হয়। অন্যদিকে সারাবাংলা ডটকমে সানগ্লাস পরিহিত অপর একটি ছবি প্রকাশিত হয়। এই ছবিটি ফাইল ছবি হিসেবে আপলোড করা হয়।গ্রেফতারের পর থেকেই অবন্তী বড়ালকে নিয়ে সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একের পর এক খবর ও ছবি প্রকাশ পেতে থাকে। এসময় চোখে সানগ্লাস ও আকাশি রঙের পোশাক পরিহিত ছবিটির সাথে মিলিয়ে অন্য আর একটি ছবি অবন্তীর ছবি হিসেবে ব্যবহার হতে থাকে। খালি চোখে দুটি ছবির মধ্যে কিছুটা সাদৃশ্যও খুঁজে পাওয়া যায়।ফ্যাক্ট চেক বিভাগের অনুসন্ধানে জানা যায়, গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিটি লেখক, সাংবাদিক লীনা দিলরুবার। বাংলাদেশ প্রতিদিন, আরটিভি, এটিএন নিউজ, যুগান্তরসহ বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমে এই ছবি অবন্তী বড়ালের নামে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে গণমাধ্যমগুলো ছবিটি পরিবর্তন করেছে। তবে আজকের পত্রিকার ফ্যাক্ট চেক বিভাগে স্ক্রিনশটগুলো সংরক্ষিত আছে। সময়২৪, আজকের বাংলাদেশ পোস্ট, প্রবাসী বাংলা টিভি, ওয়ান নিউজসহ শতাধিক নিউজ পোর্টাল ও ইউটিউব চ্যানেলে ওই ছবিটি অবন্তীর ছবি হিসেবে ব্যবহার হতে থাকে।   আজকের পত্রিকার ফ্যাক্ট চেক টিমের সঙ্গে ফোনে কথা হয় লীনার। তিনি বলেন, তিনি বিডি নিউজে নিয়মিত লেখেন, সেখানে প্রোফাইল ছবি হিসেবে আলোচিত ওই ছবিটি ব্যবহার করা হচ্ছিল বেশ কিছুদিন আগে থেকেই। এ ছাড়া তিনি এই ছবিটি ফেসবুকেও আপলোড করেছিলেন। তবে অবন্তী বড়ালের ইস্যুতে অস্বস্তির কারণে তিনি দুটি মাধ্যমেই ছবিটি সরিয়ে ফেলেছেন। তবে ছবি আপলোডের সঠিক তারিখ জানা যায়নি।গণমাধ্যমের এরকম ভুল কোনভাবেই কাম্য হতে পারে না বলেছেন লেখকের এক সময়ের সহকর্মী সাংবাদিক জাহীদ রেজা নুর। ১২ মার্চ একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘সাংবাদিকতার কিছু নিয়ম-নীতি আছে। প্রথম যারা ছেপেছিল, তারা হয়তো ভুল করে ছাপতে পারে। কিন্তু পরে যারা ছাপল, তারাও কেউ যাচাই-বাছাই করল না? এত বড় সব অনুসন্ধানী রিপোর্টার!’লীনা দিলরুবা দীর্ঘদিন প্রথম আলোর আলপিনে রম্য লেখক ছিলেন। কাজ করেছেন ভোরের কাগজেও। জীবনানন্দ দাশ, বুদ্ধদেব বসুসহ আরও অনেক স্বনামধন্য কবি ও লেখককে নিয়ে নিয়মিত লিখছেন তিনি।আরও পড়ুন ফ্যাক্টচেক:আইভীর মাথায় শামীম ওসমানের হাত রাখার ছবিটি সাম্প্রতিক নয়ব্যালট পেপার হাতে শামীম ওসমানের ছবিটি আজকের নাসিক নির্বাচনের নয়কানাডায় যাওয়ার সময় মুরাদ কি ভিক্টরি সাইন দেখিয়েছেন?এই ছবি মুরাদ হাসানের নয়ছাত্রলীগের সাম্প্রতিক সংঘর্ষের ছবি নয় এটিউড়োজাহাজে আগুনের ঘটনাটি একটি মহড়ারবুয়েটে পড়তে ওই তিন নারীকে মামলা করতে হয়নি৮২৩ বছর নয়, প্রায় প্রতিবছরই এমন ঘটনা ঘটে
174
ছবিটি লীনা দিলরুবার, অবন্তী বড়ালের নয় 
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১৪:৩৯
category: ফ্যাক্টচেক, দেশ
keywords: বাংলাদেশ, ফ্যাক্টচেক
meta: ছবিটি লেখক, সাংবাদিক লীনা দিলরুবার। বাংলাদেশ প্রতিদিন, আরটিভি, এটিএন নিউজ, যুগান্তরসহ বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমে এটি অবন্তী বড়ালের ছবি হিসেবে প্রচার করা হয়



পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেই দুদাকে নির্বোধ বলায় দেশটির জনপ্রিয় সাংবাদিক ও লেখক জাকুব জুলসিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত নভেম্বরে একটি ফেসবুক পোস্টে প্রেসিডেন্টকে  নির্বোধ বলে সম্বোধন করেন ওই সাংবাদিক। এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে তার তিন বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।ধর্মীয় এবং রাষ্ট্রীয় নেতাকে অপমান করা পোল্যান্ডের আইনে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।গত ৭ নভেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় মার্কিন গণমাধ্যমগুলো যখন বাইডেনের জয়ের আভাস দিচ্ছিল তখন দুদা একটি টুইটার বার্তায় লেখেন, সফল নির্বাচনী প্রচারণার জন্য জো বাইডেনকে অভিনন্দন ।  ইলেক্টোরাল কলেজ কর্তৃক মনোনীত প্রার্থীর জন্য অপেক্ষা করছি।   প্রসঙ্গত, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল ডানপন্থী নেতা দুদাইয়ের।দুদাইয়ের ওই টুইট নিয়ে জেকুব জুলসিক ফেসবুক পোস্টে লেখেন, দুদা মার্কিন নির্বাচনের ইলেক্টোরাল কলেজ প্রক্রিয়া না বুঝেই জো বাইডেনকে উদ্দেশ করে একটি টুইটার পোস্ট দিয়েছেন। আমি খুব আগ্রহ নিয়ে মার্কিন নির্বাচনের বিষয়ে অধ্যয়ন করেছি, সেখানে কখনোই ‘ইলেক্টোরাল কলেজ কর্তৃক মনোনীত প্রার্থী’ কথাটা শুনিনি।ফেসবুক পোস্টে  জুলসিক আরো লেখেন, জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট। আন্দ্রেই দুদা একজন গাধা।সূত্র:বিবিসি
175
প্রেসিডেন্টকে 'নির্বোধ' বলায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১৪:৪৬
category: বিশ্ব
keywords: ইউরোপ
meta: 



ঘোষিত হলো ভারতের ৬৭তম জাতীয় পুরস্কার। সেরা বাংলা সিনেমা সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ‘গুমনামী’। অ্যাডাপ্টেড চিত্রনাট্যের জন্য সেরা চিত্রনাট্যকারের পুরস্কার পেলেন সৃজিত নিজে। কৌশিক গাঙ্গুলি পরিচালিত ‘জ্যেষ্ঠপুত্র’ সিনেমার জন্য সেরা সংগীত পরিচালক হলেন প্রবুদ্ধ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সিনেমার জন্যই পুরস্কার পেয়েছেন প্রবুদ্ধ। সেরা অরিজিনাল স্ক্রিন প্লে ‘জ্যেষ্ঠপুত্র’ সিনেমার ঝুলিতেই।সেরা হিন্দি সিনেমার শিরোপা পেল প্রয়াত সুশান্ত সিং রাজপুত অভিনীত ‘ছিঁছোরে’। ‘পঙ্গা’ ও ‘মণিকর্ণিকা দ্য কুইন অব ঝাঁসি’ সিনেমার জন্য জীবনের চতুর্থ জাতীয় পুরস্কারটি পেলেন কঙ্গনা রনৌত। এর আগে ‘ফ্যাশন’, ‘কুইন’ ও ‘তনু ওয়েডস মনু রিটার্নস’ সিনেমার জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন কঙ্গনা।যৌথভাবে সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেলেন মনোজ বাজপেয়ী ও দক্ষিণী তারকা ধনুশ। ‘ভোঁসলে’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য পুরস্কার পেয়েছেন মনোজ। ধনুশ পুরস্কার পেয়েছেন আসুরান সিনেমার জন্য।অক্ষয় কুমার অভিনীত ‘কেশরি’ সিনেমায় ‘তেরি মিট্টি’ গানটি গেয়ে সেরা গায়ক হয়েছেন বি প্রাক। অস্কারে ঠাঁই পায়নি মালয়ালম ছবি ‘জাল্লিকাট্টু’। সেরা সিনেম্যাটোগ্রাফির পুরস্কার পেয়েছে সিনেমাটি। সেরা সংলাপের পুরস্কার পেয়েছে ‘দ্য তাসখন্দ ফাইলস’ সিনেমা। এই সিনেমার জন্যই সেরা সহ-অভিনেত্রী হয়েছেন পল্লবী যোশী। ‘সুপার ডিলাক্স’ সিনেমার জন্য সেরা সহ-অভিনেতা হলেন বিজয় সেতুপতি। সেরা শিশুদের সিনেমা ‘কস্তুরি’। সেরা ফিচার ফিল্ম মোহনলাল, কীর্তি সুরেশ অভিনীত মালয়ালম সিনেমা ‘মারাক্কর’। দেশের সবচেয়ে সিনেমা ফ্রেন্ডলি রাজ্য সিকিম। সেরা অ্যানিমেটেড সিনেমা ‘রাধা’।
176
ঘোষিত হলো ভারতের জাতীয় পুরস্কার
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১৫:১০
category: বিনোদন
keywords: ভারত, বিনোদন
meta: 



সৃজিত মুখার্জির ‘রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি’ নিয়ে আলোচনায় আজমেরি হক বাঁধন। কম কাজ বেশি আলোচনা ফরম্যাটেই গড়তে চাচ্ছেন নিজের নতুন পরিচয়। পেছনে তাকিয়ে বলেছেন গত ৩ বছরেরও গল্পও। লিখেছেন মীর রাকিব হাসানকন্যা সন্তানকে শুধু মেয়ে হিসেবে নয়, একজন মানুষ হিসেবেই গড়ে তুলতে চান মডেল-অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতে মেয়েকে নিয়ে প্যারাসুটে উড়াউড়ির ফাঁকে এমনটাই জানালেন অভিনেত্রী। লাক্স তারকা বাঁধনের ৯ বছরের মেয়ের সাহসের তারিফ করতেই হয় বটে। যে বয়সে বাচ্চারা নাগরদোলায় উঠে চিৎকার চেঁচামেচি করে অস্থির করে দেয়, সেই বয়সে সায়রা সমুদ্রের ওপর ভেসে বেড়াল। অবশ্য মেয়ের আগে বাঁধনও উড়েছেন। মা'কে দেখে ৯ বছরের কন্যার সাহস সঞ্চিত হয়েছে। শুধু প্যারাসেইলিং নয়, জেট স্কি (সমুদ্রের বিশেষ জলীয় যান) মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে সমুদ্রের চার কিলোমিটার ভেতরে চলে গিয়েছিলেন। বাঁধন বলেন, 'কক্সবাজারের মেয়েকে নিয়ে সব রোমাঞ্চকর কাজ করেছি। সায়রা অনেক সাহসী। তার তেমন ভয় নেই।'কাজী নজরুল ইসলামের গান নিয়ে নির্মিত ‘জয় হোক, জয় হোক’ মিউজিক্যাল ফিল্মে অভিনয় করেছেন। এখানে নিজেকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করেছেন তিনি। বাঁধন বলেন, ‘কাজী নজরুল ইসলাম অনেক আগেই গানটি লিখেছেন। কিন্তু, মনে হয় এখনকারই কথা। এটা যেন আমারই মনের ভেতরের উচ্চারণ। আমার মুক্তির কথা গানের প্রতিটি শব্দে ছড়িয়ে আছে। এটা আসলে মুক্তির গান, সাম্যের গান, এটা সার্বজনীন এবং সব অসঙ্গতির বিরুদ্ধে শান্তি চাওয়ার গান। অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর একটি উদ্যোগ।’তিনি আরও বলেন, ‘এর গানের শুটিং হয়েছে সাঙ্গু নদী এবং তার আশপাশের দারুণ সব লোকেশনে। শুটিংয়ের সময় একেবারে মিশে গিয়েছিলাম গানের কথার সঙ্গে। জয় হোক, জয় হোক গানটিতে কাজ করতে গিয়ে নতুন করে কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে পরিচিত হয়েছি। তার গান ও কবিতা যুগে যুগে বাঙালির জীবন সংগ্রাম ও স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রেরণার উৎস, শোষণ ও উৎপীড়ন থেকে মানুষকে মুক্তি এনে দেবে। তাই এমন একটি কাজের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য সবার কাছে কৃতজ্ঞ।’   গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন সুস্মিতা আনিস এবং সংগীতায়োজন করেছেন কণ্ঠশিল্পী অর্ণব। মিউজিক্যাল ফিল্মটি পরিচালনা করেছেন পিপলু আর খান। গানটি স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে একটি ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হবে।এর আগে, সম্প্রতি বাঁধন সৃজিত মুখার্জি পরিচালিত ‘রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি’ নামের একটি ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন। সেখানে মুশকান জুবেরী চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। শুটিং শেষে আসার সময় পরিচালক সৃজিত বাঁধনকে বলেছেন, ‘আমি হ্যাপি তুমি আমাকে ভুল প্রমাণ করোনি।’ তার এক ঝলক দেখাও মিলেছে হইচইয়ের প্রমোশনে। ‘দহন’ সিনেমা ছাড়ার পর কোথায় ছিলেন বাঁধন সবিস্তারে দিলেন সেই উত্তর। জীবনকে আমূল পরিবর্তন করে দিয়েছেন ‘লাইভ ফ্রম ঢাকা’ খ্যাত আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ। নাম প্রকাশ না করা সাদের দ্বিতীয় সিনেমায় মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন বাঁধন। ‘দহন’ ছাড়ার পর এই সিনেমা আসে বাধনের জীবনে। ‘সাদের কাছে প্রথম কৃতজ্ঞ যে ও রিস্কটা নিয়েছে আমাকে নিয়ে। ওর সিনেমা নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলতে পারবো। লাইফ চেঞ্জার। নারী প্রধান গল্প। সমাজকে প্রশ্নবিদ্ধ করার গল্প। হাজার হাজার প্রশ্ন মাথায় আসার গল্প। আমি জানিনা এই কাজটা কোথায় যাবে কয়জন মানুষ দেখবে। আমাকে এই কাজটা বুঝিয়েছে তুমি স্বাধীন। তোমার যা অধিকার সেটা তোমার আদায় করতে হবে। তোমার কথাগুলো কেউ এসে বলে দিবে না, তোমার বলতে হবে। সাদের কাজটার পর নতুন আর কাজ নিতে পারছিলাম না। সাদের কাজটার পর গত তিন বছরে শুধু সৃজিতের কাজটাই করলাম। আর পিপলু ভাইয়ের ফেমিকনের বিজ্ঞাপনটা করলাম। আমি কিন্তু প্রচুর বিজ্ঞাপনের অফারও পেয়েছি। কিন্তু আমার কাছে মনে হয়েছে আমি সেই কাজটা করবো যেটা আমি করতে চাই। কেন একটা টাইপে মেয়েদের বেধে দেওয়া হবে!’২০১৮ সালের ডিসেম্বরের ২৭ তারিখ অডিশন দিয়েছেন সিনেমাটির জন্য। ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিস্কারের পর হয়েছে সেই অডিশন। ‘অডিশনের পর ওরা আমাকে ফাইনাল করেছে কিনা সেটা জানায়নি। শুধু জানিয়েছে আপনি আসেন আমরা রিহার্সেল করার পর ফাইনাল করবো কাজটা হচ্ছে কিনা। প্রায় দুই মাস ওদের অফিসে গেছি কোন আশা ছাড়াই। ওরা খুবই সিম্পেল। খুবই কম, ভদ্র মার্জিত সুন্দর করে কথা বলে। ও শুধু টেক্সট করতো আমাকে ‘ বললেন বাঁধন। ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে সাদের ‘লাইফ ফ্রম ঢাকা’ মুক্তি পেয়েছে। দেখতে গিয়েছিলেন বাধন। সিনেমাটি বসুন্ধরা সিনেপ্লেক্সে দেখার পর ৫ মিনিট থ’ মেরে সিটে বসে ছিলেন। ‘আমি মনে মনে বলতেছিলাম কিসের মধ্যে পড়েছি ও আল্লাহ। আমি একই সিনেমা ৩ বার দেখেছি। তখনই মনে হয়েছে এরকম কাজ সবার জীবনে আসে না। অক্টোবরের ১০ তারিখ শুটিংয়ে গিয়েছি। এর আগে টানা রিহার্সেল হয়েছে। আমি ভুলে গিয়েছিলাম আমি আসলে কে। কোথাও ছিলাম না আমি। ওই ক্যারেক্টার আমাকে এতভাবে প্রভাবিত করেছে যে অন্য কোন কিছু করতে পারছিলাম না। জুন থেকে অক্টোবরে ওই ক্যারেক্টারের কস্টিউম পড়ে ছিলাম। ঘন্টার পর ঘন্টা ওদের সঙ্গে ছিলাম। ওদের ভিউজও আমাকে নাড়া দিয়েছে নতুন করে।’ সিনেমাটি মুক্তির জন্য পুরোপুরি তৈরী। এ বছরই মুক্তি পাবে বলে জানালেন বাঁধন।কী আছে চরিত্রটায় ? ‘শুধু এটুকু বলি অনেকগুলো মেয়ের চরিত্র আছে। ওখানে আমাকে কেউ চিনবে না। ৩৭ বছর বয়সেও যে অভিনেত্রীরা এমন চরিত্র করতে পারেন সেটা অনেকের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেবে।’পিপুল আর খানের ফেমিকনের বিজ্ঞাপনটিও প্রশংসা পাচ্ছে। সৃজিত, সাদ, পিপলু- এই ৩ পরিচালকের কাজ নিয়েই বাঁধন কাটিয়ে দিয়েছেন ৩ বছরের বেশি সময়। নতুন কোন কাজের খবর নেই। তার ভাষ্য, ‘বলার হলে একটা কাজ নিয়েই অনেক কিছু বলা যায়। ততটকু জায়গা দিতে পারবেন না পত্রিকায়। সত্যি বলতে সাদের কাজটার পর আমি আর কাজ খুঁজে পাইনি। আমি দেড় বছর ওদের টিমের সঙ্গে কাজ করেছি। আমি এখন সেই কাজটাই করতে চাই যা আমাকে তৃপ্ত করবে। আমি টিভিসি ফটোশ্যুট করতে চাই সার্ভাইভ করার জন্য। বিভিন্ন প্রমোশনের কাজ করছি। কিন্তু আমি এখন ১০০ টা নাটক করতে চাই না। আমি সেই চরিত্রটা করতে চাই যে চরিত্রটা মানুষ চিনবে মনে রাখবে।’
177
আগে যা হয়নি
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১৫:১৪
category: সাক্ষাৎকার
keywords: বিনোদন
meta: 



জিসো, জেনি, রোজি আর লিসা। ওরা চার মেয়ে মিলে একটি দল। দলের নাম ‘ব্ল্যাকপিঙ্ক’। ওরা গান গায়, নাচে, স্টেজ কাঁপিয়ে পারফর্ম করে। এই চার পপ-তারকাকে নিয়ে সম্প্রতি ‘ব্ল্যাকপিঙ্ক: লাইট আপ দ্য স্কাই’ নামে ডকুমেন্টারি বানিয়েছে নেটফ্লিক্স। লেডি গাগা, বিয়ন্স ও টেইলর সুইফটের পর চতুর্থ ডকুমেন্টারিতে নেটফ্লিক্স বেছে নিলো কোরিয়ান পপ গানের দল ‘ব্ল্যাকপিঙ্ক’-কে।এ তথ্য থেকেই হয়তো ‘ব্ল্যাকপিঙ্ক’-এর জনপ্রিয়তা সম্পর্কে কিছুটা আন্দাজ করা যায়। কিন্তু বাস্তবতা আরও ব্যাপক। মাত্র চার বছর আগে যাত্রা শুরু করা চার তরুণীর এ দলটি গোটা বিশ্বজুড়ে এখন তুমুল জনপ্রিয়। ইউটিউবে ব্ল্যাকপিঙ্কের ৫১ মিলিয়নেরও বেশি সাবস্ক্রাইবার। এদের হাত ধরেই কোরিয়ান গান প্রথম বিলিয়ন ভিউয়ের দেখা পায় এ প্ল্যাটফর্মে।এক যুগ আগে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্ট মেয়েদের একটি ব্যান্ডদল করার উদ্যোগ নেয়। তাদের উদ্দেশ্য ছিলো, এমন চারজনকে খুঁজে বের করা যাদের নিয়ে তৈরি হবে কে-পপ ব্যান্ড। কে-পপ অর্থ্যাৎ কোরিয়ান পপ খুবই জনপ্রিয় সেখানকার তরুণ-তরুণীদের মধ্যে। শুধু কোরিয়া নন, সারা বিশ্বে এ ঘরানার ভীষণ কদর। বলা হয়, পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুত প্রসারিত হওয়া ঘরানা এই কে-পপ।   কে-পপের বাজারে মেধার পাশাপাশি সুন্দর চেহারারও কদর অনেক। অনেক যাচাই-বাছাই আর হাড্ডাহাড্ডি প্রতিযোগিতা টপকে চারটি মেয়েকে বাছাই করা হয়- জিসো, জেনি, রোজি আর লিসা। ২০১০ সালে জিসো প্রথম আসে ব্ল্যাকপিঙ্ক-এ। এরপর পর্যায়ক্রমে যোগ দেয় বাকি তিনজন। কয়েক বছর ধরে চলে গ্রুমিং আর ট্রেনিং। প্রশিক্ষণের সময় শিল্পীদের যে চাপে রাখা হয়, তাকে অমানবিক বললেও খুব একটা ভুল হবে না। একই সঙ্গে শিল্পীদের শেখানো হয় গান, র‌্যাপ, নাচ- সবকিছু। এর পাশাপাশ চলে অভিনয়, ব্যক্তিত্ব উন্নতকরণ আর বিদেশি ভাষা শেখার ক্লাস।টানা ছয় বছরের অক্লান্ত প্রশিক্ষণের পর ২০১৬ সালে প্রকাশ পায় চার তরুণীর গানের দল ব্ল্যাকপিঙ্ক-এর প্রথম অ্যালবাম ‘স্কয়ার ওয়ান’। এ অ্যালবামের দুটি গান ওই বছরের বিলবোর্ড টপ চার্টের শীর্ষে উঠে আসে। এরপর শুধু দক্ষিণ কোরিয়ায় নয়, সারা পৃথিবীতে তাদের গান ছড়িয়ে পড়ে।জিসো [পুরো নাম: কিম জিসো], ২৫ব্ল্যাকপিঙ্কের সবচেয়ে পুরনো সদস্য। যে কোনো বিষয় নিয়ে তৎক্ষণাৎ গান বানিয়ে ফেলার অদ্ভুত ক্ষমতা আছে জিসোর। ব্ল্যাকপিঙ্কে আসার আগে তিনি কিছু মিউজিক ভিডিও এবং বিজ্ঞাপনে মুখ দেখিয়েছিলেন।জেনি [পুরো নাম: কিম জেনি], ২৪ব্ল্যাকপিঙ্ক দলের প্রধান র‌্যাপার। ২০১০ সালে কোরিয়ায় ফেরার আগে জেনি দীর্ঘবছর নিউজিল্যান্ডে ছিলেন। তিনিই ব্ল্যাকপিঙ্কের প্রথম সদস্য, যার ‘সলো’ গান বেরিয়েছে। একক গানের ওই মিউজিক ভিডিও দিয়ে জেনি একইসঙ্গে গায়িকা ও র‌্যাপার হিসেবে আবির্ভূত হন। তিন মিনিটের মিউজিক ভিডিওতে ২০টিরও বেশি পোশাক পরে জেনি হয়ে ওঠেন ফ্যাশন আইকন।রোজি [পুরো নাম: পার্ক চেইয়াং], ২৩নিউজিল্যান্ডে জন্ম। বেড়ে উঠেছেন অস্ট্রেলিয়ায়। ব্ল্যাকপিঙ্কের প্রথম গায়িকা রোজি। গিটার বাজান তিনি। বাজার পিয়ানো। কোরিয়ান ও ইংরেজি গান কাভার করেন রোজি।লিসা [পুরো নাম: লালিসা/প্রাণপ্রিয়া মানোবান], ২২ব্ল্যাকপিঙ্কের সবচেয়ে কমবয়েসি সদস্য। দলের প্রধান নৃত্যশিল্পীও তিনি। থাইল্যান্ডে জন্ম। সেখানেই বেড়ে ওঠা। কে-পপ শিল্পী হিসেবে অডিশন দেয়ার আগে লিসা ডান্স ক্রু হিসেবে কাজ করতেন।
178
চার তরুণীর বিশ্বজয়!
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১৫:২৩
category: বিনোদন
keywords: 
meta: 



ত্রিশ বছর আগে ব্রিটিশ স্যাটেলাইট চ্যানেল গ্যালাক্সিতে প্রচার হয়েছিল ‘হেইল হানি আই অ্যাম হোম’। জার্মানির একনায়ক অ্যাডলফ হিটলারের ঘরোয়া জীবনকে হাসি-ঠাট্টার মোড়কে দেখাতে চেয়েছিলেন লেখক জিওফ অ্যাটকিনসন। কিন্তু প্রথম পর্ব প্রচারের পরেই তুমুল আন্দোলনের মুখে বন্ধ হয়ে যায় ‘হেইল হানি আই অ্যাম হোম’।হিটলারের সমর্থক-বিরোধী দু’পক্ষই জোরালোভাবে এই সিরিজের বিপক্ষে অবস্থান নেন। কী ছিল ওই কমেডি ড্রামা সিরিজে? কেন এতো তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল মানুষ?  ত্রিশ বছর পরে এসেও এ প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় লেখক জিওফ অ্যাটকিনসনকে।আজকের পত্রিকা-র পাঠকদের জন্য এ প্রতিবেদনে থাকছে ‘হেইল হানি আই অ্যাম হোম’ বিতর্কের আদ্যোপান্ত।কী ছিলো ওই সিরিজে?লেখক জিওফ অ্যাটকিনসন তখন এমন একটি সিসুয়েশনাল কমেডি ড্রামার কথা লেখার ভাবছিলেন, যেটি একইসঙ্গে হিটলারকে রিলেট করবে। প্রবল ক্ষমতাশালী এই শাসকের রাজনৈতিক আচরণ একপাশে সরিয়ে রেখে ‘জলি’ হিসেবে উপস্থাপন করতে চেয়েছিলেন তিনি। মূল চরিত্র হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন হিটলার এবং তার দীর্ঘ বছরের বান্ধবী ইভা ব্রাউনকে। যারা পরবর্তীতে বিয়ে করেছিলেন। তবে একসঙ্গে থাকতে পেরেছিলেন ৪০ ঘণ্টারও কম সময়। ১৯৪৫ সালে হিটলারের শেষ ভরসা স্তেইনের সেনাবাহিনী বিধ্বস্ত হওয়ার পর তার সঙ্গে আত্মহত্যা করেন ইভাও।মিউনিখের অভিজাত এলাকা প্রিন্জরিজেন্টেনপ্লাজে থাকতেন হিটলার-ইভা দম্পতি। তাদের প্রতিবেশি কয়েকজন ছিলো ইহুদি। হিটলার একেবারেই পছন্দ করতেন না তাদেরকে। প্রতিবেশিদের সঙ্গে হিটলারের অদ্ভুত সব আচরণ দেখাচ্ছিলেন জিওফ অ্যাটকিনসন, ‘হেইল হানি আই অ্যাম হোম’ সিরিজে। কেন এতো বিতর্ক?১৯৯০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর, রবিবার রাত সাড়ে ন’টায় প্রচার হয়েছিল সিরিজের প্রথম পর্ব। এর আগে থেকেই ভেতরে ভেতরে ফিসফিসানি চলছিল যে, এতে হিটলারকে পজিটিভলি দেখানো হয়েছে। তার রাজনৈতিক যে ভয়ঙ্কর চেহারা, সেটা না দেখিয়ে একটা বোকাসোজা হিটলারকে আনা হয়েছে, যে অদ্ভুত সব কাণ্ড ঘটায়। সোজা কথা, লোক হাসায়। এটা অনেকেই ভালোভাবে নিচ্ছিল না।এ সিরিজে যারা অভিনয় করেছিলেন তাদের বেশিরভাগই ছিলেন ইহুদি। তবে সিরিজটি নিয়ে সবচেয়ে প্রবল আপত্তিটা এসেছিল ইহুদিদের থেকেই। ব্রিটেনে ইহুদিদের সংগঠনগুলো মনে করছিল, ‘হেইল হানি আই অ্যাম হোম’ সিরিজে `আসল হিটলার’-কে আড়াল করে ইতিহাস লুকানোর চেষ্টা করা হয়েছে। একইসঙ্গে ইহুদিদেরকেও চরম অপমান করা হয়েছে। অবশেষে কী হলো?পরিকল্পনা হয়েছিল ১১টি পর্বে প্রচার হবে কমেডি সিরিজটি। আটটি পর্বের শুটিংও করা হয়েছিলো। কিন্তু প্রথম পর্ব প্রচার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তুমুল বিতর্কের কবলে পড়ে দ্বিতীয় পর্বটি আর প্রচার করার সাহস পায়নি চ্যানেল কর্তৃপক্ষ। অনেক সমঝোতার চেষ্টা করেও কোন শান্তিপূর্ণ সমাধান সম্ভব হলো না। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ব্রিটিশ স্যাটেলাইট ব্রডকাস্টিং বাধ্য হল সিরিজটির প্রচার বন্ধ করে দিতে। মাত্র একটি পর্ব প্রচার করেই পৃথিবীর সেরা বিতর্কিত সিরিজগুলোর কাতারে জায়গা করে নিয়েছে ‘হেইল হানি আই অ্যাম হোম’। সে হিসেবে এটিকে সফল সিরিজও বলা চলে অনায়াসে!
179
সেই সিরিজ কেন আজও বিতর্কিত!
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১৫:৩৩
category: বিনোদন
keywords: 
meta: 



লেবাননে আটক সিরীয় বন্দিদের বিরুদ্ধে অবর্ণনীয় নির্যাতন চালিয়েছে দেশটির সামরিক গোয়েন্দারা। এই বন্দিদের বিষয়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচারপ্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে না। এমন অভিযোগ তুলেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।অ্যামনেস্টিকে দেওয়া বন্দিদের বর্ণনা অনুসারে, তাদের ধাতব লাঠি, বৈদ্যুতিক কেবল, প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে মারধর করা হতো। এছাড়া দীর্ঘ সময় উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখা হতো। আজ মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে ২০১৪ থেকে ২০২১ সালে সন্ত্রাসবাদে জড়িত অভিযোগে আটক দুই শিশুসহ ২৬ জনের মামলার বিবরণী তুলে ধরা হয়েছে। ২০১১ সালে সন্ত্রাসবাদ সংশ্লিষ্টতার আরোপিত অভিযোগে নির্বিচারে প্রায় একশ সিরীয় শরণার্থীকে গ্রেফতার করে লেবানন।    যে ২৬টি ঘটনা প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে এর মধ্যে একটি বাদে সবগুলো নির্যাতনের ঘটনাই ঘটেছে জিজ্ঞাসাবাদের সময় অথবা বন্দিদশায়। এসব ঘটনার বেশিরভাগই ঘটেছে আবলা মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স সেন্টার, বৈরুতের জেনারেল সিকিউরিটি অফিস অথবা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে।নির্যাতিত দুই জনের বয়স ১৫ থেকে ১৬ বছর। কমপক্ষে চারজন ব্যক্তি বলেছেন, তাদের এমনভাবে পেটানো হয়েছে যে তারা অজ্ঞান হয়ে পড়েন এবং দুই জনের দাত ভেঙে যায়। বন্দিরা অভিযোগ করেছেন যে তাদের বিভিন্নভাবে নির্যাতন করা হতো। বাসেল নামের এক বন্দি বলেছেন, টানা তিন সপ্তাহ তাকে পেটানো হয়েছে। প্লাস্টিক টিউব দিয়ে তার পিঠে বেদম পিটিয়েছে তারা। শরীরের ক্ষতস্থানগুলোতে একসময় পোকা ধরে গিয়েছিল।এই বন্দি বলেন, তার সঙ্গে অন্য দুইজনের যৌনাঙ্গে আঘাত করা হয়। একসময় তাদের প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত আসতে শুরু করে। বন্দিরা বলেছেন, তাদের হাত, চোখ বেঁধে একটানা কয়েকদিন দাঁড়িয়ে রাখা হয়েছিল। যেন ঘুমিয়ে পড়তে না পারে সে জন্য কর্মকর্তারা তাদের পাহারা দেওয়া হতো। ঘুমিয়ে পড়লেই জাগিয়ে তোলা হতো।   অ্যামনেস্টির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবানন সুষ্ঠু  ও নিরপেক্ষ বিচার প্রক্রিয়া লঙ্ঘন করেছে। বন্দিদের আইনি সুযোগ থেকে তারা বঞ্চিত করেছে। বন্দিদের মধ্যে দুটি শিশু ছিল, তাদের সঙ্গেও প্রাপ্তবয়স্কদের মতো আচরণ করা হয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্য মতে, নির্যাতনের কারণে অন্তত ১৪ জন বন্দি অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছেন। সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার নয়টি অভিযোগ এনে তাদের নির্যাতন করা হয়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলছে, লেবানন সরকার ২০১৩ সালে নির্যাতন বিরোধী আইন করলেও তা সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হচ্ছে। নির্যাতনের ঘটনা তাদের আদালত পর্যন্ত খুব কমই যাচ্ছে। লেবানন কর্তৃপক্ষকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন অ্যামনেস্টির শরণার্থী ও অভিবাসীদের অধিকার বিষয়ক গবেষক মেরি ফরস্টিয়ার।
180
লেবাননের কারাগারে নির্যাতিত সিরীয় শরণার্থী
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১৫:৫০
category: বিশ্ব
keywords: 
meta: 



২০২১ এর সবে শুরু। হইচই তো সত্যি হইচই ফেলে দিয়েছে! একের পর এক নতুন শো, নতুন কন্টেন্ট, ভিন্ন স্বাদের বিনোদন এখন হইচই-এর প্লেটে।নতুন গল্প হয়ে যাক! এই পণ নিয়েছে ওয়েব প্ল্যাটফর্ম হইচই। তাই চলতি বছরে বিনোদনের একঝাঁক নতুন রসদ নিয়ে হাজির স্ট্রিমিং জায়েন্ট। ২০২১ এ হইচই-এর যা তালিকা তাতে দর্শক এক প্ল্যাটফর্মেই পাবে সৃজিত মুখার্জি, রাহুল বোস, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, দেব, প্রসেনজিৎ, স্বস্তিকা, অনির্বাণ, মোশাররফ করিম, শ্যামল মাওলা, বাঁধনসহ দুই বাংলার বহু নাম। তাই শুধু ওয়েব সিরিজ নয় এবছর আছে ব্যাক টু ব্যাক ওয়েব ফিল্ম।   এই নিয়ে তৃতীয় বছরে পা দিলো কলকাতার সবচেয়ে জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম। বিগত কয়েক বছর ধরে দুপুর ঠাকুরপো, কার্টুন, চরিত্রহীন, মন্টু পাইলট, রহস্য রোমাঞ্চ সিরিজ, দময়ন্তী, হ্যালো, মিস ম্যাচ, বন্য প্রেমের গল্প, তাসের ঘর, পাঁচ ফোড়নের মতন অসাধারণ কন্টেন্ট দর্শকে উপহার দিয়েছে হইচই। শুধু পুরোনো মুখের রিপিটেশন নয় বরং এক ঝাঁক নতুন তরুণ মুখ ও ট্যালেন্টের সঙ্গেও পরিচয় করিয়েছে এই প্ল্যাটফর্ম। এবছর এই দেশীয় স্ট্রিমিং জায়ান্টটি পর্দায় নিয়ে আসছে ১৮ টিরও বেশি শক্তিশালী এবং অপ্রতিরোধ্য গল্প।   ২৬ মার্চ মুক্তি পাচ্ছে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় এবং অনন্যা চট্টোপাধ্যায় ‘মোহমায়া’। দুই অভিনেত্রীর সঙ্গে রয়েছেন বিপুল পাত্র। এই সিরিজের মাধ্যমেই ডিজিটাল দুনিয়ায় আত্মপ্রকাশ করছেন পরিচালক কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের। সেই ঝলক রয়েছে নতুন এই তালিকায়। এছাড়াও রয়েছে বাংলাদেশের মোশারফ করিমের ‘মহানগর’। বিরসা দাশগুপ্তর ‘সাইকো’য় দেখা যাবে অনির্বাণ ভট্টাচার্যকে। আবার পরিচালক অনির্বাণের ‘মন্দার’ও রয়েছে হইচইয়ের আগামীর তালিকায়।   চেনা মেজাজে হইচইয়ের পর্দায় ফিরছেন ‘কাকাবাবু’ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। হবে ‘কাকাবাবুর প্রত্যাবর্তন’ ছবির ডিজিটাল প্রিমিয়ার। এছাড়াও ডিজিটাল প্রিমিয়ারের তালিকায় রয়েছে দেবের ‘গোলন্দাজ’, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের ‘ট্যাংরা ব্লুজ’। অন্যরকম দার্জিলিং দেখা যাবে অর্জুন চক্রবর্তী, অনিন্দিতা বসু অভিনীত ‘মার্ডার ইন দ্য হিলস’-এ। রয়েছে সৃজিত মুখার্জি পরিচালিত ‘রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি’। ভিন্ন স্বাদের মধুর হদিশ দেবে মনামী ঘোষ অভিনীত ‘মৌচাক’। ঋষভ বসুকে দেখা যাবে ‘শ্রীকান্ত’-তে। রয়েছে শ্রাবন্তী-সোহম জুটির ‘দুজনে’।আলাপ-শ্রুতির কাহিনি নিয়ে ফিরবে ‘তানসেনের তানপুরা’র নতুন সিজন। আরও একাধিক সিরিজের নতুন সিজনে দেখতে পাবেন দর্শকরা। এই তালিকায় রয়েছে অনির্বাণ ভট্টাচার্যের ‘ব্যোমকেশ সিজন ৭’, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের ‘সেই যে হলুদ পাখি সিজন ২’, পূজা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পাপ সিজন ২’, অনির্বাণ চক্রবর্তীর ‘একেন বাবু সিজন ৫’।
181
চমকে ভরা হইচই
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১৬:০৩
category: বিনোদন
keywords: 
meta: 



এই পথ যদি না শেষ হয়। আসছে জি বাংলায়। ট্যাক্সি চালাচ্ছেন অন্বেষা।মেঠো পথ ধরে বাইকে সওয়ার মহানায়ক উত্তমকুমার ও সুচিত্রা সেন। ‘সপ্তপদী’ সিনেমার আইকনিক দৃশ্য— তাদের লিপে আরেক আইকনিক জুটি হেমন্ত-সন্ধ্যার গান ‘এই পথ যদি না শেষ হয়’। বাঙালির প্রেমের এই অবিস্মরণীয় গানের নামেই শুরু হচ্ছে জি বাংলার নতুন ধারাবাহিক। এতে অবশ্য বাইক নেই! তার বদলে ট্যাক্সির স্টিয়ারিং হুইল হাতে এক মহিলা চালক। এই চরিত্রে অভিনয় করছেন কলকাতার ছোটপর্দার পরিচিত মুখ অন্বেষা হাজরা। আজ থাকছে অন্বেষার সাক্ষাৎকার।‘চুনি পান্না’র পর ড্রাইভিং শিখলেন? নিজের হাতে গাড়ি ধুয়েছেন?‘বৃদ্ধাশ্রম’ মেগা সিরিয়ালে অভিনয়ের সময়েই গাড়ি চালাতে শিখেছিলাম। সেই চালানো আর এই চালানোর মধ্যে যদিও বিস্তর তফাৎ। প্রশিক্ষণ হত ভোর ৫টায়। তখন রাস্তা ফাঁকা। তাছাড়া ট্রেনিং সেন্টারের গাড়িতে কন্ট্রোল, ব্রেক থাকত। তখন গাড়ি একটু গড়ালেই মনে হত কত ভাল চালাতে পারি! কিন্তু ট্যাক্সিতে পাওয়ার স্টিয়ারং নেই। গিয়ার, ক্লাচ, এক্সিলেটর, স্টিয়ারিং, সবই হার্ড। ভীষণ শক্ত ব্যাপার। গাড়ি চালানো থেকে ধোয়া- সবই খুঁটিয়ে শিখে নিচ্ছি।মহিলা ট্যাক্সি চালক দেখেছেন?পিঙ্ক ক্যাব দেখেছি। যদিও চড়িনি। সেখানে মহিলা ড্রাইভারও দেখেছি। তখন জাস্ট দেখেছি। এখন রাস্তাঘাটে এ রকম ড্রাইভার দেখলে খুঁটিয়ে দেখি। কী ভাবে তিনি চালাচ্ছেন- অনুসরণ করার চেষ্টা করছি।আপনার চরিত্র নিয়ে বলবেন?ধারাবাহিকে আমি বড়লোক বাড়ির মেয়ে। ছোট থেকে খুব আদরে যত্নে বড় হয়েছি। দাদু বলেছে, গান শিখতে, তাও শিখেছি। বন্ধুরা বলেছে, ফটোগ্রাফিটাও শিখে নে, সেটাও শিখেছি। নাচ, আঁকা, বাজনা সব জানি। কিন্তু অল্প অল্প। একটাই কাজ ভাল করে জানে উর্মি নামের এ মেয়েটা। ট্যাক্সি চালানো। সেটাকেই সে পরে পেশা হিসেবে বেছে নেয়।বাস্তবে বড় লোক বাড়ির কোনও মেয়ে এই পেশায় আসবে?আমি কেন আসছি সেটা জানতেই দেখতে হবে জি বাংলার নতুন ধারাবাহিক ‘এই পথ যদি না শেষ হয়’।দৃশ্যটা একটু বদলে যদি মহানায়কের বাইকের পিছনে আপনি বসতেন? সত্যিই ‘এই পথ যদি না শেষ’ হত?(উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে) ঈশ্বরের সঙ্গে এক বাইকে চড়ার অভিজ্ঞতা হত! কী করে বর্ণনা দিই সেই অভিজ্ঞতার?ভক্তরা কী বলছেন?আমার ভক্ত নেই! কিছু মানুষ আমায় ভালবাসেন। আমার অভিনয় পছন্দ করেন। তারা আমাকে নতুন ভূমিকায় দেখে বেশ খুশি।কলকাতা শহরে এখন মহিলা ট্যাক্সি চালকদের সংখ্যা বেড়েছে। তবে নির্দিষ্ট কারও জীবন অবলম্বনে এ ধারাবাহিক তৈরি হয়নি, তা স্পষ্ট করলেন পরিচালক স্বর্ণেন্দু সমাদ্দার। তার কথায়, ‘কারও জীবনী বা কোনও হিন্দি ধারাবাহিকের রিমেক নয়। বলা যেতে পারে বহু মহিলা ট্যাক্সি চালকের জীবনের ব্যক্তিগত ঘটনা থেকে অনুপ্রেরণা নিয়েই ধারাবাহিকের চিত্রনাট্য লেখা হয়েছে।’‘এই পথ যদি না শেষ হয়’ ধারাবাহিকের সব কাস্টিং এখনও চূড়ান্ত হওয়া বাকি। তবে শুটিং শুরু হয়েছে এরইমধ্যে। অন্য একটি চ্যানেলের ধারাবাহিকে নারী পাইলটের গল্প সেভাবে দর্শকদের মনে দাগ কাটতে পারেনি। এবার শহরের রাজপথে ট্যাক্সির মিটার কতদিন ডাউন থাকে সেটাই দেখার বিষয়!
182
মহিলা ট্যাক্সি চালকের কাহিনি
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১৬:০৫
category: বিনোদন
keywords: 
meta: 



তিনি বলিউডের রানী। জয় করেছেন কোটি কোটি ভক্তের মন। নব্বই দশকের মাঝামাঝিতে হিন্দি সিনেমায় নাম লেখানো বাঙালি এ অভিনেত্রী শাহরুখ, সালমান, আমিরসহ সমসাময়িক সব স্টার-সুপারস্টারদের বিপরীতে সাফল্য পেয়েছেন।বিশ দশকে বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় ও সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেত্রী ছিলেন। কর্মজীবনে তিনি সাতটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কারসহ একাধিক পুরস্কার লাভ করেছেন।২১ মার্চ রানীর জন্মদিন। এবারে তারা ৪৩তম জন্মদিন পালন করছেন ভক্তরা। এবারের জন্মদিনে ভক্তদের জন্য সুখবর নিয়ে এলেন রানী।ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে ফিচার ড্রামা ‘মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে’ নামের একটি সিনেমাতে দেখা যাবে রানীকে। জী স্টুডিওর মনিশা আদভানি, মধু ভোজওয়ানি এবং এমা এন্টারটেইনমেন্ট রানীকে নিয়ে তদের পরবর্তী সিনেমার এ নামটি ঘোষণা করেছে।একজন মায়ের দেশের প্রতি ত্যাগ স্বীকারের সত্য ঘটনা নিয়ে নির্মিত হবে এ চলচ্চিত্র। ইতিমধ্যে ছবির শুটিং পূর্ববর্তী কাজ শুরু হয়ে গেছে। মাসখানেকের মাঝেই শুরু হবে সিনেমাটি শুটিং।সিনেমাটি পরিচালনা করবেন আশিমা ছিবার। নতুন এই সিনেমাকে রানী তার ক্যারিয়ারের অন্যতম বিশেষ এবং উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র বলে অভিহিত করেছেন।গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে রানী জানান, ‘সত্যিকার অর্থে চলচ্চিত্রটির ঘোষণা দিতে পারাটাই জন্মদিনের সেরা উপহার বলে মনে হচ্ছে। ক্যারিয়ারের ২৫তম বছরে এসে আমি সম্ভবত সবচেয়ে বিশেষ এবং উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে একটিতে সাইন করেছি।’তিনি আরও জানান, ‘আমার ক্যারিয়ারের শুরু করেছিলাম ‘রাজা কি আয়েগি বারাত’ দিয়ে। যা ছিল একটি নারীকেন্দ্রিক চলচ্চিত্র। কাকতালীয়ভাবে আমার কর্মজীবনের ২৫তম বছরে এসেও আমি এমন একটি চলচ্চিত্রের ঘোষণা দিচ্ছি যা একজন মহিলার সমস্ত প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করার গল্প তুলে ধরবে।’সিনেমাতে রানীর বিপরীতে কে থাকবেন বা অন্যান্য শিল্পীদের বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
183
তেতাল্লিশে নতুন সিনেমা
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১৬:১০
category: বিনোদন
keywords: 
meta: 



মেয়েটার বাবার নাম সঞ্জয় কাপুর, কাকা অনিল কাপুর, দিদি সোনম কাপুর, দাদা অর্জুন কাপুর। বলিউডের পরিচিত সব নাম। তার আরেক বোন জাহ্নবী কাপুর এর মধ্যে প্রশংসা কুড়াতে শুরু করেছেন। আরেক বোন খুশি কাপুর ঘোষণা দিয়েছেন- যেকোনো সময় বলিউডে পা রাখবেন। সঞ্জয় কাপুর আর মাহি কাপুরের মেয়ে শানায়া কাপুরের তবে বসে থাকা শোভা পায়?   বলিউডে নতুন অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সুযোগ দেয়ার জন্য পরিচালক ও প্রযোজক করণ জোহার পরিচিত। বুলবুল সিনেমার তৃপ্তি দিমরি, গিল্টির গুরফাতেহ পিরজাদা, উরি-দ্য সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের ধরিয়া কারওয়া ও দোস্তানা ২ এর লক্ষ্যের মতো নবীন অভিনয়শিল্পীদের সিনেমায় সুযোগ দিয়েছেন তিনি।এবার করণ সিনেমায় আনছেন তার বন্ধু সঞ্জয় কাপুর ও মাহি কাপুরের বড় মেয়ে শানায়া কাপুরকে। নতুন ট্যালেন্ট হিসেবে ধর্মা কর্নারস্টোন এজেন্সির সঙ্গে কাজ করবেন শানায়া।ইনস্টাগ্রাম থেকে করণ জোহার এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের পরিবারে নতুন আরও একটি সুন্দর সংযোজন। ধর্মা কর্নারস্টোন এজেন্সি স্কোয়াডে তোমাকে স্বাগত শানায়া। তার উৎসাহ ও অধ্যবসায় অবাক করার মতো। আপনাদের ভালোবাসা ও প্রার্থনা তার জন্য রাখবেন, সে ধর্মা কর্নারস্টোন এজেন্সির সঙ্গে জুলাই থেকে নতুন সিনেমার কাজ শুরু করতে যাচ্ছে।’   ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর আগে জাহ্নবী কাপুরের সঙ্গে ক্যামেরার পেছনে কাজ করেছেন শানায়া। কার্গিল যুদ্ধের দুঃসাহসী বৈমানিক গুঞ্জন স্যাক্সেনার জীবনীনির্ভর এক ছবিতে সহকারী পরিচালক হিসেবে ছিলেন তিনি। এ নিয়ে ছবির প্রযোজক বাবা সঞ্জয় কাপুর বলেছেন, ‘সন্তান যখন পেশাগত জীবন শুরু করে, বাবা-মায়ের জন্য সেটা আনন্দের এবং গর্বের। শানায়ার স্বপ্ন স্পর্শ করার যাত্রা শুরু হয়েছে। ক্লাসরুমের চেয়ে বরং ব্যবহারিক কাজ থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন বেশি কার্যকর। অভিজ্ঞতাই সেরা শিক্ষা।’সোনম কাপুরও ‘ব্ল্যাক’ ছবিতে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছিলেন। পরে সঞ্জয় লীলা বনসালির ‘সাওয়ারিয়া’ দিয়ে অভিনয় শুরু করে ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়ে যান তিনি। অর্জুন কাপুর ‘কাল হো না হো’ আর ‘সালাম-ই-ইশক’ ছবিতে নিখিল আদভানির সহকারী ছিলেন। পরে ২০১২ সালে ‘ইশকজাদে’ দিয়ে অভিনয় শুরু করেন। সুতরাং পারিবারিক ধারা বজায় রেখেই শুরু করছেন শানায়া কাপুর।   কিছুদিন আগে ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পাবলিক করেছেন শানায়া কাপুর আর এরই মধ্যে এ মাধ্যমে তার অনুসরণকারী হয়েছে প্রায় সাড়ে চার লাখ। সেখানে সিনেমায় অভিষেকের সুখবর প্রকাশ করেছেন শানায়া।
184
বলিউডে নতুন কাপুর
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১৬:২৩
category: বিনোদন
keywords: 
meta: 



নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ৫ উইকেটে হেরেছে টাইগাররা। জেতার সম্ভাবনা জাগিয়েও বাজে ফিল্ডিংয়ে ম্যাচ হাতছাড়া হয় বাংলাদেশের। সেঞ্চুরি হাঁকানো কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথামকে দুবার জীবন দেন বাংলাদেশের ফিল্ডাররা। ল্যাথামের ক্যাচ প্রথমে কভারে ফেলেন মোহাম্মদ মিঠুন। এরপর শেখ মেহেদী সহজ ক্যাচ ছেড়ে ল্যাথামকে দ্বিতীয়বার জীবন দেন। জিমি নিশামের সহজ ক্যাচ মিস করেন মুশফিকুর রহিম। ক্যাচ মিসের এমন মহড়ায় ম্যাচ আর বাঁচানো যায়নি। ম্যাচের সঙ্গে সঙ্গে সিরিজও হাতছাড়া হয়েছে। এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড।ওভালে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় নিউজিল্যান্ড। প্রথম ম্যাচের ব্যাটিং ব্যর্থতা কাটিয়ে আজ দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেছেন তামিম-মিঠুনরা। অধিনায়ক তামিমের ব্যাট থেকে এসেছে ইনিংস সর্বোচ্চ ৭৮ রান। যদিও ৭৮ রান তুলতে তামিম খরচ করেছেন ১০৮ বল। মোহাম্মদ মিঠুন খেলেছেন ৫৭ বলে ৭৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস। এছাড়া মুশফিকুর রহিমের ৩৪ ও সৌম্য সরকারের ৩২ রানের ছোট ছোট ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৭১ রান স্কোরবোর্ডে জমা করে বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে দুই উইকেট শিকার করেন স্পিনার মিচেল স্যান্টনার।জবাব দিতে নেমে ১০ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটের জয় তুলে নেয় নিউজিল্যান্ড। বাংলাদেশের পক্ষে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন স্পিনার শেখ মেহেদি ও পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সেঞ্চুরি হাঁকান অধিনায়ক টম ল্যাথাম। ১০৮ বলে ১১০ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। দলকে ম্যাচ জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন। অসাধারণ ইনিংস খেলার সুবাদে ‘ম্যান অফ দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত হয়েছেন টম ল্যাথাম।উল্লেখ্য, ওয়েলিংটনে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৬ মার্চ।
185
বাজে ফিল্ডিংয়ে ম্যাচ হারল বাংলাদেশ
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১৬:৩৪
category: খেলা
keywords: 
meta: সেঞ্চুরি হাঁকানো কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথামকে দুবার জীবন দেন বাংলাদেশের ফিল্ডাররা। ল্যাথামের ক্যাচ প্রথমে কভারে ফেলেন মোহাম্মদ মিঠুন। এরপর শেখ মেহেদী সহজ ক্যাচ ছেড়ে ল্যাথামকে দ্বিতীয়বার জীবন দেন।



কথা বলার জন্য দারুণ সব অ্যাপ তৈরি করেছেন প্রযুক্তিবিদরা।  নিজের ফোন নম্বর অথবা ফেসবুক প্রোফাইল শেয়ার না করে এইসব অ্যাপ দিয়ে কথা বলা যায়।  এক নজরে দেখে নিন কথা বলার এমনই কয়েকটি মোবাইল অ্যাপ।১। টেলিগ্রামটেলিগ্রাম দিয়ে কথা বলা যায়। যোগাযোগ করা যায়। গ্রাহকদের গোপনে চ্যাট করতে সাহায্য করে টেলিগ্রাম। প্রোফাইল আইডি সেট করে ফোন নম্বর হাইড করতে পারবেন। সঙ্গে কোনো প্রোফাইল পিকচার রাখবেন না। যদিও অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে একটি ফোন নম্বর বাধ্যতামূলক।২। ডিসকর্ডনিজের ব্যক্তিগত তথ্য না দিয়েই ডিসকর্ড ব্যবহার করে চ্যাট করা যায়। শুধু নিজের আইডি সিলেক্ট করে একটি প্রোফাইল তৈরি করলেই চ্যাট করা যাবে।৩। প্রোটনমেলকোনো ব্যক্তিকে নিজের পরিচয় গোপন রেখে ইমেল করতে চান? এজন্য ব্যবহার করুন প্রোটনমেল। এ ইমেল সার্ভিস সম্পূর্ণ এনক্রিপটেড থাকে। চাইলে আপনি ভিপিএন ব্যবহার করতে পারেন।৪। গুগল মিটহঠাৎ করে ডেটিং অ্যাপে কারও সঙ্গে আলাপের পরেই ভিডিও চ্যাট করতে চাইলে গুগল মিট ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য একটি পৃথক অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিন।৫। স্কাইপগুগল মিটের পরেই ভিডিও কলে যে নাম মাথায় আসে সেটা স্কাইপ। এখানেও আপনি চাইলে ভিডিও কল করতে পারবেন।৬। ইন্সটাগ্রাম ইমেল ব্যবহার করে দ্বিতীয় ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করুন। সেখানে কোনো ছবি আপলোড না করে নিজের পরিচয় গোপন রেখে চ্যাট করুন।৭. ওয়্যার সিকিওর মেসেজিংনিজের ফোন নম্বর শেয়ার না করেই এ অ্যাপ ব্যবহার করে চ্যাট করা যাবে।  নিজের ইমেল আইডি ব্যবহার করে লগ ইন করুন। এবার ফোন অ্যাপ ইন্সটল করে আইডি পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগ ইন করুন। এবার ফোন নম্বর ছাড়াই চ্যাট শুরু করতে পারবেন।
186
কথা বলার কয়েকটি অ্যাপ
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১৬:৩৯
category: প্রযুক্তি
keywords: 
meta: 



চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে চোরাই মোটরসাইকেলসহ মো: খোরশেদ আলম (৩৮) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) ভোরে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত খোরশেদ আলম রাঙ্গামাটি জেলার কোতোয়ালীর রির্জাভবাজার এলাকার মৃত আনোয়ার মিয়ার পুত্র।জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভুজপুর থানার দাঁতমারার ঢালারমুখ এলাকা থেকে তাকে চোরাই একটি পালসার মোটরসাইকেলসহ আটক করা হয়েছে।এব্যাপারে দাঁতমারা পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ আতাউল হক চৌধুরী বলেছেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছে। আটককৃতের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
189
ফটিকছড়িতে চোরাই মোটরসাইকেলসহ যুবক আটক
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১৭:০৫
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: 



চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় ইয়াবাসহ ২ জনকে  আটক করেছে  পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে ৬ হাজার পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। সোমবার (২২ মার্চ) রাতে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন ,মো: আলী  (৪৫) ও ক্যাচিংমং মারমা(২৮)।থানা সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে লোহাগাড়া থানার এসআই গোলাম কিবরিয়ার নেতৃত্বে একটি পুলিশ টিম চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চুনতি ফরেস্ট রেঞ্জ কার্যালয়ের সামনে বাসে তল্লাশি চালায়। এসময় ৬ হাজার পিচ ইয়াবাসহ তাদেরকে আটক করা হয়।আটককৃতদের বিরুদ্ধে থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে । আজ মঙ্গলবার সকালে তাদেরকে চট্টগ্রাম আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
190
লোহাগাড়ায়  ৬ হাজার পিস  ইয়াবাসহ আটক ২
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১৭:০৭
category: সারা দেশ, চট্টগ্রাম
keywords: চট্টগ্রাম জেলা, ইয়াবা, আটক
meta: 



বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ১১ পদে মোট ২৯ জনকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে পদগুলোয় যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে যোগ দিতে পারেন আপনিও। অনলাইনে পদগুলোর জন্য আবেদন শুরু হবে ২৫ মার্চ থেকে। আবেদন করা যাবে আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত।পদগুলো হচ্ছে-সহকারী পরিচালক- একজনপ্রশাসন ও মানব সম্পদসহকারী পরিচালক- একজনঅর্থ হিসাব রাজস্বউপ-সহকারী পরিচালক- একজনপ্রশাসন ও মানব সম্পদউপ-সহকারী পরিচালক- দুইজনঅর্থ হিসাব ও রাজস্বউপ-সহকারী পরিচালক- ছয়জনকারিগরিব্যক্তিগত কর্মকর্তা- দুইজনপ্রশাসনিক সহকারি- দুইজনঅভ্যর্থনাকারী- একজনব্যক্তিগত সহকারী- তিনজনকম্পিউটার অপারেটর- একজনহিসাব রক্ষক- একজনপ্রার্থীদের বয়সসীমাপ্রার্থীর বয়স ১ মার্চ, ২০২১ তারিখে ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে মুক্তিযোদ্ধা /শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়স ৩২ বছর। আবেদনের নিয়মআগ্রহী প্রার্থীরা (http://btrc.teletalk.com.bd/) ওয়েবসাইট থেকে আবেদনপত্র পূরণ করে আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত জমা দিতে পারবেন।আবেদনের যোগ্যতাপ্রতিটি পদে আবেদনের জন্য আবেদনের যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতা ভিন্ন ভিন্ন। পদভেদে আবেদনের যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং শর্তাবলি জানা যাবে বিটিআরসি'র ওয়েবসাইটে।প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ সম্পন্ন করা হবে। বিটিআরসি সূত্রে জানা গেছে, আগামী আগস্টে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের পরবর্তীতে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে৷
191
বিটিআরসিতে নিয়োগ
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১৭:১৮
category: ক্যারিয়ার
keywords: বাংলাদেশ, ক্যারিয়ার টিপস, ক্যারিয়ার
meta: 



রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন কোন ভ্যাকসিন নেবেন সেটি গোপনীয় ব্যাপার বলে মনে করছে ক্রেমলিন। আজ মঙ্গলবার রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্ট পুতিন কভিডের কোন টিকা নেবেন সেটি কৌশলগত কারণে গোপন রাখা হবে।এ ব্যাপারে ক্রেমলিলেন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকোভ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, প্রেসিডেন্ট যে ভ্যাকসিন নেবেন তা ইচ্ছাকৃতভাবেই আমরা প্রকাশ করছি না। রাশিয়ার তৈরি তিনটি ভ্যাকসিনই নির্ভরযোগ্য ও কার্যকর।দিমিত্রি আরো বলেন, গতকাল সোমবার প্রেসিডেন্ট টিকা নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আজ সন্ধ্যায় রাশিয়ার তৈরি যে কোনো একটি ভ্যাকসিন তিনি নেবেন।নির্দিষ্ট একটি ভ্যাকসিন বাদে বাকিগুলোর প্রতি মানুষের অনাস্থা তৈরি হওয়ার মতো পরিস্থিতি এড়ানোর জন্যই প্রেসিডেন্ট কোন ভ্যাকসিন নেবেন সেটি প্রকাশ করতে চায় না ক্রেমলিন। রুশ কর্মকর্তারা এমনটাই জানিয়েছেন।রাশিয়ার তৈরি ভ্যাকসিনের প্রচারের বিষয়ে ক্রেমলিনের মুখপাত্র বলেন, পুতিন এরই মধ্যে ভ্যাকসিন প্রদান কর্মসূচির প্রচারে প্রচুর কাজ করেছেন। এর মধ্যে এগিয়ে স্পুটনিক ভি। এছাড়া এপিভ্যাককরোনা ও কোভিভ্যাক্স নামে আরও দুটি ভ্যাকসিনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।টিকা নেওয়ার দৃশ্য ধারণ ও প্রচার প্রেসিডেন্ট পছন্দ করেন না বলেও উল্লেখ করেন ক্রেমলিনের মুখপাত্র।সূত্র: রয়টার্স
192
পুতিন কোন ভ্যাকসিন নেবেন সেটি ‘গোপনীয়’
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১৮:৩১
category: বিশ্ব
keywords: ইউরোপ
meta: 



বারেক মিয়া (৩৫)। প্রায় ১১ বছর ধরে শিল-পাটা তৈরি করে বিক্রি করছেন। এ দিয়েই চলে তার সংসার।সিলেটের পর্যটন কেন্দ্র জাফলং ভিউ এলাকায় বারেক মিয়ার শিল-পাটার দোকান। আমদানি ও স্থানীয় দুই ধরনের পাথর কেটে শিল-পাটা তৈরি করেন তিনি।বারেক মিয়া জানান, এই শিল-পাটা বিক্রি করেই তার সংসার চলে। যা আয় হতো তাতে ভালোভাবেই সংসার চলতো। কিন্তু এখন চাহিদা তেমন নেই। এক সময় দৈনিক আয় হতো ১৫শ থেকে ২ হাজার টাকা। এখন তা অর্ধেকের নিচে নেমেছে। দুই মেয়েকে নিয়ে তার টানাটানির সংসার।বাঙালির রান্নাঘরের এক সময়ের আবশ্যকীয় পেষণযন্ত্র ছিল শিল-পাটা। কিন্তু কোম্পানির প্যাকেটজাত গুঁড়োমসলা আর নগরায়নের যুগে এসে এটি রান্নাঘর থেকে প্রায় বিদায় নিয়েছে।জাফলংয়ে বাজারের শিল-পাটার অন্য ব্যবসায়ীদের অবস্থাও এখন বারেক মিয়ার মতো। শুধু ঈদের মৌসুমে ভালো বেচাকেনা হয়। বছরের বাকিটা সময় এই ব্যবসা থেকে আয়ে পেটে-ভাতে হওয়াই কঠিন হয়ে পড়ে।সিলেটের পর্যটনকেন্দ্র জাফলংয়ে রয়েছে পাথরের সুবিশাল ভাণ্ডার। আর এই পাথর কেটে শিল-পাটা বানিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন শতাধিক পরিবার। সেই সংখ্যা এখন ১০-১৫টিতে ঠেকেছে।জাফলং পর্যটন ভিউ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম আহমেদ বলেন, প্রাচীনতম শিল্প ও ঐতিহ্য এই পাটা শিল্প। আগের মতো আর এই পাটার ব্যবহার তেমন নেই। আগে অনেকেই এই ব্যবসা করতেন। এখন হাতেগোনা কয়েকজন এই ব্যবসার সঙ্গে আছেন। তারাও পেশা পরিবর্তনের কথা ভাবছেন।
193
হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যের শিল-পাটা, জীবিকা সঙ্কটে বারেক মিয়ারা
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১৮:৩৮
category: সারা দেশ
keywords: বাংলাদেশ, সিলেট জেলা
meta: 



সম্প্রতি ক্রিকফ্রেঞ্জির ইউটিউব ও ফেসবুক পেজের লাইভে সাকিবের দেওয়া বক্তব্য নিয়ে দেশজুড়ে চলছে তোলপাড়। ২০ মার্চ রাতে প্রচার হওয়া লাইভে সাকিব শুধু বিসিবি প্রেসিডেন্ট হবার স্বপ্নই না, ইতিহাসের সেরা বোর্ড কর্তা হবেন বলেও মন্তব্য করেন।অনলাইনে সাকিবের সেই ইন্টারভিউয়ের প্রেক্ষিতে বোর্ডের কর্তারা কি বলেন তা জানার জন্য তীর্থের কাকের মতো অপেক্ষা করছে বাংলাদেশের মানুষ। এই সুযোগে কিছু অনলাইন গণমাধ্যম ভুয়া শিরোনাম দিয়ে সংবাদ প্রচার করে যাচ্ছে। এরকম একটি সাইট স্পোর্টস গসিপ। গত ২২ মার্চ প্রকাশিত সংবাদের শিরোনাম- ‘বিসিবির প্রেসিডেন্ট হতে যোগ্যতা লাগে, সেই যোগ্যতা সাকিবের নেই’। এরকম একটি শিরোনাম দেখে নেটিজনদের আগ্রহ তৈরি হওয়ারই কথা। তাই ২০ ঘন্টায় ২৬ হাজারের বেশি লাইক আর ১০৩ টি শেয়ারও কামিয়ে নিয়েছে সাইটটি। কমেন্ট বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ফেসবুক ব্যবহারকারীরা বিশ্বাসও করেছে শিরোনামটি।তবে নিউজ স্টোরিতে ঢুকে দেখা যায় সেখানে লেখা হয়েছে সাকিবের দেয়া ইন্টারভিউ সংক্রান্ত সাদামাটা সংবাদ। শিরোনামে পাপনের যে বক্তব্য দেয়া হয়েছে, সংবাদের কোন অংশেই তার কোন উল্লেখ নেই। অপরদিকে প্রথমসারির বিভিন্ন গণমাধ্যমে গত দু’দিনের নিউজ অনুসন্ধান করে বোর্ড সভাপতি পাপনের এমন কোন বক্তব্যের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
194
'বিসিবির প্রেসিডেন্ট হওয়ার যোগ্যতা সাকিবের নেই' - একথা বলেননি পাপন
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১৮:৫৮
category: ফ্যাক্টচেক, দেশ
keywords: বাংলাদেশ, খেলা, ক্রিকেট, সাকিব আল হাসান, বিসিবি
meta: 



আয়কর বিবরণীতে মোট আয়ের ২০ শতাংশেরও বেশি অংশের তথ্য গোপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের অতিধনীরা। অভ্যন্তরীণ রাজস্ব সেবা (আইআরএস) বিভাগে দেওয়া আয়কর বিবরণীতে তারা কৌশলে সম্পদের তথ্য গোপন করেন। সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে করফাঁকির পরিমান ধারণার চেয়ে অনেক বেশি।বিশেষজ্ঞদের মতে, দৈবচয়নে সাধারণ নিরীক্ষার মাধ্যমেই ধনীদের কর ফাঁকি ধরতে পারার কথা। কিন্তু গবেষকরা অনুসন্ধানে দেখেছেন, সুচতুর কৌশল অবলম্বন করায় আইআরএস এই ফাঁকির বিষয়টি ধরতেই পারছে না। বিশেষ করে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ব্যবসা এবং বিদেশে অবস্থিত ব্যবসা অবকাঠামোর ব্যাপারে তথ্য গোপনের ঘটনা বেশি ঘটে।বেতনভাতার মতো বিষয়গুলোতে ফাঁকিজুকি সাধারণ নিরীক্ষার মাধ্যমেই খুব সহজে ধরতে পারে আইআরএস। কিন্তু ব্যক্তিগত ব্যবসার মুনাফা এবং জটিল বিনিয়োগ অংশীদারিত্বের বিষয়গুলোর ফাঁকফোকর শনাক্ত করা খুব কঠিন। আর এই সুযোগটিই নেন ধনীরা।গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের অতিধনী এই এক শতাংশ জনগণ কৌশলে যে পরিমান করফাঁকি দেয় তাতে ফেডারেল সরকার প্রতি বছর ১৭৫ বিলিয়ন ডলার রাজস্ব বঞ্চিত হয়।গবেষণা প্রতিবেদনে একটা বিষয় স্পষ্ট হয়েছে যে, অতিধনীদের গোপন আয়ের পরিমান অনেক বেশি। এর মানে হলো, আয় ও সম্পদের প্রকৃত বৈষম্য বিভিন্ন গবেষণায় বেরিয়ে আসা পরিমানের চেয়ে ঢের বেশি।গবেষকরা এই ধরনের ফাঁকি রোধ করতে নিরীক্ষা ব্যবস্থায় অতিরিক্ত কিছু টুল অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন। এর মধ্যে পানামা পেপারের মতো হুইসেলব্লোয়ার এবং আরো বিশেষায়িত নিরীক্ষা পদ্ধতি অবলম্বনের মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন আইআরএসের দুই জন গবেষক এবং লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্স, কারনেগি মেলন ইউনিভার্সিটি ও ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া অ্যাট বারকেলের তিন জন অধ্যাপক।নতুন গবেষণার বিষয়ে আইআরএস কমিশনার চাক রেটিং বলেছেন, কংগ্রেসের প্যানেলকে গত সপ্তাহে তিনি জানিয়েছেন যে অতিধনীদের সম্পদ নিরীক্ষার বিষয়টি এক দশক ধরেই সমস্যার মুখে রয়েছে। এর কারণ হলো এই কাজটি করার মতো উপযুক্ত কর্মী কমেছে।তিনি বলেন, ২০১০ থেকে এ পর্যন্ত আমরা ১৫ হাজার কর্মী হারিয়েছি।গত শুক্রবার প্রকাশিত ফেডারেল রিজার্ভের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের এক শতাংশ অতিধনীর নিট সম্পদ ২০২০ সালে প্রায় ৪ হাজার কোটি ডলার বেড়েছে। এটি দেশের নতুন সৃষ্ট মোট সম্পদের এক তৃতীয়াংশ। যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের অতিদরিদ্র অর্ধেক জনসংখ্যার মোট সম্পদের পরিমান বেড়েছে ৪৭১ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের মাত্র ৪ শতাংশ বেশি।সূত্র: ব্লুমবার্গ
195
রিটার্নে ২০% আয় গোপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের অতিধনীরা
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১৯:১৬
category: অর্থনীতি
keywords: আমেরিকা
meta: 



লক্ষ্মীপুরে উত্তর হামছাদীয় ৪র্থ শ্রেণির মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনার অভিযুক্ত প্রধান আসামি শিক্ষক সাদ্দাম হোসেনকে ১২দিনেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয়রা।  আজ মঙ্গলবার সকালে আলীপুরে মসজিদ ভিত্তিক গণশিক্ষা কেন্দ্রের সামনে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এর আগে আলীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।এসময় বক্তব্য রাখেন, পালেরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি নাজমুল করিম টিপু, তাজুল ইসলাম, ভিলেজ কেয়ার ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা আতিকুর রহমান তাজু, সভাপতি আল আমিন, সাবেক সভাপতি কাউছার, উজ্জল চৌধুরী, ইসমাইল হোসেন ও ওমর ফারুক প্রমুখ।উল্লেখ্য, ১১ মার্চ মসজিদ ভিত্তিক গণশিক্ষা কেন্দ্রে ৪র্থ শ্রেণিতে পড়ালেখা করছে ওই শিশু শিক্ষার্থী। শিক্ষক সাদ্দাম হোসেন শিশুটিকে একা পেয়ে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে শিশুকে উদ্ধার করে তার পরিবার। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের জানানো হয়। এক পর্যায়ে স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল বাতেনসহ কয়েকজন মিলে ঘটনাটিকে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। এছাড়া শিশুর পরিবারকে মামলা না করার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়। পরে ২০ মার্চ ওই শিশুর বাবা বাদী হয়ে শিক্ষকসহ নয়জনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করে।এখন পর্যন্ত স্থানীয়  আওয়ামীলীগ নেতা আবদুল বাতেন, জাহিদুল আলম ও ছাদেকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।
196
লক্ষ্মীপুরে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণঃ ১২দিনেও গ্রেফতার হয়নি প্রধান আসামি
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১৯:৪৮
category: সারা দেশ
keywords: লক্ষ্মীপুর, ধর্ষণ, মাদ্রাসা-ছাত্রী
meta: 



বাড়িতে ককটেল রাখার দায়ে হাতেম আলী (৫৫) নামে এক জেএমবি সদস্যকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।    আজ মঙ্গলবার দুপুরে নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালত ও বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মেহেদী হাসান তালুকদার এ রায় প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হাতেম আলী মান্দা উপজেলার তালপাতিলা গ্রামের বাসিন্দা।  মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নওগাঁ গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের একটি দল ২০১৬ সালের ১২ জুন রাত ৩টার দিকে হাতেম আলীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৩০০ গ্রাম ওজনের তিনটি তাজা ককটেল উদ্ধার করে। এ ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে হাতেম আলীর বিরুদ্ধে মান্দা থানায় একটি মামলা দায়ের করে পুলিশ। তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ৫ অক্টোবর হাতেম আলীর বিরুদ্ধে আদালতে  অভিযোগপত্র দাখিল করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।আসামির বিরুদ্ধে মামলা চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষ মোট ১১ জন সাক্ষী উপস্থাপন করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে মঙ্গলবার নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালত ও বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মেহেদী হাসান তালুকদার এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি হাতেম আলী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।  রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন, অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি সঞ্জিব কুমার সরকার ও আসামি পক্ষে আবু জাহিদ মো. রফিকুল আলম।
197
বাড়িতে ককটেল রাখায় জেএমবি সদস্যের ৩ বছরের কারাদণ্ড
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ১৯:৫৮
category: সারা দেশ
keywords: নওগাঁ, ককটেল, কারাদণ্ড
meta: 



জয়পুরহাট সদর উপজেলার বেলআমলা গ্রামে অবস্থিত ঐতিহাসিক বারো শিবালয় মন্দিরে লাগেনি কোন উন্নয়নের ছোঁয়া। অথচ এটি একটি প্রাচীন ঐতিহ্য ও পুরাকীর্তির অন্যতম নিদর্শন। এজন্য এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বীরা দুঃখ প্রকাশ করেছেন।এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বীরা অভিযোগ করে বলেন, ঐতিহাসিক এ মন্দিরের উন্নয়নের কাজে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ এবং জেলা পরিষদ থেকে কোন সরকারি বরাদ্দ পাননি তারা। রাস্তার কাজের জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মন্দিরের প্রাচীরের উত্তরপাশ থেকে মাটি কেটে গর্ত করে। কিন্তু সে গর্ত আজও ভরাট করা হয়নি।তারা দাবি করেন, বর্তমান সরকার যেহেতু দেশের বিভিন্ন মন্দির, মসজিদ, গির্জার উন্নয়নে বরাদ্দ দিচ্ছে। সেজন্য কর্তৃপক্ষ অতি তাড়াতাড়ি ঐতিহাসিক এ বারো শিবালয় মন্দিরে সরকারি বরাদ্দ দিয়ে মন্দিরের প্রাচীরের উত্তর পাশের গর্তটি ভরাট করে দিবেন বলে আমরা আশাবাদী।এবিষয়ে মন্দিরে পূজা দিতে আসা নওগাঁর বদলগাছি সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক সুবাস সিংহ, বদলগাছি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক সুরেশ সিংহ এবং মহাদেবপুরের যুগলচন্দ্র পাল জানান, মনের আশা পূরণের জন্য তারা এ মন্দিরে শিবঠাকুরকে পূজা দিতে এসেছেন। তাদের মতো শত শত পূজারী প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে এখানে আসে। সরকারি বরাদ্দ পেলে এ মন্দিরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি হতো। সকলের ভালো লাগতো।   মন্দিরের সহ সভাপতি বিশ্বনাথ আগরওয়ালা জানান, মন্দিরের উন্নয়নের জন্য জেলা পরিষদে আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু কোন অনুদান পাওয়া যায়নি।এ বিষয়ে স্থানীয় মোহাম্মেদাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান জানান, মন্দিরের উন্নয়নে কোন বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। শুধু ৪০ দিনের লেবার দিয়ে মন্দিরের ঘাসগুলো পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে। তবে পরবর্তীতে বরাদ্দ পেলে এ মন্দিরে দেওয়া হবে।  উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস.এম সোলায়মান আলী জানান, বারো শিবালয় মন্দিরে তারা কোন বরাদ্দ দেননি। এটা তাদের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না। কারণ, এটা জেলা পরিষদের আওতাভুক্ত। তা সত্ত্বেও কেউ আবেদন করলে বা টাকা চাইলে দেওয়া হয়।   জয়পুরহাট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান রকেট জানান, জেলা পরিষদের অনুদান মন্দির, মসজিদ, গির্জা সব জায়গায় পর্যায়ক্রমে দেওয়া হচ্ছে। সেক্ষেত্রে যেসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে এখনো অনুদান পৌঁছেনি সেগুলোতে যোগাযোগ সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে তাদের বরাদ্দ দেওয়া হবে।  মন্দির সম্পর্কে জানা গেছে, বারোটি শিবমন্দির প্রাচীন স্থাপত্য শিল্পের সাক্ষ্য বহন করে আজো দাঁড়িয়ে আছে। এর সঠিক ইতিহাস লিপিবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হয়, রাজা বল্লাল সেন ছিলেন শিবের উপাসক। তিনি এই মন্দির স্থাপন করেন। আবার কারো কারো মতে, লোচন মন্ডল নামে এক ধনাঢ্য ব্যক্তি ছিলেন। যিনি বারো শিবালয় মন্দিরটি নির্মাণ করেন।  স্থানীয় সনাতন ধর্মালম্বীরা জানান, প্রতিবছর ফাল্গুন মাসের অমাবস্যায় শিব চতুর্দশীর শিবরাত্রি উপলক্ষে এ বারো শিবালয়কে ঘিরে পূজা অর্চনা আয়োজন করা হয়। আর এ লক্ষ্যে এখানে বিশাল মেলা বসে। মেলায় মানত, শিবদর্শন, গীতা পাঠ, উলুধ্বনি আর ঐতিহ্যবাহী ঢাক ঢোলের বাজনায় সারা এলাকা মুখরিত হয়। এছাড়া মেলায় দেশের সুখ-সমৃদ্ধি ও মানব কল্যাণে শিবঠাকুরকে সন্তুষ্ট করতে আলো আধারির মাঝে কীর্তন গানের অনুষ্ঠান করা হয়। মেলায় শাখা-সিঁদুর, পৈতা, তিলক, পুতির মালা, কাঠের জালি, পুতুল, খেলনা, ঘর সাজানোর জিনিসপত্রসহ বিভিন্ন প্রকার আসবাবপত্র বেচাকেনা জমে উঠে।  প্রাচীন ঐতিহ্য আর পুরাকীর্তির খোঁজে ঘুরে বেড়ান যারা তাদের জন্য অন্যতম আকর্ষণ শত বছর আগে নির্মিত জয়পুরহাটের বারো শিবালয় মন্দির। শান্ত সবুজ পরিবেশ আর ছোট যমুনা নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে ওঠা এই প্রাচীন স্থাপত্যটি জুড়ে রয়েছে ১২টি মন্দির।
198
প্রাচীন ঐতিহ্য ও পুরাকীর্তির নিদর্শন জয়পুরহাটের বারো শিবালয় মন্দির
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ২০:১০
category: সারা দেশ
keywords: জয়পুরহাট, প্রাচীন নিদর্শন, মন্দির
meta: 



কোন একটি ডিভাইস মানুষের শরীরে প্রবেশ করিয়ে তাকে মনিটর করা বা তার মাঝে কোনো পরিবর্তন সাধন করা এই বিষয়গুলো নিয়ে পৃথিবীব্যাপী অনেক প্রযুক্তিবিদই কাজ করছেন। এই কার্যক্রম কিছু ক্ষেত্রে সকলকে জানিয়ে করা হচ্ছে। আবার কিছু ক্ষেত্রে চলছে গোপনে গবেষণা।ইন্টারনেট অব থিংস, ইন্টারনেট অব বডিজ ইত্যাদি এইসকল গবেষণার ক্ষেত্রে বহুল ব্যবহৃত ধারণা।যখন ইন্টারনেট অব থিংস(আইওটি) মানবদেহের সাথে সংযুক্ত করা হয়, তখন এর ফলে আমরা যা পাই তাই হচ্ছে ইন্টারনেট অব বডিজ।এই ইন্টারনেট অব বডিজ নিয়ে পৃথিবীব্যাপী নানা সংস্থা নানা রকম পরিকল্পনা করছে।  স্পাই কার্যক্রমে এই ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রচলন হয়ে থাকে।মূলত এক্ষেত্রে মানবদেহকে ডিভাইসের মাধ্যমে একটি নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করা হয় ।  এই ডিভাইস গিলে খাওয়ানো (ইনজেস্ট) হয়, প্রোথিত (ইমপ্ল্যান্ট) করা হয়, অথবা দেহের সাথে সংযুক্ত (কানেক্ট) করা হয় কোনো না কোনো উপায়ে।একবার সংযুক্ত হয়ে গেলে এই ডিভাইস থেকে ডাটা বিনিময় চলতে থাকে এবং সংশ্লিষ্ট মানবদেহ ও আইওবি ডিভাইস দূর থেকে মনিটর ও নিয়ন্ত্রণ করা যায়।এই ধরনের প্রযুক্তির   রয়েছে তিনটি জেনারেশন। এগুলো হচ্ছে : বডি এক্সটার্নাল, বডি ইন্টার্নাল ও বডি এমবেডেড। বডি এক্সটার্নালগুলো হচ্ছে ওয়্যারেবল ডিভাইস। যেমন : অ্যাপল ওয়াচ অথবা ফিটবিট(এগুলো আমাদের হেলথ মনিটর করে, অর্থাৎ স্বাস্থ্য পরিস্থিতির ওপর নজর রাখে)।     কল্পবিজ্ঞানের জগতে এই ধরনের নেটওয়ার্কিং মাঝেমাঝেই দেখা যায়। বিজ্ঞানীরা এই ধরনের চিন্তাকে বাস্তবে রূপ দেয়ার জন্য প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন।কানে শোনা কিংবা দৃষ্টিশক্তি বাড়ানোর সহায়ক ডিভাইস, ভাইটাল মনিটরিং সিস্টেম,পরিধানযোগ্য  ডায়ালাইসিস ডিভাইস, ডিজিটাল পিল (বড়ি), কৃত্রিম পাকস্থলী ও অঙ্গ, স্মার্ট প্রসথেসিস, মস্তিষ্কে সংযোজিত প্রোথিত ডিভাইস, বিভিন্ন হোম  অফিস ও অন্যান্য স্থানে দ্রত যোগাযোগের চিপ, অ্যাক্টিভিটি ট্র্যাকার, স্মার্টওয়াচ, স্মার্ট পেশাক, ব্রেনওয়্যার, নিউরোটেকনোলজি, অগমেন্টেড রিয়েলিটি ও অন্যান্য বডিপ্রক্সিমিটি পণ্য হচ্ছে ইন্টারনেট অব বডিজের কিছু উদাহরণ। এগুলো  মানবদেহকে ব্যবহার করে একটি টেকনোলজি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে।যেহেতু ইন্টারনেট অব বডিজ সংক্রান্ত গবেষণার বাস্তব অস্তিত্ব রয়েছে,তাই নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এই সংক্রান্ত গবেষণা যে কোনো দেশের জন্যই প্রয়োজনীয়। তবে এই সকল গবেষণার ক্ষেত্রে নৈতিক নিয়মকানুন মেনে চলা হচ্ছে কী না সেটা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।
199
মানুষকে মনিটর করার প্রযুক্তি
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ২০:২৮
category: প্রযুক্তি
keywords: 
meta: 



চীন-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যযুদ্ধ হঠাৎ করেই যেন গোটা বিশ্বে নব্বইয়ের দশকের স্নায়ুযুদ্ধের উত্তেজনার স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছিল। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উত্তপ্ত বাক্য, চীনা প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংয়ের নেতৃত্বে বেইজিংয়ের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা এবং এসবকে কেন্দ্র করে দুই বাণিজ্যশক্তির দ্বৈরথ একেবারে নিত্যকার ঘটনা হয়ে উঠেছিল। বরাবরের মেতোই জারি ছিল ওয়াশিংটনের নিষেধাজ্ঞার রাজনীতি। কথা হলো চীন-যুক্তরাষ্ট্র এমন উত্তেজনা কি হঠাৎ করেই জন্ম নিল? এটা কি শুধুই যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে চীনের দাঁড়িয়ে যাওয়ার কারণেই হচ্ছে? নাকি এর মূল আরও অনেক দূর বিস্তৃত?‘এমপ্রেস অব চায়না’ নামের জাহাজটি যখন চীনের ক্যান্টনে (বর্তমার গুয়াংঝু) পৌঁছায়, তখন আগস্ট মাস। এই ক্যান্টনই তখন পশ্চিমের সঙ্গে চীনের যোগাযোগের ভরকেন্দ্র। সেই ১৭৬০ সাল থেকে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে যাবতীয় বাণিজ্য সম্পর্ক রক্ষায় এই বন্দরের ভূমিকাই ছিল মুখ্য। সে যা-ই হোক, ১৭৮৪ সালের আগস্টে এই ক্যান্টনে ভেড়া ‘এমপ্রেস অব চায়না’ জাহাজে চড়ে শুধু পণ্যই এল না, এলেন চীনে যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের পাঠানো অনানুষ্ঠানিক প্রতিনিধি (কনসাল) স্যামুয়েল শ। মার্কিন কংগ্রেস নিযুক্ত হলেও তিনি কিন্তু চীনের তৎকালীন কর্তৃপক্ষকে নিজের কাজ ও আগমন কোনো কিছু সম্পর্কেই কিছু জানালেন না। কূটনৈতিক তথ্য দেওয়া বা না দেওয়ার সূত্রটি তাই বলা যায় অনেক পুরোনো। আজকে যে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ এক দেশে আরেক দেশের বিরুদ্ধে তোলে, তার মূলটি বহু বছর আগেই প্রোথিত ছিল বলা যায়।আধুনিক সময়ের কথা বললে এই দুই দেশের মধ্যে ঠান্ডা লড়াইয়ের সূত্রপাত হয়েছিল আজ থেকে ৭২ বছর আগে, গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রতিষ্ঠাকালে। লাখো কৃষকের আশার বাতি হয়ে মাও সে তুংয়ের চীনের জন্মের সময়েই রোপিত হয়েছিল চীন-যুক্তরাষ্ট্র বিরোধের বীজ। নানা সময়ে এর মাত্রা বেড়েছে-কমেছে। ট্রাম্প জমানায় এই উত্তেজনা এতটাই বেড়েছিল যে, মানুষের মনে এমনকি সত্যিকারের যুদ্ধের আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছিল। ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা ছাড়ার পর এই উত্তেজনায় ভাটা পড়ার আশা দেখেছিল মানুষ। কিন্তু তা হয়নি। এই না হওয়ার পেছনে বিরোধের দীর্ঘ ইতিহাস যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে পুঁজিতান্ত্রিক অর্থনীতি ও এর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত বিশ্বের নানা সমীকরণ।অক্টোবর, ১৯৪৯   গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রতিষ্ঠা হয়চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা মাও সেতুং ১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর জাতীয়তাবাদী সরকার চিয়াং কেই শেককে পরাজিত করে গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রতিষ্ঠা করে। তখন চিয়াং এবং তার অনুগামী হাজার হাজার সেনা তখন তাইওয়ানে পালিয়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্র চীনের জাতীয়তাবাদে সমর্থন দিয়েছিল এবং তারা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের বিরুদ্ধে লড়েছিল। চিয়াংকে ক্ষমতাচ্যুত করার পরও তাকে সমর্থন দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। মূলত তখন থেকে শুরু হয়ে আজ পর্যন্ত চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিরোধ চলছে।জুন, ১৯৫০   কোরিয়ায় শুরু হয় যুদ্ধ১৯৫০ সালের ২৫ জুন; তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন সমর্থিত উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনী দক্ষিণ কোরিয়ায় আক্রমণ করে। তখন যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘ দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষ নেয়। চীন সমাজতন্ত্রে আস্থা রাখায় উত্তর কোরিয়ার পক্ষ নেয়। ওই যুদ্ধে প্রায় ৪০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। জাতিসংঘ, চীন ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে চুক্তির মধ্য দিয়ে ১৯৫৩ সালে যুদ্ধটি শেষ হয়।আগস্ট, ১৯৫৪   তাইওয়ান প্রণালী নিয়ে প্রথম সংকটমার্কিন প্রেসিডেন্ট ডুইট আইজেনহাওয়ার ১৯৫৪ সালে তাইওয়ানের ওপর থেকে মার্কিন নৌবাহিনীর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেন। একই বছরের আগস্টে চিয়াং কাইন তাইওয়ান প্রণালীতে হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করে। তখন চীনের সেনারা হামলা চালিয়ে চিয়াং কাইনের বাহিনীকে প্রতিরোধের চেষ্টা করে। পরে ওয়াশিংটন চিয়াংইয়ের জাতীয়তাবাদী দলের সঙ্গে একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করে। ১৯৫৫ সালের বসন্তে যুক্তরাষ্ট্র চীনে পরমাণু হামলার হুমকি দেয়। ওই বছরের এপ্রিলে চীন আলোচনায় বসতে রাজি হয়। তবে দাচেন দ্বীপ জয়ের মাধ্যমে চীন তখন সীমিত পরিসরে নিজেদের জয়ী দাবি করে। এই সংকট ১৯৫৬ ও ১৯৯৬ সালেও দেখা দিয়েছিল।১৯৫৯ সালের তিব্বত বিদ্রোহতিব্বত দখলের নয় বছর পর তিব্বতে চীনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু হয়। তিব্বতের লাসা থেকে এই বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে। চীনা বাহিনীর হাতে তখন হাজার হাজার তিব্বতি নিহত হয় এবং দালাই লামা বাধ্য হয়ে ভারতে পালিয়ে যান। তখন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য চীনের এমন কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানায়। ১৯৫০-এর দশকে তিব্বতে চীনের বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধ হয়েছিল, তাতে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর সমর্থন ছিল।পরমাণু শক্তিধর দেশের তালিকায় চীনের প্রবেশচীন প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়১৯৬৪ সালে, যখন ভিয়েতনামের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ চলছিল। সে সময় চীন সীমান্ত এলাকায় ভিয়েতনামের সেনাদের সাহায্য করেছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।পিংপং কূটনীতি১৯৭১ সালে চীনের আমন্ত্রণে মার্কিন টেবিল টেনিস (পিংপং) দল চীন সফর করে। এ জন্য এর নামকরণ হয় পিংপং কূটনীতি। ‘পিং পংকূটনীতি’ চীন-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করে। ১৯৬৪ সালে স্নায়ুযুদ্ধের কালে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে চীনের যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করে। সঙ্গে ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট। কৌশলগত মিত্র পাকিস্তানের স্বার্থ বিবেচনায় ওয়াশিংটন বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নের কৌশল নেয়। ১৯৭১ সালের জুলাইয়ে তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার চীনে গোপন সফরে আসেন। এরপরই চীনকে স্বীকৃতি দেয় যুক্তরাষ্ট্র।   নিক্সনের চীন সফরসাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন ১৯৭২ সালে চীন সফর করেন। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির চেয়ারম্যান মাও সেতুংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন নিক্সন। চীন-যুক্তরাষ্ট্র সাংহাই কমিউনিক চুক্তি সই হয়। এই চুক্তি অনুযায়ী, দ্বিপাক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নে জটিল ইস্যুতে আলোচনা করতে রাজি হয় দুই দেশ। তবে ওই দশকের বেশির ভাগ সময় এ সম্পর্কের উন্নয়ন ধীর গতিতে চলেছে।‘এক চীন’ নীতিতে মার্কিন স্বীকৃতিসাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার প্রশাসন ১৯৭৯ সালে চীনের কূটনীতিকে স্বীকৃতি দেয়। এর মাধ্যমেই ‘এক চীন’ নীতিতে মার্কিন স্বীকৃতি মেলে। চীনের তৎকালীন উপপ্রধানমন্ত্রী ডেং জিয়াওপিং যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন। এপ্রিলে মার্কিন কংগ্রেস তাইওয়ান রিলেশনস অ্যাক্টে অনুমোদন দেয়। এর মাধ্যমে তাইওয়ান-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক শুরু হয়। ওই চুক্তি অনুযায়ী তাইপেতে অস্ত্র সরবরাহ করার কথা ছিল ওয়াশিংটনের। তবে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ‘এক চীন’ নীতির লঙ্ঘন করেনি। রিগান যুগপ্রেসিডেন্ট পদে রোনাল্ড রিগান আসার পর তার প্রশাসন তাইওয়ানকে ছয়টি বিষয়ে আশ্বস্ত করে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো তাইওয়ান ইস্যুতে হস্তক্ষেপ না করার আশ্বাস। তবে কবে নাগাদ যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রি বন্ধ করবে, সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। একই সময়ে চীনের সঙ্গে হওয়া চুক্তিতে এক চীন নীতির প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়। দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে পরোক্ষে বড় ভূমিকা রেখেছিল সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বৈরথ। রিগান ১৯৮৪ সালে চীন সফর করেন। সে সময়ই যুক্তরাষ্ট্র থেকে চীন অস্ত্র কেনার অনুমতি পায়।   তিয়েনআনমেন গণহত্যাবেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন স্কয়ারে ১৯৮৯ সালে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। তখন চীনের রাজনৈতিক নেতৃত্বও ভীষণভাবে দ্বিধা-বিভক্ত হয়ে পড়ে। বিক্ষোভ দমনে সেনাবাহিনী অ্যাসল্ট রাইফেল ও ট্যাংক ব্যবহার করে। এ হত্যাযজ্ঞ তিয়েনআনমেন স্কয়ার গণহত্যা বা ৪ জুন গণহত্যা নামে পরিচিত। এই গণহত্যার পর চীনের কাছে অস্ত্র বিক্রি বন্ধ করে দেয় চীন।   তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনতাইওয়ানে ১৯৯৬ সালের মার্চে প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়, যেখানে জয় পান লি তেং-হুই। তাকে হংকংয়ের 'গণতন্ত্রের জনক বলা হয়। তাইওয়ানের ভোটারদের গণতন্ত্রপন্থী প্রার্থীকে ভোট দেওয়া থেকে বিরত রাখতে চীন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। নির্বাচিত হওয়ার এক বছর আগে লি তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সঙ্গে ওয়াশিংটনে গিয়ে সাক্ষাৎ করেন।বাণিজ্য সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণইউএস-চীনা রিলেশন অ্যাক্ট ২০০০-এ তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সই। ওই চুক্তির কারণে ২০০১ সালের চীন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ পায়। ১৯৮০ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে বাণিজ্য ৫০০ কোটি ডলার থেকে বেড়ে ২৩ হাজার ১০০ কোটি ডলারে দাঁড়ায়। ২০০৬ সালে চীন মেক্সিকোকে ছাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বৃহৎ বাণিজ্যিক অংশীদার হয়।চীন-যুক্তরাষ্ট্রের বিমান সংঘর্ষ২০০১ সালের এপ্রিলে মার্কিন নজরদারি বিমানের সঙ্গে চীনের যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষ হয়। এতে যুক্তরাষ্ট্রের এক পাইলট নিহত হন। চীনের হাইনা দ্বীপে মার্কিন বিমানবাহিনীর ২৪ সদস্য আটক করা হয়।, যাদের ১২ দিন পর ছেড়ে দেওয়া হয়।চীনের সামরিক বাজেট বৃদ্ধিচীনের পরাশক্তি হওয়ার আকাঙ্ক্ষা ক্রমে বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করে। ২০০৭ সালের মার্চে চীন সামরিক বাজেট ১৮ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করে। একে ভালো চোখে নেয়নি যুক্তরাষ্ট্র।যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ঋণগ্রহীতায় পরিণত হয় চীনজাপানকে ছাড়িয়ে ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ঋণগ্রহীতায় পরিণত হয় চীন। তখন চীনের থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পাওনা ছিল ৬০ হাজার কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের অর্থনীতির মধ্যে এই নির্ভরতা বৈশ্বিক অর্থনীতিকে হুমকির মুখে ফেলে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র-চীনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক ভারসাম্যহীন হওয়ার শঙ্কা দেখা দেয়।এশিয়ার প্রতি মনযোগী হয় যুক্তরাষ্ট্রসাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা প্রশাসন ২০১১ সালে এশিয়ার প্রতি বেশি মনোযোগী হলে চীনের কপালে ভাঁজ পড়ে। এশিয়ার আটটি দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ট্রান্স-প্যাসিফিক চুক্তিতে পৌঁছাতে একমত হলে চীন-মার্কিন ঠান্ডা লড়াইয়ের আভাস সুস্পষ্ট হয়। চীনের সঙ্গে থাকা বাণিজ্য ঘাটতি বাড়ায় যুক্তরাষ্ট্র এবং বিরল ধাতুর একচেটিয়াকরণের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পরিসরে সোচ্চার হয় যুক্তরাষ্ট্র। এই অবস্থার মধ্যেই ২০১২ সালে দৃষ্টিহীন ভিন্নমতাবলম্বী চেন গুয়াংচেং-এর গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে নতুন উত্তেজনা তৈরি হয় দু দেশের মধ্যে। পরে সমঝোতা হলেও এর রেশ থেকে যায়।   প্রেসিডেন্ট হলেন সি চিন পিংচীনের কমিউনিস্ট পার্টির ১৮তম কংগ্রেসে নতুন প্রেসিডেন্ট হন সি চিন পিং। পাশাপাশি লি কেকিয়াংকে চীনের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। ক্ষমতায় এসেই চীনের পুনর্জাগরণের ডাক দেন সি।সানিল্যান্ডস সামিটক্যালিফোর্নিয়ার সানিল্যান্ডে ২০১৩ সালের ৭ ও ৮ জুন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে বৈঠক করেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। একে উভয়পক্ষ আশাব্যঞ্জক বললেও বছর না ঘুরতেই হ্যাকিংকে কেন্দ্র করে আবার উত্তেজনা বাড়তে থাকে। অভিযোগ ওঠে, চীনা হ্যাকার যুক্তরাষ্ট্রের ২ কোটি ২০ লাখ সাবেক ও বর্তমান কর্মীর তথ্য চুরি করেছে।দক্ষিণ চীন সাগরএশিয়ার নিরাপত্তা নিয়ে ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত শ্যাংরি লা সংলাপে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী অ্যাশটন কার্টার দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের সেনা মোতায়েন নিয়ে আপত্তি জানান। শুরু হয় নতুন করে উত্তেজনা।ট্রাম্প জমানাএক চীন নীতিতে সম্মান দেখাতে চান ট্রাম্প। তবে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ২০১৭ সালে ট্রাম্প প্রচলিত চর্চা ভেঙে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট টিসাই ইং-ওয়েনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। একই বছর এপ্রিলে ট্রাম্প ফ্লোরিডার মার-এ-লাগোতে সি চিন পিংয়ের সঙ্গে দু দিনব্যাপী সম্মেলনে অংশ নেন। এতে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও উত্তর কোরিয়ার বিষয়টি ছিল চীন-যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ এজেন্ডা। ২০১৮ সালের মার্চে 'চীনে মার্কিন প্রযুক্তি ও মেধা সম্পদের অন্যায্য হস্তান্তর' বন্ধ করতে চীনের ৫ হাজার কোটি ডলারের পণ্যের ওপর শুল্কারোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এর প্রতিক্রিয়ায় চীনও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর শুল্কারোপ শুরু করে। শুরু হয় বাণিজ্যযুদ্ধ। ওই বছর তিন দফায় মোট ২৫ হাজার কোটি ডলারের চীনা পণ্যের ওপর শুল্কারোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। প্রত্যুত্তরে ৫ হাজার কোটি ডলারের মার্কিন পণ্যের ওপর শুল্কারোপ করে চীন। এরই মধ্যে বছরের শেষ নাগাদ কানাডায় গ্রেফতার হন হুয়াওয়ের সিএফও। ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করার অভিযোগ তুলে এ পদক্ষেপ নেয় যুক্তরাষ্ট্র। চীন ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায়। এদিকে মার্কিন ফেডারেল এজেন্সিগুলোতে হুয়াওয়ের পণ্য ব্যবহার নিষিদ্ধের পর ২০১৯ সালের ৬ মার্চ হুয়াওয়ে পাল্টা মামলা করে। ট্রাম্প প্রশাসন বিভিন্ন দেশকে ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক তৈরিতে হুয়াওয়ের পণ্য ব্যবহার না করার আহ্বান জানায়। একই বছর মে মাসে বাণিজ্যযুদ্ধ নিয়ে আলোচনা ভেস্তে যায়। ট্রাম্প প্রশাসন চীনের ২০ হাজার কোটি ডলারের পণ্যের ওপর ১০ থেকে ২৫ শতাংশ শুল্ক বাড়ায়। একই ধরনের পদক্ষেপ নেয় চীন। আগস্টে চীনকে ‘কারেন্সি ম্যানিপুলেটর’ আখ্যা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। হংকং সমর্থকদের পক্ষে বিল সই করেন ট্রাম্প। বদলা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেয় চীন। পরের বছর চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে উদ্যোগী হয় ট্রাম্প প্রশাসন। দীর্ঘ ১৮ মাসের উত্তেজনার পর বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছায় চীন ও যুক্তরাষ্ট্র।করোনায় নতুন সংযোজনচীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়। পরে ট্রাম্প প্রশাসন মার্কিন নাগরিক ছাড়া যারা চীন সফর করেছে তাদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন করোনা নিয়ে একে অপরকে দোষারোপ করতে থাকে। তখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প করোনাকে ‘চীনা ভাইরাস’ বলে আখ্যা দেন। এমনকি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা ইস্যুতে চীনকে সমর্থন করছে বলে অভিযোগ তুলে সংস্থাটি থেকে বেরিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। একই বছর মার্চে যুক্তরাষ্ট্র চীনের ৬০ সাংবাদিকের পরিচয়পত্র বাতিল করে। জবাবে চীন সরকার কমপক্ষে ১৩ মার্কিন সাংবাদিককে বরখাস্তের ঘোষণা দেয়। হংকংয়ের বিশেষ বাণিজ্য সুবিধা বাতিল করে যুক্তরাষ্ট্র। বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ চুরির অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র টেক্সাসের হিউস্টনে চীনা কনস্যুলেট বন্ধ করে দেয়। এর প্রতিক্রিয়ায় চীন চেংদুতে মার্কিন কনস্যুলেট বন্ধ করে দেয়।বাইডেন প্রশাসনআশা ছিল জো বাইডেন ক্ষমতায় এলে বাণিজ্যযুদ্ধসহ চীনের সঙ্গে হওয়া নানা উত্তেজনার কিছুটা প্রশমন হবে। বেইজিংও নতুন করে সম্পর্কোন্নয়নের কথা ভাবছিল। কিন্তু ক্ষমতা গ্রহণের পর বাইডেন এখন পর্যন্ত তেমন কোনো সুস্পষ্ট পদক্ষেপ নেননি। ফলে বিদ্যমান নীতি অনুসরণেরই সম্ভাবনা বেশি। তাই সাত দশকের যে বিরোধপূর্ণ সম্পর্ক, তা একরকম অব্যাহত থাকবে বলেই মনে হয়।আরও পড়ুন:ভারত-চীন: শান্তি থেকে অনিঃশেষ সংঘাতের পথেনাগোরনো-কারাবাখ সংঘাত: আদি আছে, অন্ত নেইইসরায়েল–ফিলিস্তিন : দীর্ঘ সংঘাতের নির্মম ইতিহাসভূ–স্বর্গ কাশ্মীরের ত্রিশঙ্কু দশার আদ্যোপান্ত
200
চীন-যুক্তরাষ্ট্র, ৭০ বছরের বিরোধের ইতিহাস
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ২১:৪৯
category: বিশ্লেষণ
keywords: বিরোধের বয়ান, সংঘর্ষ
meta: 



সরকারি প্রণোদনায় গাজীপুরের কালিয়াকৈরে সূর্যমুখী ফুল চাষ শুরু করেছেন ৪০ জন কৃষক। সূর্যমুখীর বাম্পার ফলনের আশা করছে উপজেলার কৃষি অফিস।কালিয়াকৈর কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর কালিয়াকৈর উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় সূর্যমুখীর চাষ করা হয়েছে। চল্লিশ বিঘা জমিতে হাইসান-৩৩ জাতের সূর্যমুখী ফুলের চাষ করা হচ্ছে। কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ-সার দেওয়া হয়েছে।সূর্যমুখী চাষের ৯০-১০৫ দিনের মধ্যে বীজ ঘরে তোলা যায়। প্রতি বিঘা জমিতে সূর্যমুখী ফুলের বীজ পাওয়া যায় ছয় থেকে সাড়ে ছয় মণ। যার বজার মূল্য ১৫ থেকে ১৭ হাজার টাকা। কৃষকদের স্বাবলম্বী করতেই সূর্যমুখী ফুল চাষে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এরইমধ্যে সূর্যমুখী গাছে ফুল ধরতে শুরু করেছে।প্রতিদিন শহরসহ আশেপাশের এলাকা থেকে সৌন্দর্য পিপাসুরা দল বেঁধে আসেন সূর্যমুখী বাগান দেখতে। চারদিকে হলুদ রঙের ফুলের অপরূপ দৃশ্য। ফুলে ফুলে মধু সংগ্রহে ব্যস্ত মৌমাছি।কালিয়াকৈর গ্রামের সূর্যমুখী ফুলের চাষি শাহিন আলম আজকের পত্রিকাকে জানান, আগে তিনি তার জমিতে বিভিন্ন ধরনের সবজির চাষ করতেন। এ বছর কৃষি অফিসারের পরামর্শে প্রথমবারের মতো সূর্যমুখীর চাষ করছেন। সূর্যমুখী চাষে লাভবান হওয়ার আশা করছেন তিনি।কালিয়াকৈর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, প্রথমবারের মতো এ বছর সরকারের অর্থায়নে পৌর এলাকাসহ উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে সূর্যমুখী চাষ হয়েছে। সূর্যমুখী বীজের তেল সরিষার তেলের চেয়ে অনেক ভালো এবং হার্টের জন্য খুব উপকারী।
201
কালিয়াকৈরে সূর্যমুখী ফুলের বাম্পার ফলনের আশা
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ২১:৫৫
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: 



মুন্সিগঞ্জের সিরজদিখানে বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মিলন হাওলাদার (২২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।               এর আগে গত সোমবার রাত ২টার দিকে উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের চরপানিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মিলন শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার চাদনীপুর গ্রামের রুস্তম হাওলাদারের ছেলে। এক সপ্তাহ আগে মিলন তার বোনের বাড়িতে বেড়াতে যান।মিলনের ভগ্নিপতি বিল্লাল মাদবরের অভিযোগ, পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন রাতে তার ঘরে ঢুকে আগুন দেয়। এ সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। তার শ্যালক দগ্ধ হন। রাতে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সকালে সে মারা যায়।শ্রীনগর ফায়ার সার্ভিসর স্টেশন অফিসার দেওয়ান আজাদ হোসেন বলেন, ধারণা করছি মশার কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম জালালউদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রাত দুইটার সময় অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটলে মিলন হাওলাদার নামে একজন গুরুতর আহত হন। রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
202
বোনের বাড়িতে বেড়াত এসে অগ্নিদগ্ধ হয়ে ভাইয়ের মৃত্যু
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ২১:৫৯
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: 



মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের উদ্দেশ্যে ‘অন্তর থেকে’ একটি চিঠি লিখে হোয়াইট হাউজে রেখে এসেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। টুইটার থেকে তাকে ব্লক করে দেয়ার পর তিনি আরও শক্তিশালী সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করছেন। ফক্স নিউজের কন্ট্রিবিউটর লিসা বুথকে দেয়া এক পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ট্রাম্প। খোলামেলা আলোচনায় উঠে আসে বিতর্কিত আরও কয়েকটি বিষয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য।চিঠিতে বাইডেনের সাফল্য কামনা ট্রাম্পেরদায়িত্ব নেওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই জো বাইডেন বলেছিলেন, রিপাবলিকান নেতা তাকে ‘অত্যন্ত উদার’ একটি চিঠি লিখেছেন। তবে ট্রাম্পের সঙ্গে কথা হওয়ার আগে এ বিষয়ে কিছু না বলার ঘোষণা দেন বাইডেন। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্টের প্রতি সাবেক প্রেসিডেন্টের বিচ্ছেদ বার্তা রেখে যাওয়ার ঐতিহ্য বেশ কয়েক দশকের পুরনো। ট্রাম্পও তা বজায় রেখেছেন।ট্রাম্প পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘মূলত চিঠিতে আমি তাঁর সাফল্য কামনা করেছি। কয়েক পৃষ্ঠার এ চিঠিটি আমি হৃদয় থেকেই লিখেছি। আমি আমার উত্তরসূরিকে আরও ভালভাবে দেখতে চাই।’এর মাঝেও নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলতে ভুল করেননি ট্রাম্প। বলেন, ‘এটি একটি সাজানো নির্বাচন ছিল। আমি কখনোও এ নির্বাচন মেনে নিতে পারবো না।’   টুইটারে নিষিদ্ধ হয়ে নতুন প্লাটফর্মে ট্রাম্পটুইটে সমর্থকদের উসকানি দিয়ে ধ্বংসাত্মক কাজ করিয়েছেন ট্রাম্প। এমন অভিযোগে জানুয়ারিতে ট্রাম্পের অ্যাকাউন্টটি আজীবন নিষিদ্ধ করে টুইটার। এ বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘টুইটার নিষেধাজ্ঞায় আমার তেমন ক্ষতি হয়নি। আমি এখনও বিস্তৃত দর্শকের কাছে পৌঁছাতে পারি। বর্তমানে একটি নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম নিয়ে কাজ করছি। এই প্ল্যাটফর্মটি টুইটারের চেয়ে অনেক মার্জিত এবং ভালো। আপনারা এ বিষয়ে শীঘ্রই আরও বিস্তারিত জানতে পারবেন।’বাইডেন আসার পর সীমান্ত সমস্যা বেড়েছে২০১৬ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পের একটি বড় এজেন্ডা ছিল অভিবাসী প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ। এ জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকোর মাঝে দেয়াল নির্মাণের কাজ শুরু করেছিলেন। তবে বাইডেন অভিবাসী প্রবেশের পথ সহজ করে দিচ্ছেন। বাইডেনের এ নীতিতে এরইমধ্যে সীমান্তে সমস্যা বাড়তে শুরু করেছে বলে জানান বাইডেনের মুখপাত্র জেন সাকি।এ সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, ‘দেয়ালটি নির্মাণ প্রায় শেষ হয়ে গেছে। আর মাত্র ১ মাস কাজ করলেই দেয়ালটি সম্পূর্ণ হবে। এ কাজটি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’নয় মাসে করেছি, অন্যদের ৫ বছর লাগতট্রাম্প ক্ষমতা ছাড়ার আগ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের চার লাখ পঞ্চাশ হাজার নাগরিক করোনায় মারা গেছেন। এজন্য অনেকেই ট্রাম্পের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করছেন। তবে দ্রুত ভ্যাক্সিন অনুমোদন দেয়ার যথেষ্ট কৃতিত্ব তাকে দেয়া হচ্ছেনা বলে অভিযোগ ট্রাম্পের।   ট্রাম্প বলেন, ‘ভ্যাকসিনের দ্রুত বিকাশ, উত্পাদন ও বিতরণের জন্য ২০২০ সালের এপ্রিলে আমরা ‘অপারেশন ওয়ার্প স্পিড’ শুরু করি। এই কাজে আমি সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছি। বিশ্বের জন্য আমি সরাসরি এফডিএ (ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন)’এ গিয়েছি, কথা বলেছি। নয় মাসের মধ্যে করোনার টিকা অনুমোদন পেয়েছে। এই কাজে বাইডেনের মতো প্রেসিডেন্টদের পাঁচ বছর সময় লাগত।’‘ফাউসির কথা শুনেছি, মানিনি’১৯৮০ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যেক প্রেসিডেন্টের চিকিৎসা উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেছেন দেশটির শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ড. অ্যান্টনি ফাউসি। কিন্তু করোনার সময় ট্রাম্পের সাথে তাঁর মতের অমিল প্রায়ই গণমাধ্যমে শিরোনাম হয়েছে। এ বিষয়েও ট্রাম্পের কাছে জানতে চান লিসা বুথ।ট্রাম্প বলেন, “ডাঃ ফাউসিকে আমি ব্যক্তিগতভাবে পছন্দ করি। করোনা বিষয়ে আমি তাঁর কথা শুনেলেও সে অনুযায়ী কাজ করিনি। কারণ, সত্যি বলতে তাঁর অতীত ইতিহাস ভালো নয়। সে অনেক ভুল পরামর্শ দিয়েছে। শুরুতে সে বলেছে, ‘মাস্কের প্রয়োজন নেই’। তাঁর কথা মানলে যুক্তরাষ্ট্রে আরও কয়েক লাখ লোক মারা যেত।’এসব কারণে ফাউসিকে গুলি করার ইচ্ছে হয়েছিল বলেও জানান ট্রাম্প। ফাউসি যত বড় চিকিৎসক তার চেয়ে বড় প্রচারক বলেও মনে করেন তিনি।https://www.abc.net.au/news/2021-03-23/donald-trump-lisa-boothe-podcast-interview/100022944
203
ট্রাম্পের একান্ত সাক্ষাৎকার: সকল বিতর্কের জবাব
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ২২:১০
category: বিশ্ব
keywords: 
meta: 



সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভোলার মেঘনা নদীতে ইলিশ শিকার করায় ২৮ জনকে আটক করেছে মৎস্য বিভাগ। এদের মধ্যে ১৪ জেলেকে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। বাকী ১৪ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ১০টা পর্যন্ত মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে এ অভিযান পরিচালনা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।২৮ জেলেকে আটকের তথ্য নিশ্চিত করেছেন উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা প্রতিক দে। তিনি জানান, জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে অভিযান চলছে। এরই অংশ হিসেবে সদর উপজেলার ধনিয়া ও ইলিশা এলাকায় অভিযান চালায় মৎস্য বিভাগ ও জেলা পুলিশ। আটক হওয়া জেলেদের কাছ থেকে পাঁচ কেজি পোয়া মাছ ও পাঁচ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।ভবিষ্যতেও এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে উল্লেখ করেন নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবু আব্দুল্লাহ খান।উল্লেখ্য, জাটকা রক্ষায় মার্চ ও এপ্রিল মাসে মেঘনায় মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা দিয়েছে মৎস্যবিভাগ। এ নিষেধাজ্ঞার মধ্যে আছে ইলিশা থেকে চর পিয়াল পর্যন্ত মেঘনার ৯০ কিলোমিটার এবং ভেদুরিয়া থেকে চর রুস্তম পর্যন্ত তেঁতুলিয়া নদীর ১০০ কিলোমিটার।   ট্যাগ- ভোলা, জেলে গ্রেফতার, জরিমানা, মুচলেকা, ভ্রাম্যমাণ আদালত, মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা প্রতিক দে, এসিল্যান্ড মোঃ আবু আব্দুল্লাহ খান
205
ভোলায় ২৮ জেলে আটক
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ২২:২২
category: সারা দেশ
keywords: 
meta: 



